সহকর্মী হত্যায় ক্যান্টনমেন্টে ভয়াবহ উত্তেজনা

টেকনাফ পুলিশ কর্তৃক মেজর (অব.) সিনহা রাশেদ কে হত্যার পরে কক্সবাজারের রামুতে অবস্থিত ১০ম পদাতিক ডিভিশনে প্রচন্ড সেনা বিদ্রোহ দেখা দেয়। উল্লেখ্য, নিহত মেজর সিনহা এই ডিভিশনের ব্রিগেড মেজর ছিলেন। ফলে এই ডিভিশনের সেনা অফিসাররা এমনকি সৈনিকরাও এতটাই উত্তেজিত হয়ে পড়েন যে, ৪ আগস্ট মঙ্গলবার ৪০/৪৫ জন সেনা অফিসার (মেজর, লে. কর্নেল, কর্নেল) ভারী অস্ত্র এবং যানবাহনে সজ্জিত হয়ে ক্যান্টনমেন্ট থেকে বেরিয়ে পড়ার প্রস্ততি নিতে থাকেন, উদ্দেশ্য মেজর সিনহা রাশেদের খুনী দারোগা লিয়াকত, ওসি প্রদীপ, এসপি মাসুদ, এবং আরও যে কয়টা জড়িত, সবগুলোকে তুলে এনে ক্যান্টমেন্টে বন্দী করা। অতঃপর তারা নিজেরাই বিচার করবে।
দ্রুতই এই খবর পৌঁছে যায় ১০ম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মো. মাঈন উল্লাহ চৌধুরীর কানে। তিনি ছুটে এসে অফিসারদেরকে বুঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু অফিসাররা অনড়। শেষে তিনি ১২ ঘন্টা সময় চেয়ে নেন। এর মধ্যে খবরটি সেনাপ্রধান হয়ে মিডনাইট প্রধানমন্ত্রীর কানে পৌঁছায়। তিনি মারাত্মক টেনশনে পড়ে যান। সেনাপ্রধান আজিজ এবং আইজিপি বেনজিরকে নির্দেশ দেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে কক্সবাজারে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে এবং যা ব্যবস্থা নেয়ার নিতে। পরদিন সকালেই সেনাপ্রধান রামু সেনানিবাসে পৌঁছান, অফিসারদের সাথে কথা বলেন, সর্বোচ্চ বিচারের আশ্বাস সেন, তার ওপর আস্থা রাখতে বলেন। অতঃপর আইজিপিকে সাথে নিয়ে ঘটনাস্থলে যান, যৌথ প্রেস কনফারেন্স করেন, মামলা হয়, আসামীরা এরেস্ট/সারেন্ডার হয়, রিমান্ড মঞ্জুর হয়। কিন্তু পরিস্থিতি উত্তপ্তই থাকে। আইএসপিআর থেকে বলা হয়, পুলিশের নির্মমতার এটাই শেষ ঘটনা, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সেনা-পুলিশ যৌথ টহল হবে।
রামু সেনানিবাসে বিদ্রোহের খবর অন্যান্য ক্যান্টনমেন্টে পৌঁছালে প্রতিটায় সেনা ও অফিসারদের মধ্যে উত্তজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়ভাবে প্রতিটি ক্যান্টনমেন্টে দরবার অনুষ্ঠিত হয়, সেখানে ট্রুপরা মেজর সিনহা রাশেদ হত্যার বিচার নিয়ে পয়েন্ট দিতে থাকে। সৈনিক থেকে অফিসার সবার এক কথা- মেজর রাশেদ হত্যার দৃষ্টান্তমূলক চরম শাস্তি না হলে সেনাবাহিনী নিজেরাই ব্যবস্থা নিবে। প্রতিটি এরিয়া থেকে অফিসার ও জওয়ানদের মনোভাব এবং অবস্থা সেনাপ্রধানকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে।
এখন পরবর্তী ৭দিন দেখার পালা- কী হয়। এরই মাঝে সরকারের পক্ষ থেকে সিনিয়র মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের অবশ্য ফোঁড়ন কেটেছেন, মেজর রাশেদ হত্যাকে পুঁজি করে সরকার পতনের চেষ্টা করছে কেউ কেউ! কিন্তু এ হত্যার উপযুক্ত বিচার না হলে সেনাদের বিচার যে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, তা বোধ হয় তারা কেনো, কেউই জানে না!
উল্লেখ্য, কুখ্যাত ইয়াবা সম্রাট বদির সিন্ডিকেটের প্রধান ব্যক্তি হলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ইয়াবা সিন্ডিকেটের বিষয়ে বিশদ তদন্ত করলে ওবায়দুল কাদেরের নাম আসবে।

