সাবধানে চলাফেরা করিস বোন ! এই দেশটা জানোয়ারে ভরে গেছে ।
ব্লেড দিয়ে যখন আমার যৌনিপথ বড় করা হচ্ছিল, তখন আমি আল্লাহ কে ডাকছিলাম। (৪ বছরের ধর্ষিতা মেয়েটি) ।
~আমার স্বামী ছেলেকে দরজার সাথে বেধেঁ ওদের সামনে আমায় ধর্ষন করলো। (ধর্ষিত নারী রহিমা)।
~ভালোবাসার মানুষটাকে বিশ্বাস করে তার সাথে ঘুরতে গেছিলাম, সে তার বন্ধুদের নিয়ে গনধর্ষন করলো আমায়।(কলেজের ধর্ষিতা মেয়ে তানিয়া)।
~খুব গরিব ছিলাম তাই মাইনষের বাড়ি কাজ করতাম, একদিন মালিকের বউ বাড়িতে ছিলো না, আমি ঘড় মুছতাছিলাম তখন মালিক আইসা দরজা বন্ধ কইরা আমারে ইচ্ছা মতো ধর্ষন করলো। (ধর্ষিতা কাজের বুয়া আছমা বেগম)।
~নিজের জন্মদাতা পিতা নেশাগ্রস্ত অবস্হায় বাসায় এসে ধর্ষন করলো আমায়। (অভাগী ধর্ষিতা মেয়ে মিতু, ধানমন্ডি)।
~কলেজে যাওয়ার সময় বখাটে ছেলেরা ডিস্টার্ব করে তাই থানায় ডাইরি করতে গেছিলাম আমি আর আমার ছোট ভাই,,, ভাইরে দুকানে যাইতে বইললা, আমাকে পিস্তলের ভয় দেখাইয়া ধর্ষন করলে আমায় কামাল গাও মডেল থানার ওছি। ( ধর্ষিতা মেয়ে টুম্পা)।
~আমায় বিয়ে করার লোভ দেখিয়ে বন্ধুর বাড়িতে নিয়ে গিয়ে জোর করে ধর্ষন করলো তারপর আমার গলা কেটে বস্তায় করে নদিতে ফেলে দিলো। (ধর্ষিতো মেয়ে মেঘলা)
~সারাদিন কাজ করে বাসায় ফিরার পথে ছোট ছেলের জন্য বিস্কুট কিনে বাসে উঠছিলাম, যে যার মতো নেমে গেছে, বাস যখন খালি তখন মাঝ রাস্তায় বাস থামিয়ে সেই বাসেই আমায় ধর্ষন করলো বাস চালক। (গার্রমেন্টসের ধর্ষিতা আয়শা)।
~প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় আমাকে আর আমার মাকে এক বিছানায় ধর্ষন করলো এলাকার বখাটে। (ধর্ষিতা মেয়ে নুসরাত )
~বাবা মার স্বপ্ন ছিলো আমি ডাক্তার হবো, তাই খুব মন দিয়ে পড়াশোনা করতাম কোচিং করতে স্যারের বাসায় গেছিলাম স্যার পাশের রুমে ডেকে নিয়ে আমার হাত পা বেঁধে ধর্ষন করলো। (ধর্ষিতা ছাত্রী)
~সবাই বলতো মেয়েদের পোশাক নাকি ধর্ষনের মূল কারণ তাই ইসলামী বোরকা হাতে পায়ে মুজা পড়তাম, বিশ্বাস করেন আমার চোখগুলা ছাড়া আমার শরীলের কিছুই দেখা যেতো না, তবুও খালি রাস্তায় একা পেয়ে কিছু জানোয়ার আমাকে গনধর্ষন করলো। ( ধর্ষিতা মেয়ে খাদিজা নুর)
~করোনা ভাইরাস এর জন্য,,, ঘড়ে খাদ্য নেই বলে ত্রাণ আনতে গিয়ে ৪ বছরের ধর্ষিত শিশু।
লক্ষ্মীপুরে ক্যান্সারে মৃত স্বামীর লাশ আনতে স্ত্রী গিয়েছিলো ঢাকাতে।
এদিকে বাড়িতে রেখে যাওয়া ৯ম শ্রেণীর কন্যা
হিরা মণিকে দিনের আলোতে ধর্ষণ করে মেরে ফেলেছে জানোয়ারের
দল।
আমিলজ্জিত কারণ আমি বাংলাদেশি
করোনায় ৪৬ জন না ভাই,
এ জাতির প্রতিদিন ৪৬ হাজার করে মরা উচিত।
সাব্বাস বাংলাদেশ সাব্বাস,,,
আরো এমন হাজারো ধর্ষিতার অভিযোগ লুকিয়ে আছে ধর্ষিতো লাশটির মাঝে। নারী হয়ে জন্ম নেওয়াটা কি পাপ?
স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, গার্মেন্টস, রাস্তা,, এলাকা এমন কি নিজ বাসায়ও মেয়েরা নিরাপদ নয়।
প্রতিবাদের ভাষা হাড়িয়ে ফেলছি,,, কাকে কি বলবো, এরা মানুষের ক্রন্দন বুঝে না। আজ গানটা ভিষণ মনে পড়ে গেলো……
কতোটুকু অশ্রু গড়ালে হ্নদয় দলে সিক্ত, কতো প্রদিপ শিখা জ্বালালেই জীবন আলোই দিপ্ত।
কতো ব্যাথা বুকে ছাপালেই, তাকে বলি আমি ধৈর্য,

