এক দিকে সুচি, অন্য দিকে হাসিনা

আমাদের দেশের মানুষের সব বিষয়ে দায়িত্ব দেখানোর অথবা সব বিষয়ে নাক গলানোর প্রবণতা খুবই বেশী, বিশেষ করে অন্য দেশের বিষয়ে। আজকে ফেসবুক খুলে দেখলেই দেখবেন যে, মায়ানমার দেশের প্রধানমন্ত্রী অং সাং সুচিকে সেদেশের সেনাবাহিনী আটক করেছে। আর এদিকে আমরা যার যার মত করে বিশ্লেষণ করে পোষ্ট করছি কিংবা কমেন্ট করছি।
যাহোক, আসল বিষয়ে আসি। যতটুকু জানা যায় সুচিকে গ্রেফতারের কারণ দেখানো হয়েছে যে,”তাঁর দল গত নির্বাচনে ভোট কারচুপি করে ক্ষমতায় এসেছে”। সেদেশের সেনাবাহিনী মনে করেছে যে জনগনের ভোট চুরি করা মহা অন‍্যায়। তাই তাঁরা সেদেশের ক্ষমতাসীনদের আটক করেছে অথবা গ্রেফতার করেছে।
আর এদিকে আমাদের বিচার, বিশ্লেষণের শেষ নেই। কেউ বলছে সুচি লেডি হিটলার। কেউ বলছে যে সেনাবাহিনী দিয়ে রোহিঙ্গাদের উপর গনহত‍্যা চালিয়েছিলো,আজ সেই সেনাবাহিনী তাঁকে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে।
এবার আমাদের কথা বলি। 2008 সাল থেকে আজ পর্যন্ত, জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যন্ত কোথায় আপনারা ভোট চুরির খবর পাননি? এখনতো আওয়ামী নামক হাসিনা দলীয় লোকজন ভোট চুরি করে না, তারা জোর করে ভোট ডাকাতি করে ছিনতাই করে। কই আপনারাতো এর বিরোধীতা করেন না। আমাদেরও তো অহংকার করার মতো একটি সুগঠিত সেনাবাহিনী আছে। কই তাঁরাতো কিছুই বলে না। সবকিছু দেখেও না দেখার ভান করে বসে থাকে। আর পুলিশের কথাতো বাদই দিলাম। এরাতো বসে আছে আওয়ামী নামক বিষাক্ত জন্তুদের গোলামী করার জন‍্য। গনতন্ত্র নামক একটা শব্দ আছে এরা সেটা মাটিচাপা দিয়ে রেখেছে। জনগন কি,এবং কারা অথবা এদের অধিকার কি কুত্তালীগের লোকেরা এটা জানেই না, বোঝে না, কিংবা বুঝতে দেয় না।
এখন প্রশ্ন হলো এমনটা কেনোই বা হচ্ছে? এর বড়ো একটা কারন হলো অযোগ্য লোকেরা আজ বড় বড় পজিশনে। সরকারি চাকুরী থেকে শুরু করে হাসিনালীগের সব পদে পদে অযোগ্য লোকদের ছড়াছড়ি। হাসিনা এদেরকে সুকৌশলে পজিশনে রেখেছে যেনো এরা হাসিনার অন‍্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতে না পারে। আরো একটা গুরুত্বপূর্ণ কারন হলো ক্ষমতার লোভ। হাসিনা তাঁর ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে যে কাউকেই মেরে ফেলতে কিংবা গুম করতে দ্বিতীয়বার চিন্তা করে না কিংবা করবে না। এর জন‍্যই সকল ক্ষমতা হাসিনা কেন্দ্রিক। যারা জানেন তাঁরাই বুঝবেন কিভাবে হাসিনা সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে সরিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আনেন। এই এককেন্দ্রীক ক্ষমতাই একটি রাষ্ট্রের, একটি দেশের ধ্বংসের জন‍্য যথেষ্ট।
এর প্রমাণও আছে হাজারো যেমন ধরুন, দূর্ণীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, আইনের কোনো প্রয়োগ না হওয়া। আমরা পদ্মা সেতু নিয়ে অনেক উচ্ছসিত। কেনইবা নয়? পদ্মা সেতু আমাদের অতি প্রয়োজন। কিন্ত একটিবার হিসাবটা মিলিয়ে নিয়েছেন কত টাকা লাগছে এটি তৈরী করতে। প্রতি কিলোমিটারে পাঁচ হাজার কোটি টাকার উপরে লেগেছে। আপনি অন‍্যান‍্য দেশের বড় বড় সেতুর খরচ সম্পর্কে জেনে দেখুন। তারপর আপনি ব‍্যবধানটা বুঝতে পারবেন। আপনি এগুলো বতর্মান সময়ে ইন্টারনেটের কল‍‍্যাণে খুব সহজেই পেয়ে যাবেন। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতে যেখানে উন্নতমানের হাইওয়ে করতে কিলোমিটার প্রতি ১০ কোটি খরচ হয়। আর আমাদের দেশে একটি মোটামুটি মানের রাস্তা তৈরি করতে প্রতি কিলোমিটারে খরচ হয় ১০০ কোটি টাকা। আপনারা রিসার্চ করে দেখুন। তখন সব বুঝতে পারবেন দেশ আজ কোথায়??
আমার আগের লেখাগুলোতে আমি বার বার বলেছিলাম ৩০% কমিশনের কথা। এটা শুধু আওয়ামী নামক বড় বড় রাঘববোয়ালদের কমিশন। এরপর আরো আছে সরকারি চাকুরিওয়ালের কমিশন, এর পরে আছে স্থানীয় পাতিনেতাদের কমিশন। এটা দেশের উন্নয়ন নয়। এটা আওয়ামীলীগ নামক এক বিকৃতমস্তিষ্ক দলের উন্নয়ন। আর গডমাদার হচ্ছে হাসিনা। তিনি সবাইকে দূণীতি করার সনদ দিয়েছেন যাতে করে কেউ তাঁর বিরুদ্ধে কথা না বলে।
পরিশেষে, এক সুচি নিয়ে চিন্তা করার সময় নয়। সুচি সেনাবাহিনী দিয়ে রোহিঙ্গাদের হত‍্যা করে সেদেশ থেকে বের দিয়েছে। অথচ ক্ষমতালোভী হাসিনা তাঁর নিজের দেশের কত মানুষকে গুম করে হত্যা করেছে এই ১৫ বছরে সে হিসেবে মায়ানমারের রোহিঙ্গা গনহত‍্যা একটি সংখ্যা মাত্র। নিজের দেশের মানুষের মৌলিক অধিকার সুনিশ্চিত না করে অন‍্য দেশকে বিচার করা মানায় না। আর নিজের দেশকে পরিশুদ্ধ করতে হাসিনালীগের পতন অনিবার্য। তাই নেমে পরুন মানবতার পথে, দেশকে করুন শুদ্ধ। আর ভেঙ্গে ফেলুন হাসিনালীগের সাম্রাজ্য। ছুড়ে ফেলে দিন বঙ্গোপসাগরে।

