ধর্মের অপব্যাখ্যা: উগ্রবাদের বিপদ

বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে উগ্রবাদ একটি গভীর উদ্বেগের বিষয়, যা শুধু নিরাপত্তা নয়, সমাজের মূল্যবোধ ও সহাবস্থানের জন্যও হুমকি। কিছু উগ্রবাদী দল ধর্মের অপব্যাখ্যা করে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে, এমনকি “জান্নাতের টিকিট” বিক্রির মতো ভ্রান্ত ধারণা ছড়িয়ে সাধারণ মানুষের বিশ্বাসকে কাজে লাগাচ্ছে। এই ধরনের প্রতারণা শুধু ধর্মের অপমানই নয়, বরং সরলমনা মানুষদের বিপথে ঠেলে দিচ্ছে।

এছাড়া, নির্বাচনকে ঘিরেও নানা বিতর্ক ও অভিযোগ সামনে আসে—কখনো কম ভোটার উপস্থিতি, কখনো অনিয়ম বা প্রতারণার অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এই ধরনের পরিস্থিতি জনগণের আস্থা দুর্বল করে এবং উগ্র গোষ্ঠীগুলোর জন্য বিভ্রান্তি ছড়ানোর সুযোগ তৈরি করে। তবে এসব বিষয় নিয়ে দায়িত্বশীলভাবে কথা বলা এবং যাচাই করা তথ্যের ভিত্তিতে মত প্রকাশ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

উগ্রবাদ কখনোই কোনো সমস্যার সমাধান হতে পারে না; এটি কেবল ধ্বংস, বিভাজন ও ভয় সৃষ্টি করে। তাই আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে—ধর্মীয় মূল্যবোধকে সঠিকভাবে বুঝতে হবে, গুজব ও প্রোপাগান্ডা থেকে দূরে থাকতে হবে, এবং যুক্তিবাদী চিন্তা চর্চা করতে হবে। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজ একসাথে কাজ করলে তরুণ প্রজন্মকে এই বিভ্রান্তি থেকে রক্ষা করা সম্ভব। শান্তি, সহনশীলতা ও মানবিকতাই হোক আমাদের পথচলার মূল শক্তি।

স্বাধীন বাংলাদেশ আমার

কোঠা আন্দোলনের সাপোর্ট এ ছিলাম সেই ২০১৮ সাল থেকে এবং এই ২০২৪ সালে এসেও পরামর্শ এবং সাপোর্ট দিয়ে যাচ্ছি মনেপ্রাণে। আজ আমার দেশ আওয়ামী নামক জানোয়ারদের থেকে মুক্ত। আজ আমরা বিজয় উল্লাস করবো। বিজয় আমাদের পক্ষেই ছিলো।

কিন্তু গত কয়েকদিন যাবত আমাদের এই শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের পথ পরিবর্তন হতে থাকে যেটা আমাকে অনেক ভাবিয়ে তুলেছে। আমি সব সময় অন্যায়ের বিরূদ্ধে কথা বলি এবং আমার শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে তা আমি করে যাবো । এটাই আমার নীতি। আমি এই নীতিতেই বিশ্বাসী।

বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় যেসব প্রতিষ্ঠান এ আগুন দেয়া হয়েছে আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি ।ঘটনা কে ঘটিয়েছে এটা বড় কথা নয় যদি অন্য কেউ করে থাকে সেও শাস্তি প্রাপ্য ।কিন্তু যদি ছাত্ররা সত্যিই জড়িত থাকে তাহলে তাদেরকেও শাস্তি পেতে হবে ।এটা কোন রাজনৈতিকসহিংস আন্দোলন নয় ।আমি আওমীলীগের পতন বরাবরই চেয়েছি কিন্তু আমার দেশের এক ইঞ্চি ক্ষতি সাধন করে নয় ।হাসপাতাল ,মেট্রোরেল ,শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ,ধর্মীয় উপাসনালয় ,সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর ভাংচুর আগুন দিয়ে ধংসাত্মক কার্যকলাপ আমি কোনো ভাবেই সমর্থন করি না ।এটা আমার নীতির বাহিরে ।আমাকে অবশ্যই ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নিতে হবে ।
আমার কলম সব সময় অন্যায়ের বিরূদ্ধে তড়িৎ গতিতে চলে ।আজকের পর থেকে কোনো প্রকার সহিংস আচরন যেন ছাত্রদের বা সাধারন জনগণের পক্ষ থেকে না হয় ।এটাকে তোমরা অনুরোধ ভাবতে পারো আবার আদেশ ও ভাবতে পারো ।যা হবার তা হয়েছে এর বাইরে যেনো দেশের বিন্দুমাত্র ক্ষতিসাধন না হয় ।যদি হয় আমি তোমাদের বিপক্ষে অবস্থান নিবো ।

মনে রেখো,তোমাদের যখন আন্দোলন বা কোটা নিয়ে ধারণা ছিলো না ২০১৭-২০১৮ সাল তখন থেকেই আমি সক্রিয় ভাবে কোটা সংস্কারের পক্ষ নিয়ে আমি আন্দোলন করেছি ।

অতএব আমাকে সঠিক এবং বেঠিক কেউ হুমকি ধামকির মাধ্যমে শেখাতে এসো না । তাহলে এর জবাব ও কঠিন হবে ।

নতুন স্বদেশ গড়ার প্রত্যয়ে

(BILINGUAL)

