ক’দিন আগেই সংবাদমাধ্যম এবং সরকারদলীয় লোকজন ইইউ’র বিকৃত বরাতে খুব সন্তুষ্টি নিয়ে বলছিলো যে, বাংলাদেশে নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের পরিবেশ/সক্ষমতা নাকি সন্তোষজনক! এজন্যেই ইইউ পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে না! কিন্তু হাউস অব কমন্স বলছে ভিন্নকথা। সাম্প্রতিক ঘটনাবলী হাউস অব কমন্স এর এই মূল্যায়ন চোখ বন্ধ করে মেনে নিতে বাধ্য করছে। নির্বাচন শুরুর প্রাক্কালেই ওসি/ডিসির অভিনন্দন, আপ্যায়নে সিক্ত/পরিতৃপ্ত হচ্ছেন সরকারদলীয় মনোনীতরা।
অন্যদিকে, পুলিশের দাবড়ানি আর আদালতের ন্যায়বিচারের (!!) বলী হতে হচ্ছে ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থীদের। মনোনয়ন পেয়েই কেউ নির্বাচনী ব্যয় যোগারের ধান্দায় সাপের বিষ পাচারে জড়িয়ে পড়ছেন। কেউ আবার মনোনয়নপত্র জমা দিয়েই নিখোঁজ হয়ে যাচ্ছেন প্রতিপক্ষকে ওয়াকওভার দিতে! পুরানো, গায়েবী মামলার দয়াতে কিছু ভাগ্যবানের ঠিকানা হচ্ছে কারাগারে। আবার কারো কারোর মনোনয়নপত্র গ্রহণ না করে সমূহ বিপদ আপদ থেকে রক্ষার আপ্রাণ চেষ্টাও করেছেন দায়িত্ববান কর্মকর্তারা। এবং যথারীতি ইসি এইসব বৈপরীত্যে চোখ-মুখ-কান বন্ধ রেখে কেমন করে স্ট্যাচু হয়ে থাকতে হয়, তা হাতেকলমে শিখিয়ে দিচ্ছে নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের।
কোন দাবী আদায় ব্যতিরেকেই এই অসম নির্বাচনী লড়াইয়ে নেমে পড়ে বিএনপি যে ‘অপ্রত্যাশিত’ ঘটনা ঘটিয়েছে, ভোটযুদ্ধে ‘প্রত্যাশিত’ ফল নিয়ে আসার ব্যাপারে কোন সংশয় রাখেনি তাতে।

