ধর্মের অপব্যাখ্যা: উগ্রবাদের বিপদ

বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে উগ্রবাদ একটি গভীর উদ্বেগের বিষয়, যা শুধু নিরাপত্তা নয়, সমাজের মূল্যবোধ ও সহাবস্থানের জন্যও হুমকি। কিছু উগ্রবাদী দল ধর্মের অপব্যাখ্যা করে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে, এমনকি “জান্নাতের টিকিট” বিক্রির মতো ভ্রান্ত ধারণা ছড়িয়ে সাধারণ মানুষের বিশ্বাসকে কাজে লাগাচ্ছে। এই ধরনের প্রতারণা শুধু ধর্মের অপমানই নয়, বরং সরলমনা মানুষদের বিপথে ঠেলে দিচ্ছে।

এছাড়া, নির্বাচনকে ঘিরেও নানা বিতর্ক ও অভিযোগ সামনে আসে—কখনো কম ভোটার উপস্থিতি, কখনো অনিয়ম বা প্রতারণার অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এই ধরনের পরিস্থিতি জনগণের আস্থা দুর্বল করে এবং উগ্র গোষ্ঠীগুলোর জন্য বিভ্রান্তি ছড়ানোর সুযোগ তৈরি করে। তবে এসব বিষয় নিয়ে দায়িত্বশীলভাবে কথা বলা এবং যাচাই করা তথ্যের ভিত্তিতে মত প্রকাশ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

উগ্রবাদ কখনোই কোনো সমস্যার সমাধান হতে পারে না; এটি কেবল ধ্বংস, বিভাজন ও ভয় সৃষ্টি করে। তাই আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে—ধর্মীয় মূল্যবোধকে সঠিকভাবে বুঝতে হবে, গুজব ও প্রোপাগান্ডা থেকে দূরে থাকতে হবে, এবং যুক্তিবাদী চিন্তা চর্চা করতে হবে। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজ একসাথে কাজ করলে তরুণ প্রজন্মকে এই বিভ্রান্তি থেকে রক্ষা করা সম্ভব। শান্তি, সহনশীলতা ও মানবিকতাই হোক আমাদের পথচলার মূল শক্তি।

কেন আমি আওয়ামী লীগের পতন চাই। মিথ্যা উন্নয়ন। ২।

রাষ্ট্র একটা প্রতিষ্ঠান। আমি আপনি রাষ্ট্র না। এই প্রতিষ্ঠানটা রাষ্ট্র। এই প্রতিষ্ঠানটার কোন গড গিভেন প্রফেসি নাই যে একশত কোটি টাকার খরচ, দশ গুন বেশী ১ হাজার কোটি টাকায় করে, সেই টাকা বিদেশে পাচার করার যে চর্চা বিগত ১০ বছরে করা হয়েছে এবং প্রশাসনের সব চেয়ে অযোগ্য লোকদেরএক প্রমোট করে সকল প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা যেভাবে ধ্বংস করা হয়েছে তারপরেও এই রাষ্ট্র অটোমেটিক আগাইতে থাকবে।

বাংলাদেশের উন্নয়নের মিথ্যা ডাটার বুজরুকির কথা বললে অনেকে বলেন,আরে ধুর বললেই হইলো নাকি ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্ক আইএমএফ এই গুলো চেক করে। এতো সোজা না।

যারা এই কথা বলে, তাদের কোন আইডিয়া নাই ওয়ার্ল্ড ব্যাংক এবং আইএমঅফ সরকারের দেয়া ডাটা এনালিসিস করে, তারা ফিল্ড লেভেলে তথ্য সংগ্রহ করে না।

এবং ওরা আরো জানেনা,
ফলস একাউন্টিং দিয়ে এনরন বছরের পর বছর শেয়ার মার্কেটের লক্ষ লক্ষ কনশাস বিনিয়োগকারি আর রেগুলেটরি অথরিটি ডিউপ করছে, যাদেরকে নিজের সিদ্ধান্তের জবাবদিহি করতে হয়।পরে মার্কিন কোম্পানি এনরনের যখন পতন হয়েছে, পুরো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ফাইনান্সিয়াল ক্রাইসিসে পতিত হয়েছে।

আর ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্ক বা আই এম এফ যদি বলে উন্নয়ন হইতেছে তাহলে হইতেছেই এমন প্রফেসি আপনি দাবী করতে পারবেন না । তাদের লোকাল কর্মকর্তাদের ইন্টেরেসট আছে বাংলাদেশের ডেভেলপমেট স্টোরিকে চলমান দেখানো। এই স্টোরিটা চালু রাখা বিভিন্ন ভাবে তাদের অনেকের নিজস্ব বোনাস এবং ভাতার সাথে সংযুক্ত।এবং এইটা তাদের শেয়ার হল্ডারদেরকে জাস্টিফাই করতে হয় যে তাদের টাকায় উন্নতি হইতেছে।

প্লাস ইকনমিক্স কোন প্রপার সাইন্স না। এইটা সোশ্যাল সাইন্স।

আমি বিগত ৩ মাস মিনিমাম চারটা না খেয়ে মরে যাওয়া বা অভাবে আত্মহত্যার নিউজ পেয়েছি। এর মধ্যে শুধু মাত্র ক্ষণিকার খবরটা কিছুটা ভাইরাল হয়েছে। বাকি গুলো পেপার পত্রিকা গুলো চাপিয়ে গ্যাছে।

আমি অনেক মধ্যবিত্তকে এখন চিনি যারা জাস্ট ঠাট বাট রেখে চললেও, নিম্ন বিত্ত লেভেলে চলে গ্যাছে, সন্তানের লেখা পড়ার খরচ দিতে পারছেনা। এবং সন্তানদের জন্যে কোন চাকুরির সুযোগ নাই। এইটা প্রচুর দেখা যাচ্ছে । এবং এইটা আর লুকান কোন সোশাল ফেনোমেনা না। আরো অনেক পরিষ্কার ইঙ্গিত আছে।

আওয়ামী লীগের হাতে বাংলাদেশের উন্নয়ন যে, ম্যাক্রো ইকোনমির শতাব্দীর সেরা একটা প্রতারণা সেইটার প্রমান পাবেন এই ছবিতে ।
এই ছবিতে মহাকাশ থেকে রাত্রিকালিন আলো দেখা যাচ্ছে।
এই ছবি গুলো
নাসার ২০১৭ সালের এপ্রিলে প্রকাশিত “ব্ল্যাক মারবেল ডাটা” থেকে নেয়া হয়েছে যেখানে রাত্রিকালিন আলো ২০১২ এবং ২০১৬ এর একটি তুলনা দেখা যাচ্ছে।