চুয়াডাঙ্গায় সহকারী পুলিশ সুপার আবু রাসেলের গাড়িতে বোমা হামলাকারী গুলিবিদ্ধ যুবকের পরিচয় পাওয়া গেছে; তার নাম খালিদুজ্জামান টিটু, সে সরকারী দল আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের একজন কর্মী।

রোববার রাতে চুয়াডাঙ্গা-জীবননগর সড়কের দর্শনা ফিলিং স্টেশনের সামনে পুলিসের গাড়িতে বোমা হামলা চালিয়ে পালানোর সময় পুলিশের গুলিতে আহত হন তিনি। এ সময় তাকে আটক করে পুলিশ।

ঠিক তিনদিন আগে, নির্বাচন সামনে রেখে পুলিশকে মানসিকভাবে দুর্বল করে দেয়ার জন্য এই বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হত্যার চক্রান্ত হচ্ছে বলে দাবি করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তিনি আভাস দেন বিরোধী দল এই হামলাগুলো পরিচালনা করতে পারে।

আওয়ামী লীগের গুণ্ডাদের পুলিসের আস্কারা দেয়া, পুলিসের সামনে হামলা করলেও তাদের গ্রেপ্তার না করা, তাদের পুলিসের সাথে থেকেই বিরোধীদের উপরে হামলা পরিচালনা করার অসংখ্য প্রমাণ আমরা দেখেছি। তাই ছাত্রলীগের বা আওয়ামী লীগের পুলিসের উপরে আক্রোশ থাকার কোন কারণ নেই।

আমাদের এটা বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারন আছে পুলিসের উপরে ছাত্রলীগ পরিচালিত আক্রমণ বিরোধী দলের উপরে দায় চাপিয়ে দেয়ার একটা ষড়যন্ত্র। আমি নিশ্চিত টিটু ধরা না পড়লে এই আক্রমণের দায় জামাত বিএনপির উপরে চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হতো।

অবশ্য এখন হয়তো প্রমাণ করার চেষ্টা করা হবে ধৃত যুবক পুলিশের উপরে হামলায় আদৌ যুক্তই ছিলো না।

আশা করি এই ঘটনা থেকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বুঝতে পারবেন বাংলাদেশে আসলে কী ঘটছে, সরকার কিভাবে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

কেন আমি আওয়ামী লীগের পতন চাই। মিথ্যা উন্নয়ন। ২।

রাষ্ট্র একটা প্রতিষ্ঠান। আমি আপনি রাষ্ট্র না। এই প্রতিষ্ঠানটা রাষ্ট্র। এই প্রতিষ্ঠানটার কোন গড গিভেন প্রফেসি নাই যে একশত কোটি টাকার খরচ, দশ গুন বেশী ১ হাজার কোটি টাকায় করে, সেই টাকা বিদেশে পাচার করার যে চর্চা বিগত ১০ বছরে করা হয়েছে এবং প্রশাসনের সব চেয়ে অযোগ্য লোকদেরএক প্রমোট করে সকল প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা যেভাবে ধ্বংস করা হয়েছে তারপরেও এই রাষ্ট্র অটোমেটিক আগাইতে থাকবে।

বাংলাদেশের উন্নয়নের মিথ্যা ডাটার বুজরুকির কথা বললে অনেকে বলেন,আরে ধুর বললেই হইলো নাকি ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্ক আইএমএফ এই গুলো চেক করে। এতো সোজা না।

যারা এই কথা বলে, তাদের কোন আইডিয়া নাই ওয়ার্ল্ড ব্যাংক এবং আইএমঅফ সরকারের দেয়া ডাটা এনালিসিস করে, তারা ফিল্ড লেভেলে তথ্য সংগ্রহ করে না।

এবং ওরা আরো জানেনা,
ফলস একাউন্টিং দিয়ে এনরন বছরের পর বছর শেয়ার মার্কেটের লক্ষ লক্ষ কনশাস বিনিয়োগকারি আর রেগুলেটরি অথরিটি ডিউপ করছে, যাদেরকে নিজের সিদ্ধান্তের জবাবদিহি করতে হয়।পরে মার্কিন কোম্পানি এনরনের যখন পতন হয়েছে, পুরো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ফাইনান্সিয়াল ক্রাইসিসে পতিত হয়েছে।

আর ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্ক বা আই এম এফ যদি বলে উন্নয়ন হইতেছে তাহলে হইতেছেই এমন প্রফেসি আপনি দাবী করতে পারবেন না । তাদের লোকাল কর্মকর্তাদের ইন্টেরেসট আছে বাংলাদেশের ডেভেলপমেট স্টোরিকে চলমান দেখানো। এই স্টোরিটা চালু রাখা বিভিন্ন ভাবে তাদের অনেকের নিজস্ব বোনাস এবং ভাতার সাথে সংযুক্ত।এবং এইটা তাদের শেয়ার হল্ডারদেরকে জাস্টিফাই করতে হয় যে তাদের টাকায় উন্নতি হইতেছে।

প্লাস ইকনমিক্স কোন প্রপার সাইন্স না। এইটা সোশ্যাল সাইন্স।

আমি বিগত ৩ মাস মিনিমাম চারটা না খেয়ে মরে যাওয়া বা অভাবে আত্মহত্যার নিউজ পেয়েছি। এর মধ্যে শুধু মাত্র ক্ষণিকার খবরটা কিছুটা ভাইরাল হয়েছে। বাকি গুলো পেপার পত্রিকা গুলো চাপিয়ে গ্যাছে।