ভাবার্থ – বাঘ পোষ মানা হলেও তার লেজ দিয়ে কখনও কান চুলকাতে যাবেন না।

হায়রে আমার দেশ!

সাবধানে চলাফেরা করিস বোন ! এই দেশটা জানোয়ারে ভরে গেছে ।
ব্লেড দিয়ে যখন আমার যৌনিপথ বড় করা হচ্ছিল, তখন আমি আল্লাহ কে ডাকছিলাম। (৪ বছরের ধর্ষিতা মেয়েটি) ।
~আমার স্বামী ছেলেকে দরজার সাথে বেধেঁ ওদের সামনে আমায় ধর্ষন করলো। (ধর্ষিত নারী রহিমা)।
~ভালোবাসার মানুষটাকে বিশ্বাস করে তার সাথে ঘুরতে গেছিলাম, সে তার বন্ধুদের নিয়ে গনধর্ষন করলো আমায়।(কলেজের ধর্ষিতা মেয়ে তানিয়া)।
~খুব গরিব ছিলাম তাই মাইনষের বাড়ি কাজ করতাম, একদিন মালিকের বউ বাড়িতে ছিলো না, আমি ঘড় মুছতাছিলাম তখন মালিক আইসা দরজা বন্ধ কইরা আমারে ইচ্ছা মতো ধর্ষন করলো। (ধর্ষিতা কাজের বুয়া আছমা বেগম)।
~নিজের জন্মদাতা পিতা নেশাগ্রস্ত অবস্হায় বাসায় এসে ধর্ষন করলো আমায়। (অভাগী ধর্ষিতা মেয়ে মিতু, ধানমন্ডি)।
~কলেজে যাওয়ার সময় বখাটে ছেলেরা ডিস্টার্ব করে তাই থানায় ডাইরি করতে গেছিলাম আমি আর আমার ছোট ভাই,,, ভাইরে দুকানে যাইতে বইললা, আমাকে পিস্তলের ভয় দেখাইয়া ধর্ষন করলে আমায় কামাল গাও মডেল থানার ওছি। ( ধর্ষিতা মেয়ে টুম্পা)।
~আমায় বিয়ে করার লোভ দেখিয়ে বন্ধুর বাড়িতে নিয়ে গিয়ে জোর করে ধর্ষন করলো তারপর আমার গলা কেটে বস্তায় করে নদিতে ফেলে দিলো। (ধর্ষিতো মেয়ে মেঘলা)
~সারাদিন কাজ করে বাসায় ফিরার পথে ছোট ছেলের জন্য বিস্কুট কিনে বাসে উঠছিলাম, যে যার মতো নেমে গেছে, বাস যখন খালি তখন মাঝ রাস্তায় বাস থামিয়ে সেই বাসেই আমায় ধর্ষন করলো বাস চালক। (গার্রমেন্টসের ধর্ষিতা আয়শা)।
~প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় আমাকে আর আমার মাকে এক বিছানায় ধর্ষন করলো এলাকার বখাটে। (ধর্ষিতা মেয়ে নুসরাত )
~বাবা মার স্বপ্ন ছিলো আমি ডাক্তার হবো, তাই খুব মন দিয়ে পড়াশোনা করতাম কোচিং করতে স্যারের বাসায় গেছিলাম স্যার পাশের রুমে ডেকে নিয়ে আমার হাত পা বেঁধে ধর্ষন করলো। (ধর্ষিতা ছাত্রী)
~সবাই বলতো মেয়েদের পোশাক নাকি ধর্ষনের মূল কারণ তাই ইসলামী বোরকা হাতে পায়ে মুজা পড়তাম, বিশ্বাস করেন আমার চোখগুলা ছাড়া আমার শরীলের কিছুই দেখা যেতো না, তবুও খালি রাস্তায় একা পেয়ে কিছু জানোয়ার আমাকে গনধর্ষন করলো। ( ধর্ষিতা মেয়ে খাদিজা নুর)
~করোনা ভাইরাস এর জন্য,,, ঘড়ে খাদ্য নেই বলে ত্রাণ আনতে গিয়ে ৪ বছরের ধর্ষিত শিশু।
লক্ষ্মীপুরে ক্যান্সারে মৃত স্বামীর লাশ আনতে স্ত্রী গিয়েছিলো ঢাকাতে।
এদিকে বাড়িতে রেখে যাওয়া ৯ম শ্রেণীর কন্যা
হিরা মণিকে দিনের আলোতে ধর্ষণ করে মেরে ফেলেছে জানোয়ারের
দল।