নতুন স্বদেশ গড়ার প্রত‍্যয়ে

সুশাশন-ভিসন ২০৩০

(১) মানবধিকার সম্পর্কিত জাতিসংঘের সর্বজনীন ঘোষনা বাস্তবায়ন করা হবে।
(২) গনতান্ত্রিক ও অর্থনৈতিক সুশাষনের জন্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ( যেমন নির্বাচন কমিশন,পাবলিক সার্ভিস কমিশন,কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল,এটর্নি জেনারেল ইত্যাদি) এবং সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলো ( যেমন দুর্নীতি দমন কমিশন,তথ্য কমিশন,মানবাধিকার কমিশন,আইন কমিশন,বিশ্ববিদ্যালয় মন্জুরি কমিশন ইত্যাদি ) স্বার্থপর ও দলীয়তার কালিমা মুক্ত করে এগুলো দক্ষতা,স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযাগ্যতা পুন:প্রতিষ্ঠার জন্য আইনি ও প্রক্রিয়াগত পদক্ষেপ নেবে বিএনপি।
(৩) বিগত দিনগুলো সংকীর্ন দলীয় স্বার্থে জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলো অকার্যকর করে ফেলা হয়েছে। এ কারনেই ব্যক্তির বিশ্বাস অবিশ্বাস এবং দলীয় আনুগত্য বিবেচনার না নিয়ে কেবলমাত্র সততা দক্ষতা মেধা যোগ্যতা দেশ প্রেম বিচার ক্ষমতার উপর নির্ভর করে রাষ্ট্রের প্রশাসন যন্ত্র পুলিশ এবং প্রতিষ্ঠানগুলো কার্যরারিতা নিশ্চিত করবে বিএনপি।
(৪) প্রশিক্ষন অভিজ্ঞতা সততা মেধার উৎকর্ষ এবং সৃজনশীলতাকে বেসামরিক ও সামরিক প্রশাসনে যোগ্যতার মাপকাঠি হিসেবে গ্রহন করা হবে।দলীয় ও সকল প্রকার আইনবহির্ভূত হস্তক্ষেপ অবসান ঘটিয়ে বিচার বিভাগ প্রসাশন ও পুলিশ বাহিনীর আইনানুগত কর্তব্য পালনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে ।
(৫) বিএনপি দুর্নীতির সাথে কোন আপোষ করবে না. সমাজের সর্বস্তরের দুষ্টক্ষতের মত ছড়িয়ে পড়া দুর্নীতির রাশ টেনে ধরার জন্য পদ্ধতিগত ও আইনের সংস্কারের পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে।
(৬) বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ বাতিল করা হবে।
(৭)প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিত নিশ্চিত করার জন্য সংবিধান অনুযায়ী ন্যায়পাল(ombudsman) এর পদ সৃষ্টি করা হবে।
(৮) বাংলাদেশ আজ নিরাপওাহীন ঝুকিপূর্ন এক জনপদে পরিনত হয়েছে।মার্তৃগর্ভেও শিশুর নিষ্ঠুর অপরাধের থাবা থেকে মুক্ত নয়।বিচারলয় আজ বিরোধী মতের নেতা কর্মীদের দমনে ব্যবহৃত হওয়ার ফলে বিচার প্রার্থীরা আদালতের সেবা থেকে বন্চিত হচ্ছে। দেশে আশংকাজনকভাবে বিচারহীনতা যে সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে তা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে সুবিচার নিশ্চিত করতে হবে।সে লক্ষ্যে জনপ্রশাসন বিচার ,পুলিশ ও কারাগার এই চার প্রতিষ্ঠান কে সংস্কারের মাধ্যমে এসব প্রতিষ্ঠানকে স্বচ্ছ, দক্ষ আধুনিক ও যুগপোযোগী করে গড়ে তোলা হবে।