আমি অনেক মধ্যবিত্তকে এখন চিনি যারা জাস্ট ঠাট বাট রেখে চললেও, নিম্ন বিত্ত লেভেলে চলে গ্যাছে, সন্তানের লেখা পড়ার খরচ দিতে পারছেনা। এবং সন্তানদের জন্যে কোন চাকুরির সুযোগ নাই। এইটা প্রচুর দেখা যাচ্ছে । এবং এইটা আর লুকান কোন সোশাল ফেনোমেনা না। আরো অনেক পরিষ্কার ইঙ্গিত আছে।

আওয়ামী লীগের হাতে বাংলাদেশের উন্নয়ন যে, ম্যাক্রো ইকোনমির শতাব্দীর সেরা একটা প্রতারণা সেইটার প্রমান পাবেন এই ছবিতে ।
এই ছবিতে মহাকাশ থেকে রাত্রিকালিন আলো দেখা যাচ্ছে।
এই ছবি গুলো
নাসার ২০১৭ সালের এপ্রিলে প্রকাশিত “ব্ল্যাক মারবেল ডাটা” থেকে নেয়া হয়েছে যেখানে রাত্রিকালিন আলো ২০১২ এবং ২০১৬ এর একটি তুলনা দেখা যাচ্ছে।

মহাকাশ থেকে দেখা রাত্রি কালীন আলো একটা চমৎকার অল্টারনেটিভ ইন্ডেক্স যা দিয়ে পৃথিবীর কোন অংশের ইনিইকুয়ালিটি ডেভেলপমেনট এবং প্রগ্রেসকে বোঝা যায়।

এম্পায়ারিকাল স্টাডি থেকে দেখে গ্যাছে , রাত্রি কালীন আলো যেখানে দুর্বল সেখানে চিকিৎসা, স্বাস্থ্য, জীবন যাত্রার মান সব কিছুই দুর্বল থাকে।

২০১২ সাল থেকে ২০১৬ ভারতের পশ্চিম বঙ্গ থেকে বাংলাদেশের ম্যাপের অংশে তাকায় দেখেন, মাত্র চার বছরে কি অসাধারন ভাবে আলোকিত হয়েছে ভারতের পশ্চিম বঙ্গ এবং তার কাছের এলাকা।

এবং বাংলাদেশ অংশে দেখেন ২০১২ সালের চার বছরের উন্নয়ন, ব্যাঙ্ক লুট, টাকা পাচারের এই চলন্ত মিথ্যা আমাদেরকে কি অন্ধকার অমাবস্যায় নিক্ষেপ করেছে।

দেখেন, ঢাকার কিছু অংশ বাদে দেশের বাকি অংশ কি ভয়াবহ অন্ধকার।

এমন কি ঢাকাই বা কি এমন আলোকিত?

কলকাতা এবং তার পার্শবরতি অঞ্ছল দেখেন, তার আলোর বিস্তার কত বিশাল। আর ঢাকার আলোর বিস্তার কি ছোট একটা জায়গায়।

এই ম্যাপ টাতে বাংলাদেশে ভারতের বর্ডারের কোন চিহ্ন নাই।
বিশ্বাস করেন, ২০১৬ সালের ডাটায় আমি জাস্ট আলোর রেখা ধরে টান দিয়ে গ্যাছি- সেই টান- বাংলাদেশ ভারতের বর্ডার হয়ে গ্যাছে -যেখানে বাংলাদেশ হচ্ছে অন্ধকার আর ভারত আলোকিত। অথচ কলকাতা ভারতের কম প্রবৃদ্ধির এলাকা গুলোর মধ্যে একটা ।

দিল্লি, মুম্বাই, চেন্নাই দেখলে আলোর ছটায় আপনার চোখ ঝলসে যাবে, বাংলাদেশের সাথে নাইট লাইটের তুলনায়।

কিন্ত ভারত তো ভারত, ওরা এখনো খোলা আকাশে বাথরুম করে শুশু করে, আর বাংলাদেশ হয়ে যাচ্ছে সিঙ্গাপুর।

এই প্রচণ্ড ছলনা দিয়ে এরা বছরের পর বছর আমাদের এই অন্ধকারে নিমজ্জিত রাখে। জিডিপি গ্রোথ , পার ক্যাপিটা ইনকাম বাড়ায় যায় আর বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ হয়ে উঠে বিস্ময়।

৪৮ সেকেন্ডে একটা রোগী দেখে ডাক্তার – যার সামর্থ্য আছে দৌড়ায় ইন্ডিয়া কিন্ত হিউম্যান ডেভেলমেন্ট ইন্ডেক্সে চিকিৎসার মানে আমরা সাউথ এশিয়া কেন বিশ্বের বিস্ময় হয়ে যাই। ল্যান্সেটে প্রকাশিত হয় আমাদের বিস্ময়কর স্বাস্থ্যকর উন্নতির কাভার স্টোরি । আবেদ সাহেবের এনজিওর টাকা ফুলে ফুলে উঠে।

এই ছবিটা দেখে, যে কোন নির্বোধের বোঝার কথা এই তথাকথিত জিডিপি গ্রোথের নামে , উন্নয়নের নামে একটা ভন্ডের দল দেশ থেকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার পাচার করতে গিয়ে দেশের কোটি কোটি মানুষের জীবন, জিবিকা এবং সম্ভাবনাকে কি অন্ধকারে নিক্ষেপ করেছে। এবং প্রকৃতই উন্নয়ন যে সব রাষ্ট্রের হচ্ছে তারা কিভাবে ধিরে ধিরে এগিয়ে যাচ্ছে, মানুষের জীবন যাত্রার মান উন্নয়ন করছে।