মহাকাশ থেকে দেখা রাত্রি কালীন আলো একটা চমৎকার অল্টারনেটিভ ইন্ডেক্স যা দিয়ে পৃথিবীর কোন অংশের ইনিইকুয়ালিটি ডেভেলপমেনট এবং প্রগ্রেসকে বোঝা যায়।

এম্পায়ারিকাল স্টাডি থেকে দেখে গ্যাছে , রাত্রি কালীন আলো যেখানে দুর্বল সেখানে চিকিৎসা, স্বাস্থ্য, জীবন যাত্রার মান সব কিছুই দুর্বল থাকে।

২০১২ সাল থেকে ২০১৬ ভারতের পশ্চিম বঙ্গ থেকে বাংলাদেশের ম্যাপের অংশে তাকায় দেখেন, মাত্র চার বছরে কি অসাধারন ভাবে আলোকিত হয়েছে ভারতের পশ্চিম বঙ্গ এবং তার কাছের এলাকা।

এবং বাংলাদেশ অংশে দেখেন ২০১২ সালের চার বছরের উন্নয়ন, ব্যাঙ্ক লুট, টাকা পাচারের এই চলন্ত মিথ্যা আমাদেরকে কি অন্ধকার অমাবস্যায় নিক্ষেপ করেছে।

দেখেন, ঢাকার কিছু অংশ বাদে দেশের বাকি অংশ কি ভয়াবহ অন্ধকার।

এমন কি ঢাকাই বা কি এমন আলোকিত?

কলকাতা এবং তার পার্শবরতি অঞ্ছল দেখেন, তার আলোর বিস্তার কত বিশাল। আর ঢাকার আলোর বিস্তার কি ছোট একটা জায়গায়।

এই ম্যাপ টাতে বাংলাদেশে ভারতের বর্ডারের কোন চিহ্ন নাই।
বিশ্বাস করেন, ২০১৬ সালের ডাটায় আমি জাস্ট আলোর রেখা ধরে টান দিয়ে গ্যাছি- সেই টান- বাংলাদেশ ভারতের বর্ডার হয়ে গ্যাছে -যেখানে বাংলাদেশ হচ্ছে অন্ধকার আর ভারত আলোকিত। অথচ কলকাতা ভারতের কম প্রবৃদ্ধির এলাকা গুলোর মধ্যে একটা ।

দিল্লি, মুম্বাই, চেন্নাই দেখলে আলোর ছটায় আপনার চোখ ঝলসে যাবে, বাংলাদেশের সাথে নাইট লাইটের তুলনায়।

কিন্ত ভারত তো ভারত, ওরা এখনো খোলা আকাশে বাথরুম করে শুশু করে, আর বাংলাদেশ হয়ে যাচ্ছে সিঙ্গাপুর।

এই প্রচণ্ড ছলনা দিয়ে এরা বছরের পর বছর আমাদের এই অন্ধকারে নিমজ্জিত রাখে। জিডিপি গ্রোথ , পার ক্যাপিটা ইনকাম বাড়ায় যায় আর বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ হয়ে উঠে বিস্ময়।

৪৮ সেকেন্ডে একটা রোগী দেখে ডাক্তার – যার সামর্থ্য আছে দৌড়ায় ইন্ডিয়া কিন্ত হিউম্যান ডেভেলমেন্ট ইন্ডেক্সে চিকিৎসার মানে আমরা সাউথ এশিয়া কেন বিশ্বের বিস্ময় হয়ে যাই। ল্যান্সেটে প্রকাশিত হয় আমাদের বিস্ময়কর স্বাস্থ্যকর উন্নতির কাভার স্টোরি । আবেদ সাহেবের এনজিওর টাকা ফুলে ফুলে উঠে।

এই ছবিটা দেখে, যে কোন নির্বোধের বোঝার কথা এই তথাকথিত জিডিপি গ্রোথের নামে , উন্নয়নের নামে একটা ভন্ডের দল দেশ থেকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার পাচার করতে গিয়ে দেশের কোটি কোটি মানুষের জীবন, জিবিকা এবং সম্ভাবনাকে কি অন্ধকারে নিক্ষেপ করেছে। এবং প্রকৃতই উন্নয়ন যে সব রাষ্ট্রের হচ্ছে তারা কিভাবে ধিরে ধিরে এগিয়ে যাচ্ছে, মানুষের জীবন যাত্রার মান উন্নয়ন করছে।

বাংলাদেশের উন্নতির যে তিনটা প্রধান ইন্ডিকেটর সে সম্পর্কে আগেই বলেছি, বাংলাদেশের অর্থনীতি যত খারাপ হবে তত গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রির উন্নয়ন হবে কারন তাতে মজুরি না বাড়ার কারনে গারমেন্টসে সস্তা শ্রমের জোগান চালু থাকবে।

এবং দেশে রেমিটেন্সের পরিমান বাড়া বা কমা কোন উন্নয়ন নির্দেশ করে না কারন দেশের মাত্র ৭% মানুষ রেমিটেন্সের ইম্প্যাক্টে পড়ে।

এবং সরকার এখন যেভাবে ইন্ডাইরেক্ট ট্যাক্স মানুষের কাছ থেকে ডাকাতি করে রাজস্ব আয় বাড়িয়েছে তা কোন মতেই দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির বৃদ্ধি নির্দেশ করেনা। বরং এই বৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জীবন মানে খুব খারাপ প্রভাব ফেলেছে কারন, এই রাজস্ব মুলত লুটের কাছে ব্যবহৃত হয়েছে জনগণের অর্থনৈতিক প্রগতির জন্যে নয়।

সব কিছু ধ্বংস করে আপনি কেয়ামত সে কেয়ামত ঘি খাবেন তা হয় না। এই বুম বাস্ট সাইকেল অর্থনীতির সাম্প্রতিক ইতিহাসে অনেক দেশেই ঘটছে।

বাংলাদেশ খুব অল্প দিনেই আর একটা এনরন হইতে যাইতেছে।

মুক্তিযুদ্ধের পরে বাংলাদেশ রাষ্ট্র এতো বড় বিপর্যয় আর আসে নাই।

যারা আপনার ভোট কেড়ে নিতে চাইতেছে, তাদের বিরুদ্ধে দাড়াতে হবে।

যদি দেখেন আপনার ভোট রিগিং হচ্ছে, সেইটা যদি প্রতিরোধ করতে না পারেন তবে অন্তত সেইটা ভিডিও করে আনতে হবে।
সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে হবে, এই ভন্ড লুটেরাদের আসল চিত্র।

এইটা আমাদের দেশ।
মাফিয়াদের হাত থেকে আমাদের হাতে ফিরিয়ে আনতে হবে।
আমার ভোট আমার অধিকার।
কারো অধিকার নাই, সেই টা ছিনিয়ে নেয়ার।