(৯) বিএনপি মানবিক মূল্যবোধ ও মানুষের মর্যাদায় বিশ্বাসী আইনের শাসনের প্রতি অঙ্গীকারাবদ্ধ।অবশ্যই আইনের শাসনের নামে কোন প্রকার কালা কানুন শাসন গ্রহনযোগ্য হবে না।বিএনপি সকল প্রকার কালা আইন বাতিল করবে।সকল প্রকার নিষ্ঠুর আচরন থেকে মানুষকে মুক্ত রাখার লক্ষ্যে বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড গুম খুন এবং অমানবিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অবসান ঘটাবে বিএনপি।
(১০) বিচার বিভাগের কার্যকর স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা প্রতিষ্ঠা করে জনগনের জন্য ন্যায় বিচার ও আইনের শাসন নিশ্চিত করা হবে।অধস্তন আদালতের নির্বাহী বিভাগের আওতামুক্ত করার লক্ষ্যে সুপ্রিম কোর্টের অধীনে পৃথক সচিবালয় স্থাপন করা হবে।
(১১) পুলিশ কনস্টবল/ট্রাফিক পুলিশ এবং এএসআই পর্যন্ত নিম্ন পদস্থ পুলিশ কর্মকর্তাদের মাঠ পর্যায়ে একটানা ৮ ঘন্টার বেশী দায়িত্ব দেয়া হবে না/দায়িত্ব পালনে বাধ্য করা হবে না।ঝুকিপূর্ন দায়িত্ব পালনে কর্মঘন্টা হারে যুক্তিসংগত ওভার টাইম ভাতা প্রদান করা হবে।এএসআই থেকে কনস্টেবল পর্যন্ত পুলিশের আবাসন সমস্যা সমাধানের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।
(১২) দ্রব্যমূল্যের সাথে সঙ্গতি রেখে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন ভাতাদি ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করা হবে।
(১৩)একটি দক্ষ স্বচ্ছ গতিশীল মেধাবী জবাবদিহিতামুলক যুপগোযোগী ও গনমুখী জনপ্রশাসন গড়ে তোলা হবে ।মেধার মূল্যায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া যথাযথ সংস্কার করা হবে।মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ,নারী ও প্রান্তিক জাতি গোষ্ঠী কোটা ব্যতিরেকে কোটা পদ্ধতি বাতিল করা হবে । সকল পর্যায়ে ই গভার্ন্যান্স চালু করা হবে।জনপ্রশাসন দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশে বিদেশে প্রশাষনের ব্যবস্থা করা হবে।
(১৪) প্রয়োজনীয় সংখ্যক যোগ্য বিচারক নিয়োগ দিয়ে মামলার জট কমিয়ে আনা হবে ।
(১৫) এটা সর্বসম্মত স্বীকৃত যে বর্তমানে বিচার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নেই। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন আদালতের বিচারক নিয়োগ পদোন্নতি,পদতল এবং কর্ম নির্ধারনের জন্য একমাএ বিবেচ্য নিয়োগ করা হবে ।যোগ্যতা,মেধা ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সাংবিধানিক আলোক বিচারপতি উর্ধে উঠে জ্ঞান প্রজ্ঞা নীতিবোধ দেশপ্রেম বিচার বোধ ও সুনামের কঠোর মানদন্ডে যাচাই করে উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগ করা হবে।নিয়োগের জন্য বাচাইকৃত ব্যক্তিদের তথ্য ও সম্পদের বিবরন জনগনের জন্য উন্মুক্ত করা হবে ।