বাংলাদেশের উন্নতির যে তিনটা প্রধান ইন্ডিকেটর সে সম্পর্কে আগেই বলেছি, বাংলাদেশের অর্থনীতি যত খারাপ হবে তত গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রির উন্নয়ন হবে কারন তাতে মজুরি না বাড়ার কারনে গারমেন্টসে সস্তা শ্রমের জোগান চালু থাকবে।

এবং দেশে রেমিটেন্সের পরিমান বাড়া বা কমা কোন উন্নয়ন নির্দেশ করে না কারন দেশের মাত্র ৭% মানুষ রেমিটেন্সের ইম্প্যাক্টে পড়ে।

এবং সরকার এখন যেভাবে ইন্ডাইরেক্ট ট্যাক্স মানুষের কাছ থেকে ডাকাতি করে রাজস্ব আয় বাড়িয়েছে তা কোন মতেই দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির বৃদ্ধি নির্দেশ করেনা। বরং এই বৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জীবন মানে খুব খারাপ প্রভাব ফেলেছে কারন, এই রাজস্ব মুলত লুটের কাছে ব্যবহৃত হয়েছে জনগণের অর্থনৈতিক প্রগতির জন্যে নয়।

সব কিছু ধ্বংস করে আপনি কেয়ামত সে কেয়ামত ঘি খাবেন তা হয় না। এই বুম বাস্ট সাইকেল অর্থনীতির সাম্প্রতিক ইতিহাসে অনেক দেশেই ঘটছে।

বাংলাদেশ খুব অল্প দিনেই আর একটা এনরন হইতে যাইতেছে।

মুক্তিযুদ্ধের পরে বাংলাদেশ রাষ্ট্র এতো বড় বিপর্যয় আর আসে নাই।

যারা আপনার ভোট কেড়ে নিতে চাইতেছে, তাদের বিরুদ্ধে দাড়াতে হবে।

যদি দেখেন আপনার ভোট রিগিং হচ্ছে, সেইটা যদি প্রতিরোধ করতে না পারেন তবে অন্তত সেইটা ভিডিও করে আনতে হবে।
সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে হবে, এই ভন্ড লুটেরাদের আসল চিত্র।

এইটা আমাদের দেশ।
মাফিয়াদের হাত থেকে আমাদের হাতে ফিরিয়ে আনতে হবে।
আমার ভোট আমার অধিকার।
কারো অধিকার নাই, সেই টা ছিনিয়ে নেয়ার।

উন্নয়নের মরিচিকা

এক লোক আমাকে জিজ্ঞেস করলেন- ভাই আপনে কি সবখানেই অন্ধকার দেখেন, আলো দেখেন না?
আমি বললাম-

“বেয়াদবি নেবেন না।

আলোর দিশা পাইতে হইলে বি-পজেটিভ কিউট কিউট সেলেব্রিটির প্রোফাইলে যাবেন। তাদের সবকিছুই পজেটিভ। এইদেশের লোকেরা কিউট কিউট করে হাগে, বাজারে দ্রব্যমূল্যের গোয়ামারা খেয়ে চোখ মুছে কিউট ভাবে রাস্তায় দাঁড়িয়ে সাকিবের খেলা দেখে…. কি কিউট!

দেশের উন্নয়নের গল্প জানতে হইলে সলোমন শকুন্স বা পেপালক মন্ত্রীর ওয়ালে যাবেন। উনারা আপনাকে বুঝিয়ে দেবেন স্ট্যাটিস্টিক্স অনুযায়ী দেশে কোন সমস্যাই নাই, একটাই সমস্যা হইলো যে- কোন সমস্যারই সমাধান নাই।

খালেদা জিয়া তারেক কত খারাপ ভাবে দেশকে রাখছিলল এইটা জানতে বিটিভিতে যাবেন।

নারীরা আগায়া যাচ্ছে – খাড়ায়া ছেলুট হে মেয়ে পাইলট যিনি ককপিট থেকে বের হয়ে দশ নেপালী আলাদা করে বের করে দিয়ে আবার ককপিটে বসে প্লেনক্র‍্যাশে মারা গেছেন- এমন বীরত্বের গপ্পো শুনতে নারীবাদী লোকের প্রোফাইলে যাবেন।

…আরো আছে। এই যে আপনাদের দাদারা লুঙ্গী পইড়া ক্লাস যাইতো, আপনারা যান পালাজ্জো নাইলে জিন্সে, এই যে আপনাদের উন্নয়ন…. ধুর কি বলি না বলি… এই যে আপনারা আগে মোবাইল চিনতেন না এখন হাতে হাতে মোবাইল এইটা তো এই সরকারেরই উন্নয়ন… এইটা সুন্দর করে বুঝায়া দিবে দালালচ্যানেল।

…আর যদি মনে করেন আপনের জীবনে কেউ নাই, জীবনের কোন মানে নাই, লেখাপড়া বালছাল ভাল্লাগেনা কিচ্ছু করার নাই, পড়ার চাপ এত বেশি কেন, কম নাই ক্যান…. এইসব নিয়া ভাবলে সোজা চলে যাবেন শিক্ষামন্ত্রী (ভবিষ্যত) আইমন স্যাডিকের কাছে। উনি উনার কপি করা আইডিয়ার ১০ মিনিটের শর্ট কোর্সে সব ক্লিয়ার করে দিবেন, এবং তার ইউনির বিপদে ভ্যানিস হয়ে যাবেন। বিপদ কাটলে উনি এসে বলবেন – আপনারা যদি আমার ১০ মিনিটের আন্দোলন কোর্সটি করতেন তাইলে…