29 May

চাকরি নাই- বাজারে সস্তা খাবার নাই- রাস্তাঘাটে জীবনের নিরাপত্তা নাই- আইনশৃংখলা বাহিনীর হয়রানির গ্যারান্টি নাই- অতিউচ্চমূল্য দেয়ার পরও বাসায় ইলেক্ট্রিসিটি/গ্যাস/পানি নাই- রাস্তায় নামলে পরিবহণ নাই- পরিবহণ পাইলেও জ্যামের ঠিক নাই- মেয়েদের ইজ্জত বাঁচাইয়া ঘরে ফেরার নিশ্চয়তা নাই- মেধাবীদের গ্রহনযোগ্যতা নাই- কোটা ছাড়া ভবিষ্যত নাই- ব্যাংকগুলাতে কোন টাকা নাই- বিদেশে পাসপোর্টের ইজ্জত নাই- অপরাধীদের বিচার নাই …সোনার ছেলে হইলে তো কথাই নাই …

এরমাঝেই একদল লোককে দেখবেন তাঁরা বলতেছে যে – বাংলাদেশ আগায়ে গেছে কেননা তাঁর একটা শ্যাটালাইট হইছে।
দেশ আগায়া গেছে কেননা বাংলাদেশকে ইউনেস্কো সার্টিফিকেট দিছে ।
দেশ আগায়া গেছে কেননা লক্ষ লোক একলগে জাতীয় সংগীত গাইছে।
দেশ আগায়া গেছে কেননা সাফারি পড়া ভদ্রলোক গুলশান ইফতারী খাইছে আর খুশিতে চোখ মুছছে ।
দেশ আগায়া গেছে কেননা ফেসবুকে রাইস চেলেঞ্জ দিয়া এক লোক তিনলক্ষ লোককে ‘উৎসাহ” দিছে।
দেশ আগায়া গেছে কেননা বাংলাদেশে আর্জেন্টিনা-জার্মানি-ব্রাজিলের জার্সি তৈরী হইছে।
দেশ আগায়া গেছে কেননা দেশে এখন দশমিনিটেই বিজ্ঞানী পয়দা করার ইউটিউব চেনেল আছে।

বাংলাদেশে বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বড় হারামজাদা খুজে বের করতে চাইলে সবার আগে খুঁজে বের করেন সেই লোককে , যে এইসব “নাই আর নাই” দেখার পরও এই দেশে কিছু না কিছু ‘পজেটিভ’ বিষয় খুঁজে পায় , সেই ‘পজেটিভ’ বিষয় মানুষকে গেলাতে চায় , এবং সেই লোককে – যে বালছাল বুঝায়ে মোটিভেশন দেয়ার চেষ্টায় থাকে ।

বিভিন্ন অনলাইন পোলে সরকারের বিরুদ্ধে ৮০ % জনমত কেন যাচ্ছে খুব ভাবছিলাম ..যারা কনফিউশনে আছেন তারা এই লিখাটা পড়তে পারেন

১৮৪৫ সালের আগে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের কোন নির্দিষ্ট দিন ছিল না। ডিসেম্বরের প্রথম বুধবারের আগে প্রত্যেকটি স্টেইট নিজের ইচ্ছেমত নির্বাচন অনুষ্ঠান করার ৩৪ দিনের একটি উইণ্ডো পাইত। ঐকালে রেলওয়েল, গাড়ি এবং ভালো রাস্তাঘাটের অভাবে ভ্রমণ ছিল অত্যন্ত দুরহ। ভোটগ্রহন, ভোটের ফলাফল পৌছানো ইত্যাদিতে অনেক সময় লাগত। তাই এই নিয়মেই চলে যেত যুক্তরাষ্ট্রের। ১৮৪৫ এ বর্তমান নিয়মটি এডপ্ট করা হয়, নম্ভেম্বরের প্রথম মঙ্গলবার।

রাস্তাঘাট/ফ্লাইওভার/বিশাল সেতু না থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের গনতন্ত্রের ব্যাঘাত ঘটে নাই। ১৭৮৯ থেকে আজ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে একটি বারের মতও নির্বাচন বাতিল হয় নাই, পেছায় নাই, এমনকি গৃহযুদ্ধের সময়ে ১৮৬২,১৮৬৪ এর নির্বাচন ঠিক ঠাক হইছে। ইউনিয়নের যোদ্ধারা তখন দক্ষিণের কনফেডারেটদের কাছে মাইর খাইতেছে, পালে পালে কলেরাতে মারা যাচ্ছে, তারপরেও ফ্রন্টে থেকেও তারা ভোট দিছে। এই বিপুল বিপদের মাঝেও প্রতিটি সৈনিকের ভোট অনেক ক্ষেত্রে জীবনের ঝুকি নিয়েও ইলেকশন অফিশিয়ালরা যুদ্ধক্ষেত্র থেকে সংগ্রহ করে এনেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ডিক্লারেশন অফ ইণ্ডিপেণ্ডেন্স, তাদের কন্সটিটিউশন, তাদের কন্সটিটিউশনাল ডিবেইট, ফ্রেঞ্চদের ডিক্লারেশন অফ রাইটস অফ মেন এণ্ড সিটিজেন এইসবকিছুতেই দেখবেন উন্নয়নের গল্প নাই, রাস্তাঘাটের গল্প তেমন নাই।

ক্লাসিকাল লিবেরেলিজমের প্রথম স্বতঃসিদ্ধ হচ্ছে মানুষের ব্যক্তিস্বত্ত্বার সম্মান। রাষ্ট্রের ভূমিকা মানুষের নিজের ইচ্ছেকে বাস্তবায়নে বাধা না হয়ে দাঁড়ানো। রাষ্ট্রের ভূমিকা এখানে অনেকটাই প্যাসিভ।

ধরে নেয়া হয়, আত্নমর্যাদাসম্পন্ন বুদ্ধিমান মানুষের যদি ক্ষমতার কেন্দ্রগুলো হ্যারাস না করে, তার ক্ষমতা আছে নিজের ভালো নিজে করে নেয়ার। রাষ্ট্রের এইখানে যেকোন রকম অভিভাবকগিরিকে অস্বীকার করা হয়।

আধুনিক যুগে রাষ্ট্রের ভূমিকাকে আরেকটু বাড়িয়ে ধরা হয়। রাষ্ট্রকে ধরা হয় নাগরিকের জন্য অনেকটা লেভেল প্লেইং ফিল্ড তৈরী করে দিতে। এইকারনেই শিক্ষায়/স্বাস্থ্যে বিনিয়োগের পেছনে যুক্তি তৈরী হয়। তবে আধুনিক রাষ্ট্রের কেন্দ্রেও সেই ব্যক্তিমানুষ। কোন কিছুর মূল্যেই তার অধিকার হরণ করার সুযোগ নেই। কল্যাণ রাষ্ট্র কিছু কিছু খাতকে পাবলিক ওউনারশীপের আওতায় আনলেও , ব্যক্তি অধিকারকে লঙ্গন করে কখনই নয়। বরং রাষ্ট্রের ভূমিকা এখানে অভিভাবক নয়, বরং সুহৃদের মত।

