যেসব সাংবাদিকেরা বিএনপি-ঐক্যফ্রন্টের আন্দোলন করার সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন করেন, তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরসঙ্গীর তালিকা থেকে বাদ পড়ার ভয়ে তাদের নিজেদের পত্রিকা/চ্যানেলে নির্বাচনের ভোট ডাকাতি দেখাতে পারে না।
রাস্তায় টোকাইরা কুকুরের সাথে যেমন আচরণ করে, আওয়ামী লীগের হাতে তার চেয়েও খারাপ আচরণের শিকার হওয়া তাদের নিজেদের সহকর্মী সাংবাদিকদের পক্ষ নিয়ে প্রতিবাদ করতে পারে না।
গোলাম আযমের নাগরিকত্ব ফেরত চেয়ে বিবৃতি দেয়া সাংবাদিককে নিজেদের নেতা বানিয়ে তারা বিএনপিকে জিজ্ঞেস করে- জামাত ছাড়েন না কেন?
ঢালাও সরকারি বিজ্ঞাপন, সরকারি সুবিধা পেয়ে কোটি কোটি টাকার ব্যবসা করা পত্রিকার সম্পাদক নিজের কর্মীদের বেতন বছরের পর বছর বাকি রেখে বিএনপিকে সবক দেয় দুর্নীতি-অনিয়ম নিয়ে।
ঘরে-বাইরে নিজেদের সহকর্মীকে মেরে লাশ বানিয়ে গেলেও তারা টুঁ শব্দটা করে না, আর মানুষ জিজ্ঞেস করলে প্রায় ২০ বছর আগে কোন সাংবাদিককে কে মারছিল সেই ছবি দেখায়।
আমেরিকার ফক্স নিউজের উচিৎ তাদের নবীন সাংবাদিকদের এক বছরের জন্য বাংলাদেশের সাংবাদিকদের অধীনে ট্রেনিং-এর ব্যবস্থা করা। এমন নির্লজ্জ, নির্বোধ সাংবাদিক সমাজ পৃথিবীর কোথাও আছে কিনা সন্দেহ