…এত এত কুতুব লোকজন সারাদিন পজেটিভ বাংলাদেশ খুইজা পাইলো আরর আপনে কিনা মিয়া আমার মতো নেগেটিভ ক্যারেক্টারের কাছে হাজির হইছেন পজিটিভ শুনতে?? ?!!! “

29 May

চাকরি নাই- বাজারে সস্তা খাবার নাই- রাস্তাঘাটে জীবনের নিরাপত্তা নাই- আইনশৃংখলা বাহিনীর হয়রানির গ্যারান্টি নাই- অতিউচ্চমূল্য দেয়ার পরও বাসায় ইলেক্ট্রিসিটি/গ্যাস/পানি নাই- রাস্তায় নামলে পরিবহণ নাই- পরিবহণ পাইলেও জ্যামের ঠিক নাই- মেয়েদের ইজ্জত বাঁচাইয়া ঘরে ফেরার নিশ্চয়তা নাই- মেধাবীদের গ্রহনযোগ্যতা নাই- কোটা ছাড়া ভবিষ্যত নাই- ব্যাংকগুলাতে কোন টাকা নাই- বিদেশে পাসপোর্টের ইজ্জত নাই- অপরাধীদের বিচার নাই …সোনার ছেলে হইলে তো কথাই নাই …

এরমাঝেই একদল লোককে দেখবেন তাঁরা বলতেছে যে – বাংলাদেশ আগায়ে গেছে কেননা তাঁর একটা শ্যাটালাইট হইছে।
দেশ আগায়া গেছে কেননা বাংলাদেশকে ইউনেস্কো সার্টিফিকেট দিছে ।
দেশ আগায়া গেছে কেননা লক্ষ লোক একলগে জাতীয় সংগীত গাইছে।
দেশ আগায়া গেছে কেননা সাফারি পড়া ভদ্রলোক গুলশান ইফতারী খাইছে আর খুশিতে চোখ মুছছে ।
দেশ আগায়া গেছে কেননা ফেসবুকে রাইস চেলেঞ্জ দিয়া এক লোক তিনলক্ষ লোককে ‘উৎসাহ” দিছে।
দেশ আগায়া গেছে কেননা বাংলাদেশে আর্জেন্টিনা-জার্মানি-ব্রাজিলের জার্সি তৈরী হইছে।
দেশ আগায়া গেছে কেননা দেশে এখন দশমিনিটেই বিজ্ঞানী পয়দা করার ইউটিউব চেনেল আছে।

বাংলাদেশে বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বড় হারামজাদা খুজে বের করতে চাইলে সবার আগে খুঁজে বের করেন সেই লোককে , যে এইসব “নাই আর নাই” দেখার পরও এই দেশে কিছু না কিছু ‘পজেটিভ’ বিষয় খুঁজে পায় , সেই ‘পজেটিভ’ বিষয় মানুষকে গেলাতে চায় , এবং সেই লোককে – যে বালছাল বুঝায়ে মোটিভেশন দেয়ার চেষ্টায় থাকে ।

বিভিন্ন অনলাইন পোলে সরকারের বিরুদ্ধে ৮০ % জনমত কেন যাচ্ছে খুব ভাবছিলাম ..যারা কনফিউশনে আছেন তারা এই লিখাটা পড়তে পারেন

১৮৪৫ সালের আগে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের কোন নির্দিষ্ট দিন ছিল না। ডিসেম্বরের প্রথম বুধবারের আগে প্রত্যেকটি স্টেইট নিজের ইচ্ছেমত নির্বাচন অনুষ্ঠান করার ৩৪ দিনের একটি উইণ্ডো পাইত। ঐকালে রেলওয়েল, গাড়ি এবং ভালো রাস্তাঘাটের অভাবে ভ্রমণ ছিল অত্যন্ত দুরহ। ভোটগ্রহন, ভোটের ফলাফল পৌছানো ইত্যাদিতে অনেক সময় লাগত। তাই এই নিয়মেই চলে যেত যুক্তরাষ্ট্রের। ১৮৪৫ এ বর্তমান নিয়মটি এডপ্ট করা হয়, নম্ভেম্বরের প্রথম মঙ্গলবার।

রাস্তাঘাট/ফ্লাইওভার/বিশাল সেতু না থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের গনতন্ত্রের ব্যাঘাত ঘটে নাই। ১৭৮৯ থেকে আজ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে একটি বারের মতও নির্বাচন বাতিল হয় নাই, পেছায় নাই, এমনকি গৃহযুদ্ধের সময়ে ১৮৬২,১৮৬৪ এর নির্বাচন ঠিক ঠাক হইছে। ইউনিয়নের যোদ্ধারা তখন দক্ষিণের কনফেডারেটদের কাছে মাইর খাইতেছে, পালে পালে কলেরাতে মারা যাচ্ছে, তারপরেও ফ্রন্টে থেকেও তারা ভোট দিছে। এই বিপুল বিপদের মাঝেও প্রতিটি সৈনিকের ভোট অনেক ক্ষেত্রে জীবনের ঝুকি নিয়েও ইলেকশন অফিশিয়ালরা যুদ্ধক্ষেত্র থেকে সংগ্রহ করে এনেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ডিক্লারেশন অফ ইণ্ডিপেণ্ডেন্স, তাদের কন্সটিটিউশন, তাদের কন্সটিটিউশনাল ডিবেইট, ফ্রেঞ্চদের ডিক্লারেশন অফ রাইটস অফ মেন এণ্ড সিটিজেন এইসবকিছুতেই দেখবেন উন্নয়নের গল্প নাই, রাস্তাঘাটের গল্প তেমন নাই।