সুতরাং আমার দৃষ্টিতে বিষয় খুব সাধারন।

রাস্তঘাট তথা বারোয়ারি উন্নয়নের গল্পের মূল্য আমার কাছে শুন্য যতক্ষণ পর্যন্ত মত/পথের ভিন্নতার রিপ্রেশন চলবে, আনলফুল ডিটেনশন চলবে, ফ্রীডম অফ এক্সপ্রেশনের সুযোগ শুন্য থাকবে, এমনকি সিভিল লিবার্টির মধ্যে একনম্বর যেটি, রাইট টু লাইফ, সেটিরও কোন মূল্য থাকবে না ক্রসফায়ার/গুমের ভীড়ে পরে। ইনডিগনিটির জীবনের মূল্য কনক্রীটের রাস্তাঘাটে হয় না।

নাগরিকের অধিকার নিশ্চিত করার ওয়াদা করার পরে সামাজিক চুক্তির ভিত্তিতে রাষ্ট্রের লেজিটিমেসি তৈরী হয়। লেজিটিমেইট রাষ্ট্রের নাগরিকের চলাফেলার, জীবনযাপনের সুবিধার জনে নির্বাহীবিভাগ নানা কাজ করে থাকে। সেগুলো গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু সেকেণ্ডারী। রাষ্ট্র ক্ষমতার লেজিটিমেসি না থাকলে এইসবকিছুই মূল্যহীন।

আর ইতিহাসের ন্যারেটিভ নিয়া আইডিয়ার জগতে যুদ্ধ চলুক। ইতিহাস আরো সম্মৃদ্ধ হোক। কিন্তু সকল সিভিল এবং পলিটিক্যাল রাইটস কে ঐতিহাসিক ন্যারেটিভের মুখোমুখি দাড় করানোর চেষ্টা মূলত চুড়ান্ত ধরনের বাটপাড়ি।

আর গুরুত্বপূর্ণ কথা হচ্ছে যেই ন্যারেটিভ এখন গিলানো হচ্ছে তার বিপুল অংশই “ডেরিভেটিভ”। নাগরিক অধিকার রক্ষার জন্যে সেই ইতিহাসের জন্ম হইছিল। সুতরাং সেটি হরণ করার জাস্টিফিকেশন সেই ইতিহাস হইতেই পারে না। যারা এইসব দাবী করতেছে তাদের দাবী না শুনে, নিজে ইতিহাসটুকু পইড়া নেন। এইটা খ্রীষ্টের আগের যুগের ঘটনা না। অধিকাংশ ঘটনার অরিজিন্যাল সোর্স ম্যাটেরিয়ালই পাওয়া যায়। ঘটনার ক্রনলজি এবং ঐ ঘটনাগুলো ঐসময়ে কিভাবে ইন্টারপ্রেট করা হইছিল এইসবেরও দুর্দান্ত কম্পাইলেশন অসংখ্য বইপত্রে আছে। পেটমোটা করার এজেণ্ডা নিয়ে যারা গত দশবছরে আবির্ভূত হয়েছে, আর যাদের পতন হয়েছে, এইসবার কথাবার্তা না শুনলেও, আপনি মোটামুটি ধারনা পেয়েযাবে কেন এবং কিভাবে সবকিছু হয়েছিল।

তাইলে এই সিদ্ধান্তে আপনি নিশ্চিত হইতে পারবেন, আজকে আপনার যেই অধিকারসমূহকে অস্বীকার করা হচ্ছে, সেই অধিকার নিশ্চিত করনের জন্যেই ইতিহাস সংগঠিত হইছিল।

তাইলে শেষ পর্যন্ত মূল বিষয় খুব সাধারন।

কে আপনাকে অধিকার রক্ষার বাস্তবায়ন তো দূরে থাক, প্রতিশ্রুতি পর্যন্ত লজ্জায় দিতে পারতেছে না।

বাকিটুকু আপনার বিবেচনা।

ফ্যাসিবাদের পতন ঘনিয়ে এসেছে

বিশেষ ভবনের লিখে দেয়া প্রেসক্রিপশনের জুডিশিয়াল ভার্সন হলো “রায়”। একজনের মর্জি মতো বিচারকদের রায় দিতে হয়। সুরেন্দ্র কুমার সিনহা তার বইতে বিস্তারিত বলেছেন এই নিয়ে। দেশে যে আইনের শাসন নাই এটা দেশের প্রতিটা জনগন জানে। একের পর এক ফাঁসির দন্ড মওকুফ হয়, লাখ লাখ বিনিয়োগকারীকে পথে বাসানোর মামলায় সালমান এফ রহমানের মামলা বাতিল হয়, দুর্নীতি প্রমানিত হওয়া মন্ত্রী মায়ার ১৩ বছরের জেল বাতিল হয়। লক্ষীপুরে তাহের পুত্র বিপ্লব জেলে বসে সন্তানের বাবা হয়। দুদকের এখতিয়ার বহির্ভূত মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা হয়। তাই এই আদালতের অনৈতিক রায় নিয়ে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই।

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় তৃতীয়বারে সম্পুরক চার্জশিট দেয় অবসর যাওয়া পুলিশ কর্মকর্তা। এই মামলায় মুফতি হান্নানের তিনরকম জবানবন্দি আছে আদালতের নথিতে। তারপরও রায় কি হবে তা জানা। এই রায়ে আলাদা প্রতিক্রিয়া দেখানোর কিছু নাই। বরাবরের মতো সরকারের একটা ফ্যাসিবাদী কর্মকাণ্ড ধরে নিতে হবে। ফ্যাসিবাদের নিশ্চিত পতন হবেই। ন্যায় বিচার অবশ্যই প্রতিষ্ঠিত হবে । সমস্ত অবিচারের বিচার হবে তখন। তাই এখনকার এই উস্কানিমূলক রায়ে নির্লিপ্ত প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে সরকারের পাতা ফাঁদ ব্যর্থ করে দিবে বিএনপি। ফ্যাসিবাদের পতন ঘনিয়ে এসেছে। বিজয় জনগনেরই হবে, ইনশাআল্লাহ।