আমিলজ্জিত কারণ আমি বাংলাদেশি

করোনায় ৪৬ জন না ভাই,
এ জাতির প্রতিদিন ৪৬ হাজার করে মরা উচিত।
‌সাব্বাস বাংলাদেশ সাব্বাস,,,
আরো এমন হাজারো ধর্ষিতার অভিযোগ লুকিয়ে আছে ধর্ষিতো লাশটির মাঝে। নারী হয়ে জন্ম নেওয়াটা কি পাপ?
স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, গার্মেন্টস, রাস্তা,, এলাকা এমন কি নিজ বাসায়ও মেয়েরা নিরাপদ নয়।
প্রতিবাদের ভাষা হাড়িয়ে ফেলছি,,, কাকে কি বলবো, এরা মানুষের ক্রন্দন বুঝে না। আজ গানটা ভিষণ মনে পড়ে গেলো……
কতোটুকু অশ্রু গড়ালে হ্নদয় দলে সিক্ত, কতো প্রদিপ শিখা জ্বালালেই জীবন আলোই দিপ্ত।
কতো ব্যাথা বুকে ছাপালেই, তাকে বলি আমি ধৈর্য,

আমার লেখালেখির প্লাটফর্ম পরিবর্তন

প্রিয় পাঠক/ পাঠিকা বৃন্দ ,

আমি অনেক দিন যাবত আমার অনলাইন ব্লগে লেখালেখি করি। বেশীর ভাগ সময়ে আমি রাজনীতি নিয়ে লিখতে পছন্দ করি। আপনাদের উৎসাহ ও অনুপ্রেরণায় আমি আরও বেশী লেখালেখি করতে চাই। আর এজন্যই সময় উপযোগী প্লাটফর্মকে আমি বেছে নিতে চাই। আপনারা সবাই অবগত আছেন যে বর্তমান সময়ে ফেসবুক একটি জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া এবং বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষেরা এখন ফেসবুক ব্যবহার করে। আমি আমার মতামত, রাজনীতি নিয়ে বিশ্লেষণ এবং মানবধীকার নিয়ে আমার লেখালেখি আরও বেশি মানুষের কাছে পৌছিয়ে দিতে চাই। আমি চাই আমার দেশের মানুষ তাঁদের মৌলিক অধিকারগুলো ফিরে পাক এবং আওয়ামী নামক শাসকের কবল থেকে সবাই মুক্তি পাক।

আর এজন্যই আমি খুবই কম লেখালেখি করবো আমার এই ব্লগে। আজকের পর থেকে আমি আমার ফেসবুক পেজ এ নিয়মিত লেখালেখি করবো। আপনাদের সবার প্রতি আমার অনুরোধ আপনারা আমার ফেসবুক এ ফলো করুন।