দেশের পরিস্থিতি ভয়াবহ! ডি জি এফ আই এবং সেনাবাহিনী মুখোমুখি

সবাইকে একটু কষ্ট করে পড়ার জন্য অনুরোধ রইল। সবাই একটু কষ্ট করে পড়েন
এগুলি আপনাদের জানার দরকার
দেশের পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ!
বাংলাদেশের ইতিহাসে কখনো প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই (Directorate General Forces Intelligence) এবং সেনাবাহিনীর নিজস্ব গোয়েন্দা সংস্থা এএসইউ এভাবে পরষ্পর মুখোমুখি হয়নি। সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ তাঁর সেনাভবনের চারপাশে ASU (Army Security Unit) এর দ্বারা নিরাপত্তা বৃদ্ধি করেছেন।
ওদিকে গতকাল ডিজিএফআইয়ের প্রধান মেজর জেনারেল সাইফুল গিয়েছিলেন ঢাকার নিকটবর্তী সাভার ক্যান্টনমেন্টে নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি’র সাথে দেখা করতে, ASU এবিষয়ে সব খবর নখদর্পনে রেখেছে।
ঢাকা সেনানিবাসের (শক্তিশালী স্বতন্ত্র ব্রিগেড) ৪৬ পদাতিক ব্রিগেডের কমাণ্ডার ব্রিগেডিয়ার মোস্তাফিজকে শীঘ্রই তাঁর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে পাঠানো হচ্ছে বিদেশে।
ডিজিএফআইয়ের সাবেক প্রধান এবং হিন্দুস্তানি এজেন্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল মামুন খালেদ হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার সাথে সাথে বিদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সারাদেশের সকল জায়গা থেকে ডিজিএফআইয়ের সদস্যদেরকে ক্লোজ করে ঢাকায় তাদের জনবল বৃদ্ধি করা হয়েছে।
ঢাকা সেনানিবাসে ডিজিএফআইয়ের সংখ্যা এবং শক্তি অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি।
শুধু তাই নয়, ডিজিএফআইয়ের লোকজন ২৪ ঘন্টা তৎপর রয়েছেন এমনভাবে যে, তাদের ডিউটির জায়গায় খাবার পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে গাড়িতে করে।
অন্যদিকে চীনপন্থী হিসেবে পরিচিত (সম্ভাব্য আগামী সেনাপ্রধান) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাহফুজ তিনঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অবঃ) তারেক আহমেদ সিদ্দিকীর বাসায়।
জেনারেল (অবঃ) তারেক সিদ্দিকীর বাসার পাশ দিয়ে সেনাবাহিনীর একটা পাখি উড়ে গেলেও তার চাকরি চলে যায়, সেখানে সেনাপ্রধানের অনুমতি ছাড়া লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাহফুজ তিনঘন্টা ধরে কী করলেন?
থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে ঢাকা সেনানিবাসে। সরকার টেলিভিশনে ব্রেকিং নিউজ দিয়ে বলেছে গুজবে কান না দিতে, আসল সত্য থেকে জনগণকে দূরে রেখেছে।
ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য দেশকে গৃহযুদ্ধের দিকে নিয়ে যাচ্ছে বাকশাল মুজিবের কুলাঙ্গার কন্যা ক্ষমতালোভী হাসিনা।
পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রতীয়মান হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী এবং সেনাপ্রধান মুখোমুখি।
নিয়মানুযায়ী ডিজিএফআই রিপোর্ট করে প্রধানমন্ত্রীকে এবং এএসইউ রিপোর্ট করে সেনাপ্রধানকে।
নিয়ম ঠিক থাকলে ডিজিএফআই এবং এএসইউ মুখোমুখি হওয়ার অর্থ হচ্ছে সেনাপ্রধান এবং প্রধানমন্ত্রী কেউ কাউকে বিশ্বাস করছেন না, আবার সরিয়েও দিতে পারছেন না।
যে কোনো সময় ঘটে যেতে পারে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার কারণ সচেতন মহলের সকলেই জানেন।
কিছু দিন আগেই সেনাপ্রধানের একটি ফোনালাফ ভাইরাল হয়েছে যাতে সেনাপ্রধান তাঁর এক বন্ধু কর্ণেল (অবঃ) শহীদকে বলেছেন, বাংলাদেশের সকল গুম খুনের সাথে সরকার জড়িত।
মূলত ঐ ঘটনার পর থেকেই জেনারেল আজিজ কে সেনাপ্রধানের পদ থেকে সরানোর চেষ্টা চলছে। জেনারেল আজিজ সরকারের এই সিদ্ধান্ত মানতে নারাজ এবং তিনি তাঁর বলয় শক্তিশালী করছেন।
দেখা যাক কী হয়।
বাংলাদেশের মানুষ যেকোন মূল্যে ফ্যাসিবাদের পতন চায়।
দাগ থেকে যদি দারুণ কিছু হয় তাহলে তো দাগই ভালো।
গণতন্ত্রের নামে হিটলারের শাসনের চেয়ে সামরিক সরকার অনেক ভালো।
বাংলাদেশের মানুষ একটি পরিবর্তন চায়, পরিবর্তনের বার্তা নিয়ে আগত সেনা সমর্থিত নতুন সরকার কে মুক্তিকামী জনতা স্বাগত জানাতেই পারে।
বাকশালের পতনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের মানুষ যেভাবে আওয়ামী অত্যাচার এবং একনায়কতান্ত্রিক শাসন থেকে মুক্তি পেয়ে ঘরে ঘরে মিষ্টি বিতরণ করেছিল।
ঠিক একইভাবে আবারও যেকোন দিন, যেকোন সময়ে আরেকবার দেশের মানুষ মিষ্টি বিতরণের অপেক্ষায়__