গড মাদার হাসিনা আর মাফিয়াদের খপ্পরে বাংলাদেশ

বাংলাদেশের বর্তমান অবৈধ প্রধানমন্ত্রী গডমাদার হাসিনা এবং মাফিয়াদের আপন ভাই সেনাপ্রধান আজিজকে নিয়ে আল জাজিরার ডকুমেন্টারিটি খুবই সময় উপযোগী একটি বার্তা। হাসিনা এইসব মাফিয়াদের সাহায্যেই বিরোধী দলীয় লোকজনদের গুম করে হত্যা করতো। এটা কমবেশি অনেকেই জানেন।
কিন্তু, এত প্রমানসহ ডকুমেন্টারি দেখার পরও আওয়ামী নামক ছাগলের দল বলে বেরাচ্ছে এটা নাকি গুজব। আর সরকার থেকে বলা হচ্ছে এটি নাকি “অপপ্রচার”। কতবড় ছাগলের দল আওয়ামীলীগ এখন বুঝুন সবাই। দুইদিন আগেও আমি মায়ানমারের সুচির কথা লেখার সময় হাসিনার কথা বলেছিলাম কিভাবে তিনি সামরিক বাহিনীর কন্ট্রোল করার ক্ষমতা নিয়েছে শুধুমাত্র তাঁর বিরোধী সবাইকে গুম করে হত্যা করার জন‍্য। সেই সাথে তিনি দুর্নীতি করার লাইসেন্স দিয়েছেন মাফিয়াদেরকে যেন তারা হাসিনার বিরোধীদেরকে হত‍্যা করে হাসিনার ক্ষমতা ঠিক রাখে।
এরপরও কুত্তালীগের ঘেউ ঘেউ থামছেই না বরং গলা ফাটিয়ে বলে বেরাচ্ছে এটা নাকি অপপ্রচার।
যাহোক, হাসিনার দুঃশাসন, দুর্নীতির কথা সারাদিন রাত লিখেও শেষ করা যাবে না। আমার সোনার বাংলাদেশকে বানিয়েছে মাফিয়াদের আড্ডাখানা। সবকিছুর বিচার হবে কড়ায়-গন্ডায়। কোনো ছাড় হবে না এবার।
পরিশেষে, এখনো যারা হাসিনার পক্ষে ঘেউ ঘেউ করছে তাদেরকে ডাস্টবিনে ছুড়ে ফেলার সময় এসেছে। তাই বাংলাদেশের জনগনদের বলছি, এতদিন আমাদের কথা যদি বিশ্বাস না করে থাকেন এবারতো প্রমাণসহ সব দেখলেন, বুঝলেন। এখন আর চুপ করে বসে থাকার সময় নয়। নেমে পরুন রাজপথে আর ভেঙ্গে ফেলুন হাসিনার সাম্রাজ্য, দেশকে করুন পরিশুদ্ধ।

নতুন স্বদেশ গড়ার প্রত‍্যয়ে

এক দিকে সুচি, অন্য দিকে হাসিনা

আমাদের দেশের মানুষের সব বিষয়ে দায়িত্ব দেখানোর অথবা সব বিষয়ে নাক গলানোর প্রবণতা খুবই বেশী, বিশেষ করে অন্য দেশের বিষয়ে। আজকে ফেসবুক খুলে দেখলেই দেখবেন যে, মায়ানমার দেশের প্রধানমন্ত্রী অং সাং সুচিকে সেদেশের সেনাবাহিনী আটক করেছে। আর এদিকে আমরা যার যার মত করে বিশ্লেষণ করে পোষ্ট করছি কিংবা কমেন্ট করছি।
যাহোক, আসল বিষয়ে আসি। যতটুকু জানা যায় সুচিকে গ্রেফতারের কারণ দেখানো হয়েছে যে,”তাঁর দল গত নির্বাচনে ভোট কারচুপি করে ক্ষমতায় এসেছে”। সেদেশের সেনাবাহিনী মনে করেছে যে জনগনের ভোট চুরি করা মহা অন‍্যায়। তাই তাঁরা সেদেশের ক্ষমতাসীনদের আটক করেছে অথবা গ্রেফতার করেছে।
আর এদিকে আমাদের বিচার, বিশ্লেষণের শেষ নেই। কেউ বলছে সুচি লেডি হিটলার। কেউ বলছে যে সেনাবাহিনী দিয়ে রোহিঙ্গাদের উপর গনহত‍্যা চালিয়েছিলো,আজ সেই সেনাবাহিনী তাঁকে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে।
এবার আমাদের কথা বলি। 2008 সাল থেকে আজ পর্যন্ত, জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যন্ত কোথায় আপনারা ভোট চুরির খবর পাননি? এখনতো আওয়ামী নামক হাসিনা দলীয় লোকজন ভোট চুরি করে না, তারা জোর করে ভোট ডাকাতি করে ছিনতাই করে। কই আপনারাতো এর বিরোধীতা করেন না। আমাদেরও তো অহংকার করার মতো একটি সুগঠিত সেনাবাহিনী আছে। কই তাঁরাতো কিছুই বলে না। সবকিছু দেখেও না দেখার ভান করে বসে থাকে। আর পুলিশের কথাতো বাদই দিলাম। এরাতো বসে আছে আওয়ামী নামক বিষাক্ত জন্তুদের গোলামী করার জন‍্য। গনতন্ত্র নামক একটা শব্দ আছে এরা সেটা মাটিচাপা দিয়ে রেখেছে। জনগন কি,এবং কারা অথবা এদের অধিকার কি কুত্তালীগের লোকেরা এটা জানেই না, বোঝে না, কিংবা বুঝতে দেয় না।
এখন প্রশ্ন হলো এমনটা কেনোই বা হচ্ছে? এর বড়ো একটা কারন হলো অযোগ্য লোকেরা আজ বড় বড় পজিশনে। সরকারি চাকুরী থেকে শুরু করে হাসিনালীগের সব পদে পদে অযোগ্য লোকদের ছড়াছড়ি। হাসিনা এদেরকে সুকৌশলে পজিশনে রেখেছে যেনো এরা হাসিনার অন‍্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতে না পারে। আরো একটা গুরুত্বপূর্ণ কারন হলো ক্ষমতার লোভ। হাসিনা তাঁর ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে যে কাউকেই মেরে ফেলতে কিংবা গুম করতে দ্বিতীয়বার চিন্তা করে না কিংবা করবে না। এর জন‍্যই সকল ক্ষমতা হাসিনা কেন্দ্রিক। যারা জানেন তাঁরাই বুঝবেন কিভাবে হাসিনা সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে সরিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আনেন। এই এককেন্দ্রীক ক্ষমতাই একটি রাষ্ট্রের, একটি দেশের ধ্বংসের জন‍্য যথেষ্ট।
এর প্রমাণও আছে হাজারো যেমন ধরুন, দূর্ণীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, আইনের কোনো প্রয়োগ না হওয়া। আমরা পদ্মা সেতু নিয়ে অনেক উচ্ছসিত। কেনইবা নয়? পদ্মা সেতু আমাদের অতি প্রয়োজন। কিন্ত একটিবার হিসাবটা মিলিয়ে নিয়েছেন কত টাকা লাগছে এটি তৈরী করতে। প্রতি কিলোমিটারে পাঁচ হাজার কোটি টাকার উপরে লেগেছে। আপনি অন‍্যান‍্য দেশের বড় বড় সেতুর খরচ সম্পর্কে জেনে দেখুন। তারপর আপনি ব‍্যবধানটা বুঝতে পারবেন। আপনি এগুলো বতর্মান সময়ে ইন্টারনেটের কল‍‍্যাণে খুব সহজেই পেয়ে যাবেন। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতে যেখানে উন্নতমানের হাইওয়ে করতে কিলোমিটার প্রতি ১০ কোটি খরচ হয়। আর আমাদের দেশে একটি মোটামুটি মানের রাস্তা তৈরি করতে প্রতি কিলোমিটারে খরচ হয় ১০০ কোটি টাকা। আপনারা রিসার্চ করে দেখুন। তখন সব বুঝতে পারবেন দেশ আজ কোথায়??
আমার আগের লেখাগুলোতে আমি বার বার বলেছিলাম ৩০% কমিশনের কথা। এটা শুধু আওয়ামী নামক বড় বড় রাঘববোয়ালদের কমিশন। এরপর আরো আছে সরকারি চাকুরিওয়ালের কমিশন, এর পরে আছে স্থানীয় পাতিনেতাদের কমিশন। এটা দেশের উন্নয়ন নয়। এটা আওয়ামীলীগ নামক এক বিকৃতমস্তিষ্ক দলের উন্নয়ন। আর গডমাদার হচ্ছে হাসিনা। তিনি সবাইকে দূণীতি করার সনদ দিয়েছেন যাতে করে কেউ তাঁর বিরুদ্ধে কথা না বলে।
পরিশেষে, এক সুচি নিয়ে চিন্তা করার সময় নয়। সুচি সেনাবাহিনী দিয়ে রোহিঙ্গাদের হত‍্যা করে সেদেশ থেকে বের দিয়েছে। অথচ ক্ষমতালোভী হাসিনা তাঁর নিজের দেশের কত মানুষকে গুম করে হত্যা করেছে এই ১৫ বছরে সে হিসেবে মায়ানমারের রোহিঙ্গা গনহত‍্যা একটি সংখ্যা মাত্র। নিজের দেশের মানুষের মৌলিক অধিকার সুনিশ্চিত না করে অন‍্য দেশকে বিচার করা মানায় না। আর নিজের দেশকে পরিশুদ্ধ করতে হাসিনালীগের পতন অনিবার্য। তাই নেমে পরুন মানবতার পথে, দেশকে করুন শুদ্ধ। আর ভেঙ্গে ফেলুন হাসিনালীগের সাম্রাজ্য। ছুড়ে ফেলে দিন বঙ্গোপসাগরে।