আমার ফেসবুক পেজ এর নাম ঃ Md Sabbir Hossain

link: https://www.facebook.com/mdsabbirhossain.bangladesh

লীগের সাথে চীনের আঁতাত

যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান থেকে সরে যাচ্ছে। আফগানিস্তানের ভবিষ্যত নিয়ে বৈঠক করেছে পাকিস্তান আর তুরষ্ক। আফগানিস্তানে ভারতের একটা বড় স্টেক তৈরী হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতায়। যুক্তরাষ্ট্র চলে গেলে ভারত সেখানে বড় ধরণের বিপদে পড়বে। সোজা হিসাব: ভারত পুরো দক্ষিণ এশিয়ায় একঘরে হয়ে যাবে।

এই জটিল হিসাবে বাংলাদেশের অবস্থান কোথায়?

আপনারা কিছুদিন আগেই সাউথ এশিয়ান মনিটর এর নির্বাহী সম্পাদক চন্দন নন্দী’র টুইট থেকে জেনেছিলেন যে, বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনের ভোট ডাকাতির পরিকল্পনার সাথে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা সরাসরি জড়িত থাকার পরও ঢাকায় ‘র’ এর প্রধান শশী ভূষণ সিং তমার আওয়ামী লীগের এত বেশি আসন পাওয়ায় হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলেন।

ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ঘুনাক্ষরেও কল্পনা করতে পারেনি যে, আওয়ামী লীগ ভোট ডাকাতির জন্য চীনের সহযোগিতাও নিয়েছিল। আওয়ামী লীগের রাজনীতি এখন অনেকটাই চীনমুখী। খুব শীঘ্রই আওয়ামী লীগের রাজনীতি পাকিস্তানমুখীও হবে। কারণ, পাকিস্তান হচ্ছে চীনের ইসরায়েল।

কুত্তালীগের দল

যা ভেবেছিলাম তাই হচ্ছে। এই কুত্তালীগের দল কখনোই মানুষদের ভোট দিতে দিবে না। কুত্তালীগের দলবল তো আছেই তার উপর পুলিশ নিজেই আবার নৌকায় ছিল মারছে। কি এক করুন দৃশ্য। দেশের মানুষ আজ জিম্মি কুত্তালীগ নামক একদল বিকৃত মস্তিষ্কের কাছে।

এটাই যদি করার ইচ্ছা ছিল তাহলে এত নাটকের কি দরকার ছিল? নিজেই তো আবার নতুন করে শপথ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসতে পারতেন। মাঝখানে শুধু শুধু আমার ভাইদের লাশ দেখতে হতো না।

সব কিছুরই শেষ আছে তোদেরও হবে হায়নার দল। তৈরি হয়ে নে সময় কিন্তু আর বেশী পাবি না। প্রত্যেকটি লাশের বিচার নিখুঁতভাবে করা হবে। তখন কেঁদে কেঁদে আকুল হবি কিন্তু কোনো লাভ হবে না।

#######নতুন স্বদেশ গড়ার প্রত্যয়ে########

খুনি-সন্ত্রাসীদের সাথে পুলিশ-র‌্যাব নৌকার হয়ে কাজ করছে

খুলনা-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য প্রার্থী ও মহানগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু শনিবার দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিং-এ ২৪ ঘণ্টায় ৪৬ বিএনপি নেতা-কর্মীর গ্রেফতার এবং নগরীতে ভয়ংকর খুনি ও সন্ত্রাসীদের জড়ো করে ত্রাসের পরিবেশ সৃষ্টি করে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের মডেলের নির্বাচন আয়োজনের ব্যবস্থা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন। তিনি খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের প্রত্যাহারের পর অবিলম্বে নিরপেক্ষ নতুন কমিশনার পোস্টিং দিয়ে পুলিশ বিভাগকে ঢেলে সাজিয়ে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির দাবি জানান।

একই প্রেস ব্রিফিং-এ খুলনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল তার নির্বাচনী এলাকায় পুলিশ ও আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীরা মিলে যে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে তার বর্ণনা দিয়ে বলেন, আমরা মানুষকে একবার ডাক দেব এবং এর শেষ দেখে ছাড়ব।