ক্লাসিকাল লিবেরেলিজমের প্রথম স্বতঃসিদ্ধ হচ্ছে মানুষের ব্যক্তিস্বত্ত্বার সম্মান। রাষ্ট্রের ভূমিকা মানুষের নিজের ইচ্ছেকে বাস্তবায়নে বাধা না হয়ে দাঁড়ানো। রাষ্ট্রের ভূমিকা এখানে অনেকটাই প্যাসিভ।

ধরে নেয়া হয়, আত্নমর্যাদাসম্পন্ন বুদ্ধিমান মানুষের যদি ক্ষমতার কেন্দ্রগুলো হ্যারাস না করে, তার ক্ষমতা আছে নিজের ভালো নিজে করে নেয়ার। রাষ্ট্রের এইখানে যেকোন রকম অভিভাবকগিরিকে অস্বীকার করা হয়।

আধুনিক যুগে রাষ্ট্রের ভূমিকাকে আরেকটু বাড়িয়ে ধরা হয়। রাষ্ট্রকে ধরা হয় নাগরিকের জন্য অনেকটা লেভেল প্লেইং ফিল্ড তৈরী করে দিতে। এইকারনেই শিক্ষায়/স্বাস্থ্যে বিনিয়োগের পেছনে যুক্তি তৈরী হয়। তবে আধুনিক রাষ্ট্রের কেন্দ্রেও সেই ব্যক্তিমানুষ। কোন কিছুর মূল্যেই তার অধিকার হরণ করার সুযোগ নেই। কল্যাণ রাষ্ট্র কিছু কিছু খাতকে পাবলিক ওউনারশীপের আওতায় আনলেও , ব্যক্তি অধিকারকে লঙ্গন করে কখনই নয়। বরং রাষ্ট্রের ভূমিকা এখানে অভিভাবক নয়, বরং সুহৃদের মত।

সুতরাং আমার দৃষ্টিতে বিষয় খুব সাধারন।

রাস্তঘাট তথা বারোয়ারি উন্নয়নের গল্পের মূল্য আমার কাছে শুন্য যতক্ষণ পর্যন্ত মত/পথের ভিন্নতার রিপ্রেশন চলবে, আনলফুল ডিটেনশন চলবে, ফ্রীডম অফ এক্সপ্রেশনের সুযোগ শুন্য থাকবে, এমনকি সিভিল লিবার্টির মধ্যে একনম্বর যেটি, রাইট টু লাইফ, সেটিরও কোন মূল্য থাকবে না ক্রসফায়ার/গুমের ভীড়ে পরে। ইনডিগনিটির জীবনের মূল্য কনক্রীটের রাস্তাঘাটে হয় না।

নাগরিকের অধিকার নিশ্চিত করার ওয়াদা করার পরে সামাজিক চুক্তির ভিত্তিতে রাষ্ট্রের লেজিটিমেসি তৈরী হয়। লেজিটিমেইট রাষ্ট্রের নাগরিকের চলাফেলার, জীবনযাপনের সুবিধার জনে নির্বাহীবিভাগ নানা কাজ করে থাকে। সেগুলো গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু সেকেণ্ডারী। রাষ্ট্র ক্ষমতার লেজিটিমেসি না থাকলে এইসবকিছুই মূল্যহীন।

আর ইতিহাসের ন্যারেটিভ নিয়া আইডিয়ার জগতে যুদ্ধ চলুক। ইতিহাস আরো সম্মৃদ্ধ হোক। কিন্তু সকল সিভিল এবং পলিটিক্যাল রাইটস কে ঐতিহাসিক ন্যারেটিভের মুখোমুখি দাড় করানোর চেষ্টা মূলত চুড়ান্ত ধরনের বাটপাড়ি।

আর গুরুত্বপূর্ণ কথা হচ্ছে যেই ন্যারেটিভ এখন গিলানো হচ্ছে তার বিপুল অংশই “ডেরিভেটিভ”। নাগরিক অধিকার রক্ষার জন্যে সেই ইতিহাসের জন্ম হইছিল। সুতরাং সেটি হরণ করার জাস্টিফিকেশন সেই ইতিহাস হইতেই পারে না। যারা এইসব দাবী করতেছে তাদের দাবী না শুনে, নিজে ইতিহাসটুকু পইড়া নেন। এইটা খ্রীষ্টের আগের যুগের ঘটনা না। অধিকাংশ ঘটনার অরিজিন্যাল সোর্স ম্যাটেরিয়ালই পাওয়া যায়। ঘটনার ক্রনলজি এবং ঐ ঘটনাগুলো ঐসময়ে কিভাবে ইন্টারপ্রেট করা হইছিল এইসবেরও দুর্দান্ত কম্পাইলেশন অসংখ্য বইপত্রে আছে। পেটমোটা করার এজেণ্ডা নিয়ে যারা গত দশবছরে আবির্ভূত হয়েছে, আর যাদের পতন হয়েছে, এইসবার কথাবার্তা না শুনলেও, আপনি মোটামুটি ধারনা পেয়েযাবে কেন এবং কিভাবে সবকিছু হয়েছিল।