নতুন স্বদেশ গড়ার প্রত‍্যয়ে

সুশাশন-ভিসন ২০৩০

(১) মানবধিকার সম্পর্কিত জাতিসংঘের সর্বজনীন ঘোষনা বাস্তবায়ন করা হবে।
(২) গনতান্ত্রিক ও অর্থনৈতিক সুশাষনের জন্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ( যেমন নির্বাচন কমিশন,পাবলিক সার্ভিস কমিশন,কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল,এটর্নি জেনারেল ইত্যাদি) এবং সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলো ( যেমন দুর্নীতি দমন কমিশন,তথ্য কমিশন,মানবাধিকার কমিশন,আইন কমিশন,বিশ্ববিদ্যালয় মন্জুরি কমিশন ইত্যাদি ) স্বার্থপর ও দলীয়তার কালিমা মুক্ত করে এগুলো দক্ষতা,স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযাগ্যতা পুন:প্রতিষ্ঠার জন্য আইনি ও প্রক্রিয়াগত পদক্ষেপ নেবে বিএনপি।
(৩) বিগত দিনগুলো সংকীর্ন দলীয় স্বার্থে জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলো অকার্যকর করে ফেলা হয়েছে। এ কারনেই ব্যক্তির বিশ্বাস অবিশ্বাস এবং দলীয় আনুগত্য বিবেচনার না নিয়ে কেবলমাত্র সততা দক্ষতা মেধা যোগ্যতা দেশ প্রেম বিচার ক্ষমতার উপর নির্ভর করে রাষ্ট্রের প্রশাসন যন্ত্র পুলিশ এবং প্রতিষ্ঠানগুলো কার্যরারিতা নিশ্চিত করবে বিএনপি।
(৪) প্রশিক্ষন অভিজ্ঞতা সততা মেধার উৎকর্ষ এবং সৃজনশীলতাকে বেসামরিক ও সামরিক প্রশাসনে যোগ্যতার মাপকাঠি হিসেবে গ্রহন করা হবে।দলীয় ও সকল প্রকার আইনবহির্ভূত হস্তক্ষেপ অবসান ঘটিয়ে বিচার বিভাগ প্রসাশন ও পুলিশ বাহিনীর আইনানুগত কর্তব্য পালনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে ।
(৫) বিএনপি দুর্নীতির সাথে কোন আপোষ করবে না. সমাজের সর্বস্তরের দুষ্টক্ষতের মত ছড়িয়ে পড়া দুর্নীতির রাশ টেনে ধরার জন্য পদ্ধতিগত ও আইনের সংস্কারের পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে।
(৬) বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ বাতিল করা হবে।
(৭)প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিত নিশ্চিত করার জন্য সংবিধান অনুযায়ী ন্যায়পাল(ombudsman) এর পদ সৃষ্টি করা হবে।
(৮) বাংলাদেশ আজ নিরাপওাহীন ঝুকিপূর্ন এক জনপদে পরিনত হয়েছে।মার্তৃগর্ভেও শিশুর নিষ্ঠুর অপরাধের থাবা থেকে মুক্ত নয়।বিচারলয় আজ বিরোধী মতের নেতা কর্মীদের দমনে ব্যবহৃত হওয়ার ফলে বিচার প্রার্থীরা আদালতের সেবা থেকে বন্চিত হচ্ছে। দেশে আশংকাজনকভাবে বিচারহীনতা যে সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে তা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে সুবিচার নিশ্চিত করতে হবে।সে লক্ষ্যে জনপ্রশাসন বিচার ,পুলিশ ও কারাগার এই চার প্রতিষ্ঠান কে সংস্কারের মাধ্যমে এসব প্রতিষ্ঠানকে স্বচ্ছ, দক্ষ আধুনিক ও যুগপোযোগী করে গড়ে তোলা হবে।
(৯) বিএনপি মানবিক মূল্যবোধ ও মানুষের মর্যাদায় বিশ্বাসী আইনের শাসনের প্রতি অঙ্গীকারাবদ্ধ।অবশ্যই আইনের শাসনের নামে কোন প্রকার কালা কানুন শাসন গ্রহনযোগ্য হবে না।বিএনপি সকল প্রকার কালা আইন বাতিল করবে।সকল প্রকার নিষ্ঠুর আচরন থেকে মানুষকে মুক্ত রাখার লক্ষ্যে বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড গুম খুন এবং অমানবিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অবসান ঘটাবে বিএনপি।
(১০) বিচার বিভাগের কার্যকর স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা প্রতিষ্ঠা করে জনগনের জন্য ন্যায় বিচার ও আইনের শাসন নিশ্চিত করা হবে।অধস্তন আদালতের নির্বাহী বিভাগের আওতামুক্ত করার লক্ষ্যে সুপ্রিম কোর্টের অধীনে পৃথক সচিবালয় স্থাপন করা হবে।
(১১) পুলিশ কনস্টবল/ট্রাফিক পুলিশ এবং এএসআই পর্যন্ত নিম্ন পদস্থ পুলিশ কর্মকর্তাদের মাঠ পর্যায়ে একটানা ৮ ঘন্টার বেশী দায়িত্ব দেয়া হবে না/দায়িত্ব পালনে বাধ্য করা হবে না।ঝুকিপূর্ন দায়িত্ব পালনে কর্মঘন্টা হারে যুক্তিসংগত ওভার টাইম ভাতা প্রদান করা হবে।এএসআই থেকে কনস্টেবল পর্যন্ত পুলিশের আবাসন সমস্যা সমাধানের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।
(১২) দ্রব্যমূল্যের সাথে সঙ্গতি রেখে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন ভাতাদি ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করা হবে।
(১৩)একটি দক্ষ স্বচ্ছ গতিশীল মেধাবী জবাবদিহিতামুলক যুপগোযোগী ও গনমুখী জনপ্রশাসন গড়ে তোলা হবে ।মেধার মূল্যায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া যথাযথ সংস্কার করা হবে।মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ,নারী ও প্রান্তিক জাতি গোষ্ঠী কোটা ব্যতিরেকে কোটা পদ্ধতি বাতিল করা হবে । সকল পর্যায়ে ই গভার্ন্যান্স চালু করা হবে।জনপ্রশাসন দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশে বিদেশে প্রশাষনের ব্যবস্থা করা হবে।
(১৪) প্রয়োজনীয় সংখ্যক যোগ্য বিচারক নিয়োগ দিয়ে মামলার জট কমিয়ে আনা হবে ।
(১৫) এটা সর্বসম্মত স্বীকৃত যে বর্তমানে বিচার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নেই। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন আদালতের বিচারক নিয়োগ পদোন্নতি,পদতল এবং কর্ম নির্ধারনের জন্য একমাএ বিবেচ্য নিয়োগ করা হবে ।যোগ্যতা,মেধা ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সাংবিধানিক আলোক বিচারপতি উর্ধে উঠে জ্ঞান প্রজ্ঞা নীতিবোধ দেশপ্রেম বিচার বোধ ও সুনামের কঠোর মানদন্ডে যাচাই করে উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগ করা হবে।নিয়োগের জন্য বাচাইকৃত ব্যক্তিদের তথ্য ও সম্পদের বিবরন জনগনের জন্য উন্মুক্ত করা হবে ।