ব্রিফিং কালে নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, আমরা সর্বত্র আওয়ামী লীগের গত দশ বছরের প্রতিহিংসার রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ দেখতে পাচ্ছি। নগরীতে বিএনপি কর্মীদের ওপর হামলা, গণগ্রেফতার, হুমকি,পোস্টার ছেড়া মিলিয়ে এক ভয়ানক পরিবেশের সৃষ্টি করা হয়েছে। এটা কোন ভোট নয়। যেন শেখ হাসিনাকে পুনঃ নির্বাচিত করার নাটক চলছে।

রকিবুল ইসলাম বকুল ব্রিফিং-এ বলেন, আমরা সংবাদ সম্মেলন করার পরে এলাকায় নির্যাতন আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। আজ আমি এখানে আসব বলে, পুলিশ পোশাকে ও সিভিল ড্রেসে আমার বাড়ি ঘেরাও করে রেখেছে। তিনি বলেন, গতকাল সকাল থেকে শনিবার দুপুর পর্যন্ত ৪৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সেখানে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা এক হয়ে গেছে। কাউন্সিলর কাউটের নেতৃত্বে বিএনপির লোকদের ওপর ব্যাপক হামলা ও নিপীড়ন চলছে। তিনি বলেন, গতকাল পুলিশ ধানের শীষের সক্রিয় মহিলা কর্মী বিধবা সালমা বেগমকে গ্রেফতার করে। এখন তার দুইটি দুধের শিশুর কান্নায় আকাশ বাতাস ভারী হচ্ছে। রাতে খালিশপুর বাজার সমিতির অসুস্থ নেতা খোদাবক্স কোরায়শীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অথচ তার নামে কোন মামলা নেই। যখন আমরা প্রেস ব্রিফিং করছি তখন যোগীপোলের মীর কায়সেদ আলীর বাড়ির সামনে থেকে ১৩ জনকে পুলিশ আটক করে নিয়ে গেছে বলে তিনি জানান।

 

সৌজন্যঃ ইনকিলাব

নির্লজ্জ সাংবাদিক

যেসব সাংবাদিকেরা বিএনপি-ঐক্যফ্রন্টের আন্দোলন করার সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন করেন, তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরসঙ্গীর তালিকা থেকে বাদ পড়ার ভয়ে তাদের নিজেদের পত্রিকা/চ্যানেলে নির্বাচনের ভোট ডাকাতি দেখাতে পারে না।

রাস্তায় টোকাইরা কুকুরের সাথে যেমন আচরণ করে, আওয়ামী লীগের হাতে তার চেয়েও খারাপ আচরণের শিকার হওয়া তাদের নিজেদের সহকর্মী সাংবাদিকদের পক্ষ নিয়ে প্রতিবাদ করতে পারে না।

গোলাম আযমের নাগরিকত্ব ফেরত চেয়ে বিবৃতি দেয়া সাংবাদিককে নিজেদের নেতা বানিয়ে তারা বিএনপিকে জিজ্ঞেস করে- জামাত ছাড়েন না কেন?

ঢালাও সরকারি বিজ্ঞাপন, সরকারি সুবিধা পেয়ে কোটি কোটি টাকার ব্যবসা করা পত্রিকার সম্পাদক নিজের কর্মীদের বেতন বছরের পর বছর বাকি রেখে বিএনপিকে সবক দেয় দুর্নীতি-অনিয়ম নিয়ে।

ঘরে-বাইরে নিজেদের সহকর্মীকে মেরে লাশ বানিয়ে গেলেও তারা টুঁ শব্দটা করে না, আর মানুষ জিজ্ঞেস করলে প্রায় ২০ বছর আগে কোন সাংবাদিককে কে মারছিল সেই ছবি দেখায়।

আমেরিকার ফক্স নিউজের উচিৎ তাদের নবীন সাংবাদিকদের এক বছরের জন্য বাংলাদেশের সাংবাদিকদের অধীনে ট্রেনিং-এর ব্যবস্থা করা। এমন নির্লজ্জ, নির্বোধ সাংবাদিক সমাজ পৃথিবীর কোথাও আছে কিনা সন্দেহ