সহকর্মী হত্যায় ক্যান্টনমেন্টে ভয়াবহ উত্তেজনা

টেকনাফ পুলিশ কর্তৃক মেজর (অব.) সিনহা রাশেদ কে হত্যার পরে কক্সবাজারের রামুতে অবস্থিত ১০ম পদাতিক ডিভিশনে প্রচন্ড সেনা বিদ্রোহ দেখা দেয়। উল্লেখ্য, নিহত মেজর সিনহা এই ডিভিশনের ব্রিগেড মেজর ছিলেন। ফলে এই ডিভিশনের সেনা অফিসাররা এমনকি সৈনিকরাও এতটাই উত্তেজিত হয়ে পড়েন যে, ৪ আগস্ট মঙ্গলবার ৪০/৪৫ জন সেনা অফিসার (মেজর, লে. কর্নেল, কর্নেল) ভারী অস্ত্র এবং যানবাহনে সজ্জিত হয়ে ক্যান্টনমেন্ট থেকে বেরিয়ে পড়ার প্রস্ততি নিতে থাকেন, উদ্দেশ্য মেজর সিনহা রাশেদের খুনী দারোগা লিয়াকত, ওসি প্রদীপ, এসপি মাসুদ, এবং আরও যে কয়টা জড়িত, সবগুলোকে তুলে এনে ক্যান্টমেন্টে বন্দী করা। অতঃপর তারা নিজেরাই বিচার করবে।
দ্রুতই এই খবর পৌঁছে যায় ১০ম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মো. মাঈন উল্লাহ চৌধুরীর কানে। তিনি ছুটে এসে অফিসারদেরকে বুঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু অফিসাররা অনড়। শেষে তিনি ১২ ঘন্টা সময় চেয়ে নেন। এর মধ্যে খবরটি সেনাপ্রধান হয়ে মিডনাইট প্রধানমন্ত্রীর কানে পৌঁছায়। তিনি মারাত্মক টেনশনে পড়ে যান। সেনাপ্রধান আজিজ এবং আইজিপি বেনজিরকে নির্দেশ দেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে কক্সবাজারে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে এবং যা ব্যবস্থা নেয়ার নিতে। পরদিন সকালেই সেনাপ্রধান রামু সেনানিবাসে পৌঁছান, অফিসারদের সাথে কথা বলেন, সর্বোচ্চ বিচারের আশ্বাস সেন, তার ওপর আস্থা রাখতে বলেন। অতঃপর আইজিপিকে সাথে নিয়ে ঘটনাস্থলে যান, যৌথ প্রেস কনফারেন্স করেন, মামলা হয়, আসামীরা এরেস্ট/সারেন্ডার হয়, রিমান্ড মঞ্জুর হয়। কিন্তু পরিস্থিতি উত্তপ্তই থাকে। আইএসপিআর থেকে বলা হয়, পুলিশের নির্মমতার এটাই শেষ ঘটনা, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সেনা-পুলিশ যৌথ টহল হবে।
রামু সেনানিবাসে বিদ্রোহের খবর অন্যান্য ক্যান্টনমেন্টে পৌঁছালে প্রতিটায় সেনা ও অফিসারদের মধ্যে উত্তজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়ভাবে প্রতিটি ক্যান্টনমেন্টে দরবার অনুষ্ঠিত হয়, সেখানে ট্রুপরা মেজর সিনহা রাশেদ হত্যার বিচার নিয়ে পয়েন্ট দিতে থাকে। সৈনিক থেকে অফিসার সবার এক কথা- মেজর রাশেদ হত্যার দৃষ্টান্তমূলক চরম শাস্তি না হলে সেনাবাহিনী নিজেরাই ব্যবস্থা নিবে। প্রতিটি এরিয়া থেকে অফিসার ও জওয়ানদের মনোভাব এবং অবস্থা সেনাপ্রধানকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে।
এখন পরবর্তী ৭দিন দেখার পালা- কী হয়। এরই মাঝে সরকারের পক্ষ থেকে সিনিয়র মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের অবশ্য ফোঁড়ন কেটেছেন, মেজর রাশেদ হত্যাকে পুঁজি করে সরকার পতনের চেষ্টা করছে কেউ কেউ! কিন্তু এ হত্যার উপযুক্ত বিচার না হলে সেনাদের বিচার যে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, তা বোধ হয় তারা কেনো, কেউই জানে না!
উল্লেখ্য, কুখ্যাত ইয়াবা সম্রাট বদির সিন্ডিকেটের প্রধান ব্যক্তি হলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ইয়াবা সিন্ডিকেটের বিষয়ে বিশদ তদন্ত করলে ওবায়দুল কাদেরের নাম আসবে।

ভাবার্থ – বাঘ পোষ মানা হলেও তার লেজ দিয়ে কখনও কান চুলকাতে যাবেন না।

হায়রে আমার দেশ!