দেশের পরিস্থিতি ভয়াবহ! ডি জি এফ আই এবং সেনাবাহিনী মুখোমুখি

সবাইকে একটু কষ্ট করে পড়ার জন্য অনুরোধ রইল। সবাই একটু কষ্ট করে পড়েন
এগুলি আপনাদের জানার দরকার
দেশের পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ!
বাংলাদেশের ইতিহাসে কখনো প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই (Directorate General Forces Intelligence) এবং সেনাবাহিনীর নিজস্ব গোয়েন্দা সংস্থা এএসইউ এভাবে পরষ্পর মুখোমুখি হয়নি। সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ তাঁর সেনাভবনের চারপাশে ASU (Army Security Unit) এর দ্বারা নিরাপত্তা বৃদ্ধি করেছেন।
ওদিকে গতকাল ডিজিএফআইয়ের প্রধান মেজর জেনারেল সাইফুল গিয়েছিলেন ঢাকার নিকটবর্তী সাভার ক্যান্টনমেন্টে নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি’র সাথে দেখা করতে, ASU এবিষয়ে সব খবর নখদর্পনে রেখেছে।
ঢাকা সেনানিবাসের (শক্তিশালী স্বতন্ত্র ব্রিগেড) ৪৬ পদাতিক ব্রিগেডের কমাণ্ডার ব্রিগেডিয়ার মোস্তাফিজকে শীঘ্রই তাঁর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে পাঠানো হচ্ছে বিদেশে।
ডিজিএফআইয়ের সাবেক প্রধান এবং হিন্দুস্তানি এজেন্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল মামুন খালেদ হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার সাথে সাথে বিদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সারাদেশের সকল জায়গা থেকে ডিজিএফআইয়ের সদস্যদেরকে ক্লোজ করে ঢাকায় তাদের জনবল বৃদ্ধি করা হয়েছে।
ঢাকা সেনানিবাসে ডিজিএফআইয়ের সংখ্যা এবং শক্তি অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি।
শুধু তাই নয়, ডিজিএফআইয়ের লোকজন ২৪ ঘন্টা তৎপর রয়েছেন এমনভাবে যে, তাদের ডিউটির জায়গায় খাবার পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে গাড়িতে করে।
অন্যদিকে চীনপন্থী হিসেবে পরিচিত (সম্ভাব্য আগামী সেনাপ্রধান) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাহফুজ তিনঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অবঃ) তারেক আহমেদ সিদ্দিকীর বাসায়।
জেনারেল (অবঃ) তারেক সিদ্দিকীর বাসার পাশ দিয়ে সেনাবাহিনীর একটা পাখি উড়ে গেলেও তার চাকরি চলে যায়, সেখানে সেনাপ্রধানের অনুমতি ছাড়া লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাহফুজ তিনঘন্টা ধরে কী করলেন?
থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে ঢাকা সেনানিবাসে। সরকার টেলিভিশনে ব্রেকিং নিউজ দিয়ে বলেছে গুজবে কান না দিতে, আসল সত্য থেকে জনগণকে দূরে রেখেছে।
ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য দেশকে গৃহযুদ্ধের দিকে নিয়ে যাচ্ছে বাকশাল মুজিবের কুলাঙ্গার কন্যা ক্ষমতালোভী হাসিনা।
পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রতীয়মান হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী এবং সেনাপ্রধান মুখোমুখি।
নিয়মানুযায়ী ডিজিএফআই রিপোর্ট করে প্রধানমন্ত্রীকে এবং এএসইউ রিপোর্ট করে সেনাপ্রধানকে।
নিয়ম ঠিক থাকলে ডিজিএফআই এবং এএসইউ মুখোমুখি হওয়ার অর্থ হচ্ছে সেনাপ্রধান এবং প্রধানমন্ত্রী কেউ কাউকে বিশ্বাস করছেন না, আবার সরিয়েও দিতে পারছেন না।
যে কোনো সময় ঘটে যেতে পারে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার কারণ সচেতন মহলের সকলেই জানেন।
কিছু দিন আগেই সেনাপ্রধানের একটি ফোনালাফ ভাইরাল হয়েছে যাতে সেনাপ্রধান তাঁর এক বন্ধু কর্ণেল (অবঃ) শহীদকে বলেছেন, বাংলাদেশের সকল গুম খুনের সাথে সরকার জড়িত।
মূলত ঐ ঘটনার পর থেকেই জেনারেল আজিজ কে সেনাপ্রধানের পদ থেকে সরানোর চেষ্টা চলছে। জেনারেল আজিজ সরকারের এই সিদ্ধান্ত মানতে নারাজ এবং তিনি তাঁর বলয় শক্তিশালী করছেন।
দেখা যাক কী হয়।
বাংলাদেশের মানুষ যেকোন মূল্যে ফ্যাসিবাদের পতন চায়।
দাগ থেকে যদি দারুণ কিছু হয় তাহলে তো দাগই ভালো।
গণতন্ত্রের নামে হিটলারের শাসনের চেয়ে সামরিক সরকার অনেক ভালো।
বাংলাদেশের মানুষ একটি পরিবর্তন চায়, পরিবর্তনের বার্তা নিয়ে আগত সেনা সমর্থিত নতুন সরকার কে মুক্তিকামী জনতা স্বাগত জানাতেই পারে।
বাকশালের পতনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের মানুষ যেভাবে আওয়ামী অত্যাচার এবং একনায়কতান্ত্রিক শাসন থেকে মুক্তি পেয়ে ঘরে ঘরে মিষ্টি বিতরণ করেছিল।
ঠিক একইভাবে আবারও যেকোন দিন, যেকোন সময়ে আরেকবার দেশের মানুষ মিষ্টি বিতরণের অপেক্ষায়__