নিরপেক্ষ নির্বাচন

কোন দাবী আদায় ব্যতিরেকেই এই অসম নির্বাচনী লড়াইয়ে নেমে পড়ে বিএনপি যে ‘অপ্রত্যাশিত’ ঘটনা ঘটিয়েছে, ভোটযুদ্ধে ‘প্রত্যাশিত’ ফল নিয়ে আসার ব্যাপারে কোন সংশয় রাখেনি তাতে।

হাসিনার সমর্থনে ভুয়া জরিপ

“শেখ হাসিনার উপর দেশের ৬৬ ভাগ মানুষের আস্থা আছে” !!!

মানুষের যখন নৈতিকতার বালাই থাকে না তখন আচরণে পাহাড়সমান নির্লজ্জ হইতেও তাদের বাঁধে না। কোটা আর নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের পর জনপ্রিয়তার তলানিতে চলে যাওয়া আওয়ামী লীগের দশা হইছে ঠিক এইরকম। এখন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবহার করছে নিজেদের মিথ্যাচারে।

আজকে সকালে একটা নিউজ ভাইরাল হলঃ শেখ হাসিনার উপর দেশের ৬৬ ভাগ লোকের আস্থা আছে। প্রথম আলো সহ বড় বড় নিউজে এটা ছাপা হইছে। বাসসের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, ” প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি শতকরা ৬৬ ভাগ মানুষ সমর্থন প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি ৬৪ শতাংশ নাগরিক আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। ওয়াশিংটনভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) পরিচালিত এক জরিপের ফলাফলে এ কথা বলা হয়। এ বছরের ১০ এপ্রিল থেকে ২১ মের মধ্যে এই জরিপ পরিচালিত হয়।” আরো বলা হয় এই রেজাল্ট নাকি এ বছরের ৩০ শে আগস্ট পাব্লিশড হয়েছে!

খেয়াল করুন! বলা হয়েছে এ বছর! মানে ২০১৮ সাল। পরপরই গুগল সার্চ দিলাম। IRI Surveys about bangladesh. সেখান থেকে তাদের Bangladesh পেইজে ডিরেক্ট করলো।

পেইজ লিঙ্কঃ https://www.iri.org/country/bangladesh

এই পেইজে ২০১৮ সালে এরকম কোন জরিপের নামগন্ধও নেই! কিন্তু ২০১৭ সালের ৩০ শে আগস্টের একটা রিপোর্ট এখানে দেখাচ্ছে, যেইটার কথা আজকের সবগুলো পেপার “২০১৮”এর বলে চালিয়ে দিচ্ছে !!!! রিপোর্ট লিঙ্কঃ https://www.iri.org/…/new-poll-bangladeshis-optimistic-futu…

তবে আমার মনে হয় না এইসব নিউজ পত্রিকাগুলো ইচ্ছে করে ছাপিয়েছে,তাদেরকে বাধ্য করা হয়েছে। বাসসের মতন প্রতিষ্ঠান যখন এরকম সুপ্রিম লেভেলের তথ্য জালিয়াতি করে এবং একই সাথে সরকারী চাপে প্রতিটা পত্রিকা আওয়ামী লীগের অসৎ উদ্দেশ্যের বলি হয়েছে। মাথায় খুব বেশি বুদ্ধি খেলানোর দরকার নেই কেন আওয়ামী লীগ সরকার এই কাজগুলো করছে, উদ্দেশ্য একটাই! নিজেদের অধোঃপতিত ইমেজ আবার ঘষেমেজে সাফসুতরো করা! পুরনো রিপোর্টকে নতুন বলে চালিয়ে দিয়ে আওয়ামী লীগ শুধু নিজেদের জাত চেনাচ্ছে! এই মুখে যেন অন্তত আর কোনদিন অন্য দলকে মিথ্যাচার কিংবা গুজবের ট্যাগ না লাগায়! অসততা যে আওয়ামী লীগকে আগাগোড়াই গ্রাস করেছে এটা কেবল তারই প্রমাণ!

