দেশের পরিস্থিতি ভয়াবহ! ডি জি এফ আই এবং সেনাবাহিনী মুখোমুখি

সবাইকে একটু কষ্ট করে পড়ার জন্য অনুরোধ রইল। সবাই একটু কষ্ট করে পড়েন
এগুলি আপনাদের জানার দরকার
দেশের পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ!
বাংলাদেশের ইতিহাসে কখনো প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই (Directorate General Forces Intelligence) এবং সেনাবাহিনীর নিজস্ব গোয়েন্দা সংস্থা এএসইউ এভাবে পরষ্পর মুখোমুখি হয়নি। সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ তাঁর সেনাভবনের চারপাশে ASU (Army Security Unit) এর দ্বারা নিরাপত্তা বৃদ্ধি করেছেন।
ওদিকে গতকাল ডিজিএফআইয়ের প্রধান মেজর জেনারেল সাইফুল গিয়েছিলেন ঢাকার নিকটবর্তী সাভার ক্যান্টনমেন্টে নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি’র সাথে দেখা করতে, ASU এবিষয়ে সব খবর নখদর্পনে রেখেছে।
ঢাকা সেনানিবাসের (শক্তিশালী স্বতন্ত্র ব্রিগেড) ৪৬ পদাতিক ব্রিগেডের কমাণ্ডার ব্রিগেডিয়ার মোস্তাফিজকে শীঘ্রই তাঁর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে পাঠানো হচ্ছে বিদেশে।
ডিজিএফআইয়ের সাবেক প্রধান এবং হিন্দুস্তানি এজেন্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল মামুন খালেদ হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার সাথে সাথে বিদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সারাদেশের সকল জায়গা থেকে ডিজিএফআইয়ের সদস্যদেরকে ক্লোজ করে ঢাকায় তাদের জনবল বৃদ্ধি করা হয়েছে।
ঢাকা সেনানিবাসে ডিজিএফআইয়ের সংখ্যা এবং শক্তি অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি।
শুধু তাই নয়, ডিজিএফআইয়ের লোকজন ২৪ ঘন্টা তৎপর রয়েছেন এমনভাবে যে, তাদের ডিউটির জায়গায় খাবার পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে গাড়িতে করে।
অন্যদিকে চীনপন্থী হিসেবে পরিচিত (সম্ভাব্য আগামী সেনাপ্রধান) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাহফুজ তিনঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অবঃ) তারেক আহমেদ সিদ্দিকীর বাসায়।
জেনারেল (অবঃ) তারেক সিদ্দিকীর বাসার পাশ দিয়ে সেনাবাহিনীর একটা পাখি উড়ে গেলেও তার চাকরি চলে যায়, সেখানে সেনাপ্রধানের অনুমতি ছাড়া লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাহফুজ তিনঘন্টা ধরে কী করলেন?
থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে ঢাকা সেনানিবাসে। সরকার টেলিভিশনে ব্রেকিং নিউজ দিয়ে বলেছে গুজবে কান না দিতে, আসল সত্য থেকে জনগণকে দূরে রেখেছে।
ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য দেশকে গৃহযুদ্ধের দিকে নিয়ে যাচ্ছে বাকশাল মুজিবের কুলাঙ্গার কন্যা ক্ষমতালোভী হাসিনা।
পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রতীয়মান হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী এবং সেনাপ্রধান মুখোমুখি।
নিয়মানুযায়ী ডিজিএফআই রিপোর্ট করে প্রধানমন্ত্রীকে এবং এএসইউ রিপোর্ট করে সেনাপ্রধানকে।
নিয়ম ঠিক থাকলে ডিজিএফআই এবং এএসইউ মুখোমুখি হওয়ার অর্থ হচ্ছে সেনাপ্রধান এবং প্রধানমন্ত্রী কেউ কাউকে বিশ্বাস করছেন না, আবার সরিয়েও দিতে পারছেন না।
যে কোনো সময় ঘটে যেতে পারে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার কারণ সচেতন মহলের সকলেই জানেন।
কিছু দিন আগেই সেনাপ্রধানের একটি ফোনালাফ ভাইরাল হয়েছে যাতে সেনাপ্রধান তাঁর এক বন্ধু কর্ণেল (অবঃ) শহীদকে বলেছেন, বাংলাদেশের সকল গুম খুনের সাথে সরকার জড়িত।
মূলত ঐ ঘটনার পর থেকেই জেনারেল আজিজ কে সেনাপ্রধানের পদ থেকে সরানোর চেষ্টা চলছে। জেনারেল আজিজ সরকারের এই সিদ্ধান্ত মানতে নারাজ এবং তিনি তাঁর বলয় শক্তিশালী করছেন।
দেখা যাক কী হয়।
বাংলাদেশের মানুষ যেকোন মূল্যে ফ্যাসিবাদের পতন চায়।
দাগ থেকে যদি দারুণ কিছু হয় তাহলে তো দাগই ভালো।
গণতন্ত্রের নামে হিটলারের শাসনের চেয়ে সামরিক সরকার অনেক ভালো।
বাংলাদেশের মানুষ একটি পরিবর্তন চায়, পরিবর্তনের বার্তা নিয়ে আগত সেনা সমর্থিত নতুন সরকার কে মুক্তিকামী জনতা স্বাগত জানাতেই পারে।
বাকশালের পতনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের মানুষ যেভাবে আওয়ামী অত্যাচার এবং একনায়কতান্ত্রিক শাসন থেকে মুক্তি পেয়ে ঘরে ঘরে মিষ্টি বিতরণ করেছিল।
ঠিক একইভাবে আবারও যেকোন দিন, যেকোন সময়ে আরেকবার দেশের মানুষ মিষ্টি বিতরণের অপেক্ষায়__

Leave a comment