সহকর্মী হত্যায় ক্যান্টনমেন্টে ভয়াবহ উত্তেজনা

টেকনাফ পুলিশ কর্তৃক মেজর (অব.) সিনহা রাশেদ কে হত্যার পরে কক্সবাজারের রামুতে অবস্থিত ১০ম পদাতিক ডিভিশনে প্রচন্ড সেনা বিদ্রোহ দেখা দেয়। উল্লেখ্য, নিহত মেজর সিনহা এই ডিভিশনের ব্রিগেড মেজর ছিলেন। ফলে এই ডিভিশনের সেনা অফিসাররা এমনকি সৈনিকরাও এতটাই উত্তেজিত হয়ে পড়েন যে, ৪ আগস্ট মঙ্গলবার ৪০/৪৫ জন সেনা অফিসার (মেজর, লে. কর্নেল, কর্নেল) ভারী অস্ত্র এবং যানবাহনে সজ্জিত হয়ে ক্যান্টনমেন্ট থেকে বেরিয়ে পড়ার প্রস্ততি নিতে থাকেন, উদ্দেশ্য মেজর সিনহা রাশেদের খুনী দারোগা লিয়াকত, ওসি প্রদীপ, এসপি মাসুদ, এবং আরও যে কয়টা জড়িত, সবগুলোকে তুলে এনে ক্যান্টমেন্টে বন্দী করা। অতঃপর তারা নিজেরাই বিচার করবে।
দ্রুতই এই খবর পৌঁছে যায় ১০ম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মো. মাঈন উল্লাহ চৌধুরীর কানে। তিনি ছুটে এসে অফিসারদেরকে বুঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু অফিসাররা অনড়। শেষে তিনি ১২ ঘন্টা সময় চেয়ে নেন। এর মধ্যে খবরটি সেনাপ্রধান হয়ে মিডনাইট প্রধানমন্ত্রীর কানে পৌঁছায়। তিনি মারাত্মক টেনশনে পড়ে যান। সেনাপ্রধান আজিজ এবং আইজিপি বেনজিরকে নির্দেশ দেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে কক্সবাজারে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে এবং যা ব্যবস্থা নেয়ার নিতে। পরদিন সকালেই সেনাপ্রধান রামু সেনানিবাসে পৌঁছান, অফিসারদের সাথে কথা বলেন, সর্বোচ্চ বিচারের আশ্বাস সেন, তার ওপর আস্থা রাখতে বলেন। অতঃপর আইজিপিকে সাথে নিয়ে ঘটনাস্থলে যান, যৌথ প্রেস কনফারেন্স করেন, মামলা হয়, আসামীরা এরেস্ট/সারেন্ডার হয়, রিমান্ড মঞ্জুর হয়। কিন্তু পরিস্থিতি উত্তপ্তই থাকে। আইএসপিআর থেকে বলা হয়, পুলিশের নির্মমতার এটাই শেষ ঘটনা, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সেনা-পুলিশ যৌথ টহল হবে।
রামু সেনানিবাসে বিদ্রোহের খবর অন্যান্য ক্যান্টনমেন্টে পৌঁছালে প্রতিটায় সেনা ও অফিসারদের মধ্যে উত্তজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়ভাবে প্রতিটি ক্যান্টনমেন্টে দরবার অনুষ্ঠিত হয়, সেখানে ট্রুপরা মেজর সিনহা রাশেদ হত্যার বিচার নিয়ে পয়েন্ট দিতে থাকে। সৈনিক থেকে অফিসার সবার এক কথা- মেজর রাশেদ হত্যার দৃষ্টান্তমূলক চরম শাস্তি না হলে সেনাবাহিনী নিজেরাই ব্যবস্থা নিবে। প্রতিটি এরিয়া থেকে অফিসার ও জওয়ানদের মনোভাব এবং অবস্থা সেনাপ্রধানকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে।
এখন পরবর্তী ৭দিন দেখার পালা- কী হয়। এরই মাঝে সরকারের পক্ষ থেকে সিনিয়র মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের অবশ্য ফোঁড়ন কেটেছেন, মেজর রাশেদ হত্যাকে পুঁজি করে সরকার পতনের চেষ্টা করছে কেউ কেউ! কিন্তু এ হত্যার উপযুক্ত বিচার না হলে সেনাদের বিচার যে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, তা বোধ হয় তারা কেনো, কেউই জানে না!
উল্লেখ্য, কুখ্যাত ইয়াবা সম্রাট বদির সিন্ডিকেটের প্রধান ব্যক্তি হলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ইয়াবা সিন্ডিকেটের বিষয়ে বিশদ তদন্ত করলে ওবায়দুল কাদেরের নাম আসবে।

ভাবার্থ – বাঘ পোষ মানা হলেও তার লেজ দিয়ে কখনও কান চুলকাতে যাবেন না।