ছবি ১ঃ প্রথমআলোর রিপোর্টে বাসদের উদ্ধৃতি!
ছবি ২ঃ আইআরআইয়ের সেই রিপোর্টের তারিখ যেটাতেই মূল জালিয়াতি করা হয়েছে!

আওয়ামী লীগের এই ধরনের নোংরা তথ্য জালিয়াতি মিডিয়া না ধরতে পারলেও আপনি ধরিয়ে দিন! কারণ মিথ্যাচারের শিকড় ছোট থাকতেই কেটে দেয়া জরুরি!!

 

ওসিই মাহমুদুর রহমানকে সন্ত্রাসীদের হাতে তুলে দেন : মির্জা ফখরুল

ওসিই মাহমুদুর রহমানকে সন্ত্রাসীদের হাতে তুলে দেন : মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পুলিশের সহায়তায় কুস্টিয়ার আদালত প্রাঙ্গণে আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের ওপর ছাত্রলীগ হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করে বলেছেন, মাহমুদুর রহমান হামলার কথা বুঝতে পেরে কোর্টে অবস্থান নেন। পরে কোর্টের ওসির কথায় তিনি আদালত থেকে বের হয়ে আসেন। কোর্টের ওসি জোর করে মাহমুদুর রহমানকে বের করে সন্ত্রাসীদের হাতে তুলে দেন।
তিনি বলেন, মাহমুদুর রহমান হামলার পর সেখানে চিকিৎসা নেয়ার সুযোগও পাননি। কিন্তু সরকারের উচিত ছিল তাকে পুলিশের সহযোগিতায় চিকিৎসা দিয়ে ঢাকায় আসার ব্যবস্থা করে দেয়া। সরকার সেটি করেনি। এ হামলার ঘটনায় ধিক্কার জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা দ্রুত হামলাকারীদের চিহ্নিত করে বিচার বিভাগীয় তদন্ত করার দাবি জানাচ্ছি। হামলার মাধ্যমে আবারও প্রমাণ হলো দেশের প্রতিটি সেক্টর সরকার নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। একমাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে এ সরকারের পতন ঘটিয়ে গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে হবে। না হলে শুধু মাহমুদুর রহমান নয়, কোনো নাগরিক আদালত বা কোথাও নিরাপদে থাকবে না।
আজ রবিবার সন্ধ্যায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ফখরুল এসব কথা বলেন। এসময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, ড. আব্দুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম-মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দীন খোকন, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, ফজলুল হক মিলন, শ্যামা ওবায়েদ, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন এ্যানী, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়া, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ফখরুল বলেন, মাহমুদুর রহমান হামলার আশঙ্কা বুঝতে পারার পর তিনি আদালতের কাছে নিরাপত্তা চাইলে আদালত থানার ওসিকে ডাকেন। আদালতের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও পুলিশ মাহমুদুর রহমানকে নিরাপত্তা দিতে এগিয়ে আসেনি। এমনকি উচ্চ পর্যায়ের সহযোগিতা চাওয়ার পরও তাকে সহযোগিতা করা হয়নি। মাহমুদুর রহমান আদালতে যাওয়ার পর সন্ত্রাসীরা অস্ত্র নিয়ে এলাকা ঘিরে রাখে। মাহমুদুর রহমান কোর্টের ওসির কথায় আদালত থেকে বের হওয়ার পর চারদিক থেকে তার ওপর হামলা করা হয়। ফলে তার মাথা ও গালে আঘাত লাগে, তিনি রক্তাক্ত হন। একজন জনপ্রিয় সম্পাদকের ওপর এভাবে নৃশংস হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। একই সঙ্গে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি।
উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রধানমন্ত্রীর ভাগনি টিউলিপ সিদ্দিক সম্পর্কে মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে কুষ্টিয়ায় মামলা হয়। ওই মামলায় জামিন পেতে কুষ্টিয়া আদালতে গিয়েছিলেন তিনি। সেই মামলায় আদালত আজ তাকে জামিন দিয়েছেন।