ধর্ম, জামাত ও জঙ্গিবাদ

ধর্মের দোহাই দিয়ে জামাত ইসলাম বহুদিন ধরে বাংলাদেশে রাজনীতি করছে এটা আমাদের বার্থতা । এটা কোন ভাবেই মেনে নেয়া যায় না । আর এর জন্যে আমরা সবাই দায়ি। খুনি হাসিনা ১৯৯১সাল থেকে শুরু করে এরপর খালেদা জিয়া ১৯৯৬, ২০০১, ও ২০০৭ সালে জামাতের সাথে রাজনৈতিক জোট গঠন করে আরও জামাতের রাজনীতিতে সক্রিয় করে তোলে । জামাতের উথানের জন্য আওয়ামী লীগ এবং বি এন পি দুই দলই সমান ভাবে দোষী । ক্ষমতার নেশায় দুই দলই বাংলাদেশের এক অপূরণীয় ক্ষতি করে গেছে।

আজ জামাতের হাত ধরেই বাংলাদেশ আজ জঙ্গিদের আড্ডাখানায় পরিনত হেয়েছে। এই সেই জামাত যারা কিনা আমাদের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, লাখ লাখ মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করেছিল , এবং হাজার হাজার মা বোনদের ইজ্জত ছিনিয়ে নিয়েছিল। অথচ এরাই আজ ৩৮% ভোট পায় তাও আবার বাংলাদেশের মাটিতে। এর চেয়ে খারাপ কিছু আর কি হতে পারে?

আমি আমজনতার “তারেকের” কথার সাথে একমত। তিনি একটি টকশোতে কোনো রাগ ডাক না রেখেই জামাত ইসলামি দলকে একটি “ধর্ষক দল” বলে ডেকেছেন এবং আমি এর সাথে পুরোপুরিভাবে একমত। এই ধর্ষকরা আজ বাংলাদেশের প্রতিটি জায়গায় জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে জাতে করে পরবর্তীতে বাংলাদেশকে একটি জঙ্গি রাষ্ট্র হিসেবে পৃথিবীতে পরিচয় করে দিতে পারে। তাঁরা চায় আফগানিস্তান হতে, তাঁরা চায় পাকিস্তানের মত জঙ্গি রাষ্ট্র হতে। কিন্তু আমরা তা হতে দিব না। আর এসব কিছু করার জন্যে তাঁরা ধর্মকে ব্যবহার করে। তাঁরা ধর্মের সুযোগে সাধারন মানুষের মনে জঙ্গিবাদ উস্কে দিচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ কনদিনও তা মেনে নিবে না। এরা দেশের সাথে মুনাফেকি করেছে , দেশের মানুষের সাথে মুনাফেকি করেছে । এদের কোন ছার দেয়া চলবে না।

আমি স্পষ্ট ভাষায় জনাব তারেক রহমানকে বলে দিতে চাই আপনি যদি এদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যাবস্তা না নেন তাহলে আপনিও পালাবার পথ খুঁজে পাবেন না। হাসিনা তো ভারতে পালিয়ে যেতে পারছে কিন্তু আপনি সেই সুযোগ পাবেন না। আপনার ক্ষমতার মোহে আমরা আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে বেইমানি করতে পারব না। আমাদের চেতনা আমরা বিসর্জন দিতে পারব না।

এখানেই শেষ নয়, এই যে ৩৮% মানুষ জামাতিদের (মুনাফিকদের) ভোট দিয়ে মাথায় তুলে নিলএরাও মুনাফিকের নামে নিজেদের নাম লিখিয়ে নিয়েছেন। যে দলের আমির নারী নেতৃত্ব চায় না তাকে আপনারা কি বলে ডাকবেন? আমিতো উনাকে আরও বড় খারাপ নামে ডাকতে চাই। এনিই হলেন জঙ্গির কমান্ডার, মুসলিম লেবাসধারি একজন ধর্ম বিক্রেতা। যে কিনা ধর্মের নাম করে, ইসলামের নাম করে মানুষের দুর্বল জায়াগায় আঘাত করে এদেরকে জঙ্গি বানায় এবং দেশের সাথে মুনাফেকি করায়। সুধু শফিকুর নন যারা এদেরকে ভোট দিছে সবাইকে বয়কট করতে হবে, আইনের আওতায় আনতে হবে। আর তা না হলে দেশে আবার যুদ্ধ হবে, কিন্তু এবার আর কাউকে মাপ করা হবে না।

Leave a comment