তাইলে এই সিদ্ধান্তে আপনি নিশ্চিত হইতে পারবেন, আজকে আপনার যেই অধিকারসমূহকে অস্বীকার করা হচ্ছে, সেই অধিকার নিশ্চিত করনের জন্যেই ইতিহাস সংগঠিত হইছিল।

তাইলে শেষ পর্যন্ত মূল বিষয় খুব সাধারন।

কে আপনাকে অধিকার রক্ষার বাস্তবায়ন তো দূরে থাক, প্রতিশ্রুতি পর্যন্ত লজ্জায় দিতে পারতেছে না।

বাকিটুকু আপনার বিবেচনা।

ফ্যাসিবাদের পতন ঘনিয়ে এসেছে

বিশেষ ভবনের লিখে দেয়া প্রেসক্রিপশনের জুডিশিয়াল ভার্সন হলো “রায়”। একজনের মর্জি মতো বিচারকদের রায় দিতে হয়। সুরেন্দ্র কুমার সিনহা তার বইতে বিস্তারিত বলেছেন এই নিয়ে। দেশে যে আইনের শাসন নাই এটা দেশের প্রতিটা জনগন জানে। একের পর এক ফাঁসির দন্ড মওকুফ হয়, লাখ লাখ বিনিয়োগকারীকে পথে বাসানোর মামলায় সালমান এফ রহমানের মামলা বাতিল হয়, দুর্নীতি প্রমানিত হওয়া মন্ত্রী মায়ার ১৩ বছরের জেল বাতিল হয়। লক্ষীপুরে তাহের পুত্র বিপ্লব জেলে বসে সন্তানের বাবা হয়। দুদকের এখতিয়ার বহির্ভূত মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা হয়। তাই এই আদালতের অনৈতিক রায় নিয়ে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই।

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় তৃতীয়বারে সম্পুরক চার্জশিট দেয় অবসর যাওয়া পুলিশ কর্মকর্তা। এই মামলায় মুফতি হান্নানের তিনরকম জবানবন্দি আছে আদালতের নথিতে। তারপরও রায় কি হবে তা জানা। এই রায়ে আলাদা প্রতিক্রিয়া দেখানোর কিছু নাই। বরাবরের মতো সরকারের একটা ফ্যাসিবাদী কর্মকাণ্ড ধরে নিতে হবে। ফ্যাসিবাদের নিশ্চিত পতন হবেই। ন্যায় বিচার অবশ্যই প্রতিষ্ঠিত হবে । সমস্ত অবিচারের বিচার হবে তখন। তাই এখনকার এই উস্কানিমূলক রায়ে নির্লিপ্ত প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে সরকারের পাতা ফাঁদ ব্যর্থ করে দিবে বিএনপি। ফ্যাসিবাদের পতন ঘনিয়ে এসেছে। বিজয় জনগনেরই হবে, ইনশাআল্লাহ।

একজন নির্লজ্জ, বেহায়া, জাতীয় মিথ‍্যাবাদীর নাম হাসিনা!!!!