সাবধানে চলাফেরা করিস বোন ! এই দেশটা জানোয়ারে ভরে গেছে ।
ব্লেড দিয়ে যখন আমার যৌনিপথ বড় করা হচ্ছিল, তখন আমি আল্লাহ কে ডাকছিলাম। (৪ বছরের ধর্ষিতা মেয়েটি) ।
~আমার স্বামী ছেলেকে দরজার সাথে বেধেঁ ওদের সামনে আমায় ধর্ষন করলো। (ধর্ষিত নারী রহিমা)।
~ভালোবাসার মানুষটাকে বিশ্বাস করে তার সাথে ঘুরতে গেছিলাম, সে তার বন্ধুদের নিয়ে গনধর্ষন করলো আমায়।(কলেজের ধর্ষিতা মেয়ে তানিয়া)।
~খুব গরিব ছিলাম তাই মাইনষের বাড়ি কাজ করতাম, একদিন মালিকের বউ বাড়িতে ছিলো না, আমি ঘড় মুছতাছিলাম তখন মালিক আইসা দরজা বন্ধ কইরা আমারে ইচ্ছা মতো ধর্ষন করলো। (ধর্ষিতা কাজের বুয়া আছমা বেগম)।
~নিজের জন্মদাতা পিতা নেশাগ্রস্ত অবস্হায় বাসায় এসে ধর্ষন করলো আমায়। (অভাগী ধর্ষিতা মেয়ে মিতু, ধানমন্ডি)।
~কলেজে যাওয়ার সময় বখাটে ছেলেরা ডিস্টার্ব করে তাই থানায় ডাইরি করতে গেছিলাম আমি আর আমার ছোট ভাই,,, ভাইরে দুকানে যাইতে বইললা, আমাকে পিস্তলের ভয় দেখাইয়া ধর্ষন করলে আমায় কামাল গাও মডেল থানার ওছি। ( ধর্ষিতা মেয়ে টুম্পা)।
~আমায় বিয়ে করার লোভ দেখিয়ে বন্ধুর বাড়িতে নিয়ে গিয়ে জোর করে ধর্ষন করলো তারপর আমার গলা কেটে বস্তায় করে নদিতে ফেলে দিলো। (ধর্ষিতো মেয়ে মেঘলা)
~সারাদিন কাজ করে বাসায় ফিরার পথে ছোট ছেলের জন্য বিস্কুট কিনে বাসে উঠছিলাম, যে যার মতো নেমে গেছে, বাস যখন খালি তখন মাঝ রাস্তায় বাস থামিয়ে সেই বাসেই আমায় ধর্ষন করলো বাস চালক। (গার্রমেন্টসের ধর্ষিতা আয়শা)।
~প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় আমাকে আর আমার মাকে এক বিছানায় ধর্ষন করলো এলাকার বখাটে। (ধর্ষিতা মেয়ে নুসরাত )
~বাবা মার স্বপ্ন ছিলো আমি ডাক্তার হবো, তাই খুব মন দিয়ে পড়াশোনা করতাম কোচিং করতে স্যারের বাসায় গেছিলাম স্যার পাশের রুমে ডেকে নিয়ে আমার হাত পা বেঁধে ধর্ষন করলো। (ধর্ষিতা ছাত্রী)
~সবাই বলতো মেয়েদের পোশাক নাকি ধর্ষনের মূল কারণ তাই ইসলামী বোরকা হাতে পায়ে মুজা পড়তাম, বিশ্বাস করেন আমার চোখগুলা ছাড়া আমার শরীলের কিছুই দেখা যেতো না, তবুও খালি রাস্তায় একা পেয়ে কিছু জানোয়ার আমাকে গনধর্ষন করলো। ( ধর্ষিতা মেয়ে খাদিজা নুর)
~করোনা ভাইরাস এর জন্য,,, ঘড়ে খাদ্য নেই বলে ত্রাণ আনতে গিয়ে ৪ বছরের ধর্ষিত শিশু।
লক্ষ্মীপুরে ক্যান্সারে মৃত স্বামীর লাশ আনতে স্ত্রী গিয়েছিলো ঢাকাতে।
এদিকে বাড়িতে রেখে যাওয়া ৯ম শ্রেণীর কন্যা
হিরা মণিকে দিনের আলোতে ধর্ষণ করে মেরে ফেলেছে জানোয়ারের
দল।

আমিলজ্জিত কারণ আমি বাংলাদেশি

করোনায় ৪৬ জন না ভাই,
এ জাতির প্রতিদিন ৪৬ হাজার করে মরা উচিত।
‌সাব্বাস বাংলাদেশ সাব্বাস,,,
আরো এমন হাজারো ধর্ষিতার অভিযোগ লুকিয়ে আছে ধর্ষিতো লাশটির মাঝে। নারী হয়ে জন্ম নেওয়াটা কি পাপ?
স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, গার্মেন্টস, রাস্তা,, এলাকা এমন কি নিজ বাসায়ও মেয়েরা নিরাপদ নয়।
প্রতিবাদের ভাষা হাড়িয়ে ফেলছি,,, কাকে কি বলবো, এরা মানুষের ক্রন্দন বুঝে না। আজ গানটা ভিষণ মনে পড়ে গেলো……
কতোটুকু অশ্রু গড়ালে হ্নদয় দলে সিক্ত, কতো প্রদিপ শিখা জ্বালালেই জীবন আলোই দিপ্ত।
কতো ব্যাথা বুকে ছাপালেই, তাকে বলি আমি ধৈর্য,

আমার লেখালেখির প্লাটফর্ম পরিবর্তন

প্রিয় পাঠক/ পাঠিকা বৃন্দ ,

আমি অনেক দিন যাবত আমার অনলাইন ব্লগে লেখালেখি করি। বেশীর ভাগ সময়ে আমি রাজনীতি নিয়ে লিখতে পছন্দ করি। আপনাদের উৎসাহ ও অনুপ্রেরণায় আমি আরও বেশী লেখালেখি করতে চাই। আর এজন্যই সময় উপযোগী প্লাটফর্মকে আমি বেছে নিতে চাই। আপনারা সবাই অবগত আছেন যে বর্তমান সময়ে ফেসবুক একটি জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া এবং বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষেরা এখন ফেসবুক ব্যবহার করে। আমি আমার মতামত, রাজনীতি নিয়ে বিশ্লেষণ এবং মানবধীকার নিয়ে আমার লেখালেখি আরও বেশি মানুষের কাছে পৌছিয়ে দিতে চাই। আমি চাই আমার দেশের মানুষ তাঁদের মৌলিক অধিকারগুলো ফিরে পাক এবং আওয়ামী নামক শাসকের কবল থেকে সবাই মুক্তি পাক।

আর এজন্যই আমি খুবই কম লেখালেখি করবো আমার এই ব্লগে। আজকের পর থেকে আমি আমার ফেসবুক পেজ এ নিয়মিত লেখালেখি করবো। আপনাদের সবার প্রতি আমার অনুরোধ আপনারা আমার ফেসবুক এ ফলো করুন।

আমার ফেসবুক পেজ এর নাম ঃ Md Sabbir Hossain

link: https://www.facebook.com/mdsabbirhossain.bangladesh

লীগের সাথে চীনের আঁতাত

যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান থেকে সরে যাচ্ছে। আফগানিস্তানের ভবিষ্যত নিয়ে বৈঠক করেছে পাকিস্তান আর তুরষ্ক। আফগানিস্তানে ভারতের একটা বড় স্টেক তৈরী হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতায়। যুক্তরাষ্ট্র চলে গেলে ভারত সেখানে বড় ধরণের বিপদে পড়বে। সোজা হিসাব: ভারত পুরো দক্ষিণ এশিয়ায় একঘরে হয়ে যাবে।

এই জটিল হিসাবে বাংলাদেশের অবস্থান কোথায়?

আপনারা কিছুদিন আগেই সাউথ এশিয়ান মনিটর এর নির্বাহী সম্পাদক চন্দন নন্দী’র টুইট থেকে জেনেছিলেন যে, বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনের ভোট ডাকাতির পরিকল্পনার সাথে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা সরাসরি জড়িত থাকার পরও ঢাকায় ‘র’ এর প্রধান শশী ভূষণ সিং তমার আওয়ামী লীগের এত বেশি আসন পাওয়ায় হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলেন।

ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ঘুনাক্ষরেও কল্পনা করতে পারেনি যে, আওয়ামী লীগ ভোট ডাকাতির জন্য চীনের সহযোগিতাও নিয়েছিল। আওয়ামী লীগের রাজনীতি এখন অনেকটাই চীনমুখী। খুব শীঘ্রই আওয়ামী লীগের রাজনীতি পাকিস্তানমুখীও হবে। কারণ, পাকিস্তান হচ্ছে চীনের ইসরায়েল।

কুত্তালীগের দল

যা ভেবেছিলাম তাই হচ্ছে। এই কুত্তালীগের দল কখনোই মানুষদের ভোট দিতে দিবে না। কুত্তালীগের দলবল তো আছেই তার উপর পুলিশ নিজেই আবার নৌকায় ছিল মারছে। কি এক করুন দৃশ্য। দেশের মানুষ আজ জিম্মি কুত্তালীগ নামক একদল বিকৃত মস্তিষ্কের কাছে।

এটাই যদি করার ইচ্ছা ছিল তাহলে এত নাটকের কি দরকার ছিল? নিজেই তো আবার নতুন করে শপথ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসতে পারতেন। মাঝখানে শুধু শুধু আমার ভাইদের লাশ দেখতে হতো না।

সব কিছুরই শেষ আছে তোদেরও হবে হায়নার দল। তৈরি হয়ে নে সময় কিন্তু আর বেশী পাবি না। প্রত্যেকটি লাশের বিচার নিখুঁতভাবে করা হবে। তখন কেঁদে কেঁদে আকুল হবি কিন্তু কোনো লাভ হবে না।