মিথ্যা বলার একটা ধরন আছে। কিন্তু আমাদের দেশের অবৈধ প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় মিথ্যাবাদী হাসিনার মিথ্যাচার যেন সবকিছু থেকে ছাড়িয়ে। মানুষ মিথ্যা বলে সত‍্যকে চাপা দেবার জন‍্য। কিন্তু উনি মিথ্যা বলেন জাতীয় চোরদের রক্ষা করার জন‍্য, কেননা মিথ্যা না বল্লে তিনি নিজেই ফেঁসে যাবেন। সবচেয়ে বড় কথা তিনি তাঁর মিথ্যা বলা নিয়ে এতটুকু চিন্তিত নন কিংবা কোন প্রকার অনুশোচনা তাঁর মধ্যে নেই। আবার ভাবতে কষ্ট হয় যে এ রকম একটা জাতীয় মিথ্যাবাদী এখনো ক্ষমতায় বসে আছে অবৈধভাবে।আমরা এর আগেও এরকম অনেক মিথ্যা কথা শুনেছি তাঁর মুখ থেকে। এমনকি সংসদে দাঁড়িয়ে, বুক ফুলিয়ে তিনি মিথ্যা বলেন। যেমন, সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি বল্লেন তিনি নাকি মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে এনেছেন। অথচ নিশিরাতের ভোট চুরির কথা বাংলাদেশের কারো অজানা নয়। এমনকি আওয়ামীলীগের লোকজন নিজেরাই বলাবলি করেছে কে কিভাবে রাতের আঁধারে ভোট চুরি করেছিল। আমি এর আগে আমার অনেক লেখালেখিতে বলে এসেছি কীভাবে এরা মেগা প্রজেক্টের নামে ৩০% চুরি করে। এরপর আবার আলাদা কমিশন নেয় কাজ দেবার কথা বলে। এক কথায় বাংলাদেশ এখন চোরদের দখলে এবং এই চোরদের রাণী হচ্ছেন জাতীয় মিথ্যাবাদী হাসিনা। হাসিনা, আওয়ামী নামক এই চোরদের লালন পালন করে যেন সে এই চোরদের সাহায্যে অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকতে পারে। বাংলাদেশের মানুষ অনেক আগে থেকেই হাসিনার এই নির্লজ্জ্ মিথ্যাচার সম্পর্কে অবগত। এমনকি তিনি এমন নির্লজ্জ যে মিথ্যা বলার সময় কোনো অনুশোচনা তাঁর মাঝে কাজ করে না। তার একটি জলন্ত প্রমাণ আশ্রয়ণ প্রকল্প নিয়ে তাঁর মিথ্যাচার। এটা এমন একটি মিথ্যাচার যে শুনলেই মুখভর্তি থুথু দিতে ইচ্ছে করে উনার মুখের উপর। শুধুমাত্র আওয়ামী নামক কিছু চোরদের দোষ চাপা দেবার জন‍্য তাঁর এই নির্লজ্জ মিথ্যাচার। সবচেয়ে বড় কথা এটা তেমন কোনো বড় প্রকল্প ছিলো না। এটা ছিলো তাঁদের জন‍্য যাদের মাথা গোঁজার কোনো ঠাঁই ছিল না। যারা কিনা একটা ঘড়ের জন‍্য দিনরাত আল্লাহ্ র কাছে দোয়া করে। অথচ, আওয়ামী নামক কিছু অমানুষিক জানোয়ারদের থাবা থেকে এদের রেহাই হয়নি, বরং আরেক ডাইনি হাসিনা ঐ চোরদের পক্ষ নিয়ে, ওদের মনমত করা মিথ্যায় ভরা প্রতিবেদনের পক্ষে ঐসব অবহেলিত মানুষদের সাথে প্রতারণা করলো। কতবড় জঘন্যতম মন মানষিকতা থাকলে এমন কেউ করতে পারে? কিন্তু হাসিনা পারে, কারণ তিনিই হলেন এই জানোয়ারদের দলপতি। সব চোর, বাটপার তাঁর কথায় সব কাজ করে। হাসিনা না থাকলে এই চোর বাটপারও আর থাকবে না। বাংলাদেশকে আবার বাঁচাতে হলে হাসিনার পতন অনিবার্য। হাসিনার পতন হলেই বাংলাদেশের আকাশে আবার সোনালী সূর্য উঠবে। আর বাংলাদেশের মানুষ সেই দিনের অপেক্ষায়।!!বিঃদ্রঃ এতকিছুর পরেও কিছু মানুষ এই ডাইনি হাসিনার পক্ষে কথা বলবে। তখনই বুঝে নিবেন এরাই সেই চোরের দলের একজন। এখন সময় এসেছে ঐ চোরের দলকে বাংলাদেশ থেকে মুছে ফেলার। সবাই যার যার অবস্থান থেকে প্রস্তুতি নিয়ে থাকুন। এদের ধ্বংস এখন অনিবার্য।

গড মাদার হাসিনা আর মাফিয়াদের খপ্পরে বাংলাদেশ

বাংলাদেশের বর্তমান অবৈধ প্রধানমন্ত্রী গডমাদার হাসিনা এবং মাফিয়াদের আপন ভাই সেনাপ্রধান আজিজকে নিয়ে আল জাজিরার ডকুমেন্টারিটি খুবই সময় উপযোগী একটি বার্তা। হাসিনা এইসব মাফিয়াদের সাহায্যেই বিরোধী দলীয় লোকজনদের গুম করে হত্যা করতো। এটা কমবেশি অনেকেই জানেন।
কিন্তু, এত প্রমানসহ ডকুমেন্টারি দেখার পরও আওয়ামী নামক ছাগলের দল বলে বেরাচ্ছে এটা নাকি গুজব। আর সরকার থেকে বলা হচ্ছে এটি নাকি “অপপ্রচার”। কতবড় ছাগলের দল আওয়ামীলীগ এখন বুঝুন সবাই। দুইদিন আগেও আমি মায়ানমারের সুচির কথা লেখার সময় হাসিনার কথা বলেছিলাম কিভাবে তিনি সামরিক বাহিনীর কন্ট্রোল করার ক্ষমতা নিয়েছে শুধুমাত্র তাঁর বিরোধী সবাইকে গুম করে হত্যা করার জন‍্য। সেই সাথে তিনি দুর্নীতি করার লাইসেন্স দিয়েছেন মাফিয়াদেরকে যেন তারা হাসিনার বিরোধীদেরকে হত‍্যা করে হাসিনার ক্ষমতা ঠিক রাখে।
এরপরও কুত্তালীগের ঘেউ ঘেউ থামছেই না বরং গলা ফাটিয়ে বলে বেরাচ্ছে এটা নাকি অপপ্রচার।
যাহোক, হাসিনার দুঃশাসন, দুর্নীতির কথা সারাদিন রাত লিখেও শেষ করা যাবে না। আমার সোনার বাংলাদেশকে বানিয়েছে মাফিয়াদের আড্ডাখানা। সবকিছুর বিচার হবে কড়ায়-গন্ডায়। কোনো ছাড় হবে না এবার।
পরিশেষে, এখনো যারা হাসিনার পক্ষে ঘেউ ঘেউ করছে তাদেরকে ডাস্টবিনে ছুড়ে ফেলার সময় এসেছে। তাই বাংলাদেশের জনগনদের বলছি, এতদিন আমাদের কথা যদি বিশ্বাস না করে থাকেন এবারতো প্রমাণসহ সব দেখলেন, বুঝলেন। এখন আর চুপ করে বসে থাকার সময় নয়। নেমে পরুন রাজপথে আর ভেঙ্গে ফেলুন হাসিনার সাম্রাজ্য, দেশকে করুন পরিশুদ্ধ।

নতুন স্বদেশ গড়ার প্রত‍্যয়ে