#######নতুন স্বদেশ গড়ার প্রত্যয়ে########

খুনি-সন্ত্রাসীদের সাথে পুলিশ-র‌্যাব নৌকার হয়ে কাজ করছে

খুলনা-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য প্রার্থী ও মহানগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু শনিবার দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিং-এ ২৪ ঘণ্টায় ৪৬ বিএনপি নেতা-কর্মীর গ্রেফতার এবং নগরীতে ভয়ংকর খুনি ও সন্ত্রাসীদের জড়ো করে ত্রাসের পরিবেশ সৃষ্টি করে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের মডেলের নির্বাচন আয়োজনের ব্যবস্থা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন। তিনি খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের প্রত্যাহারের পর অবিলম্বে নিরপেক্ষ নতুন কমিশনার পোস্টিং দিয়ে পুলিশ বিভাগকে ঢেলে সাজিয়ে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির দাবি জানান।

একই প্রেস ব্রিফিং-এ খুলনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল তার নির্বাচনী এলাকায় পুলিশ ও আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীরা মিলে যে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে তার বর্ণনা দিয়ে বলেন, আমরা মানুষকে একবার ডাক দেব এবং এর শেষ দেখে ছাড়ব।

ব্রিফিং কালে নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, আমরা সর্বত্র আওয়ামী লীগের গত দশ বছরের প্রতিহিংসার রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ দেখতে পাচ্ছি। নগরীতে বিএনপি কর্মীদের ওপর হামলা, গণগ্রেফতার, হুমকি,পোস্টার ছেড়া মিলিয়ে এক ভয়ানক পরিবেশের সৃষ্টি করা হয়েছে। এটা কোন ভোট নয়। যেন শেখ হাসিনাকে পুনঃ নির্বাচিত করার নাটক চলছে।

রকিবুল ইসলাম বকুল ব্রিফিং-এ বলেন, আমরা সংবাদ সম্মেলন করার পরে এলাকায় নির্যাতন আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। আজ আমি এখানে আসব বলে, পুলিশ পোশাকে ও সিভিল ড্রেসে আমার বাড়ি ঘেরাও করে রেখেছে। তিনি বলেন, গতকাল সকাল থেকে শনিবার দুপুর পর্যন্ত ৪৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সেখানে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা এক হয়ে গেছে। কাউন্সিলর কাউটের নেতৃত্বে বিএনপির লোকদের ওপর ব্যাপক হামলা ও নিপীড়ন চলছে। তিনি বলেন, গতকাল পুলিশ ধানের শীষের সক্রিয় মহিলা কর্মী বিধবা সালমা বেগমকে গ্রেফতার করে। এখন তার দুইটি দুধের শিশুর কান্নায় আকাশ বাতাস ভারী হচ্ছে। রাতে খালিশপুর বাজার সমিতির অসুস্থ নেতা খোদাবক্স কোরায়শীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অথচ তার নামে কোন মামলা নেই। যখন আমরা প্রেস ব্রিফিং করছি তখন যোগীপোলের মীর কায়সেদ আলীর বাড়ির সামনে থেকে ১৩ জনকে পুলিশ আটক করে নিয়ে গেছে বলে তিনি জানান।

 

সৌজন্যঃ ইনকিলাব

নির্লজ্জ সাংবাদিক

যেসব সাংবাদিকেরা বিএনপি-ঐক্যফ্রন্টের আন্দোলন করার সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন করেন, তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরসঙ্গীর তালিকা থেকে বাদ পড়ার ভয়ে তাদের নিজেদের পত্রিকা/চ্যানেলে নির্বাচনের ভোট ডাকাতি দেখাতে পারে না।

রাস্তায় টোকাইরা কুকুরের সাথে যেমন আচরণ করে, আওয়ামী লীগের হাতে তার চেয়েও খারাপ আচরণের শিকার হওয়া তাদের নিজেদের সহকর্মী সাংবাদিকদের পক্ষ নিয়ে প্রতিবাদ করতে পারে না।

গোলাম আযমের নাগরিকত্ব ফেরত চেয়ে বিবৃতি দেয়া সাংবাদিককে নিজেদের নেতা বানিয়ে তারা বিএনপিকে জিজ্ঞেস করে- জামাত ছাড়েন না কেন?

ঢালাও সরকারি বিজ্ঞাপন, সরকারি সুবিধা পেয়ে কোটি কোটি টাকার ব্যবসা করা পত্রিকার সম্পাদক নিজের কর্মীদের বেতন বছরের পর বছর বাকি রেখে বিএনপিকে সবক দেয় দুর্নীতি-অনিয়ম নিয়ে।

ঘরে-বাইরে নিজেদের সহকর্মীকে মেরে লাশ বানিয়ে গেলেও তারা টুঁ শব্দটা করে না, আর মানুষ জিজ্ঞেস করলে প্রায় ২০ বছর আগে কোন সাংবাদিককে কে মারছিল সেই ছবি দেখায়।

আমেরিকার ফক্স নিউজের উচিৎ তাদের নবীন সাংবাদিকদের এক বছরের জন্য বাংলাদেশের সাংবাদিকদের অধীনে ট্রেনিং-এর ব্যবস্থা করা। এমন নির্লজ্জ, নির্বোধ সাংবাদিক সমাজ পৃথিবীর কোথাও আছে কিনা সন্দেহ