Thanks for joining me!
Good company in a journey makes the way seem shorter. — Izaak Walton

Thanks for joining me!
Good company in a journey makes the way seem shorter. — Izaak Walton

সমস্ত পৃথিবীর মানুষ একমত এরকম বিষয় অনেক কম। এর মধ্যে একটি হচ্ছে শিশুদের নিরাপত্তা। আপনি যতই খারাপ হোন না কেন, যতই অমানবিক জীবনযাপন করেন না কেন আশা করা হয় শিশুদের প্রতি মানবিক থাকবেন। বিশ্বব্যাপী জাহাজডুবি বা এরকম দুর্ঘটনার ক্ষেত্রেও সবার আগে শিশুদের উদ্ধার বা তাদের জীবনকে সবচেয়ে অগ্রাধিকার দেয়ার নিয়মও আছে। এমনকী যেসব মানবগোষ্ঠী সভ্যতার আশীর্বাদ বা অভিশাপ থেকে দূরে, জঙ্গলে বসবাস করে তারাও শিশুদের প্রতি সহানুভূতিশীল। এখন একটি আজব দেশের কথা বলব যা এখানে ব্যতিক্রম।
নারায়ণগঞ্জের রাফিউর রাব্বিকে অনেকেই চেনেন। তাঁর মাত্র ১৭ বছরের ছেলে ত্বকীকে নির্মমভাবে হত্যা করে শামীম ওসমানের লোকেরা। এই হত্যাকাণ্ডে সরাসরি বর্বর শামীম ওসমানকে দায়ী করে বারবার বিচার চেয়েছেন রাফিউর রাব্বি। কিন্তু কোনো প্রতিকার পাওয়া যায় নি, শামীম ওসমানকে গ্রেফতারও করা হয়নি। বরং এ ঘটনার পর সবাই যখন ধিক্কার দিচ্ছে তখন সংসদে দাঁড়িয়ে ওসমান পরিবারের পাশে থাকার ঘোষণা দেন শেখ হাসিনা। এছাড়া তিনি বলেন, রাজনৈতিকভাবে হেয় করতে ওসমান পরিবারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার হচ্ছে। (লিংক কমেন্টে)
অথচ এই শেখ হাসিনার একটি ভাই শিশু শেখ রাসেলকে হত্যা করা হয়েছিল। তাঁর পরিবারের এতগুলো সদস্যকে নির্মমভাবে হত্যা করা হল। আমরা আশা করতে পারতাম যেকোনো হত্যাকাণ্ডের প্রতি তিনি স্পর্শকাতর থাকবেন। কিন্তু কোথায় কী!
আওয়ামী লীগের কর্মীরা স্বাধীনতার চেতনার কথা বলে মুখে ফেনা তুলেন। শিশুহত্যাকে যেখানে সমর্থন দেয়া হয় সেখানে কোন ধরণের স্বাধীনতা বিদ্যমান থাকে?
শামীম ওসমানকে বর্জন করতে পারবেন কি এই নির্বাচনে?






হামলার মূল আসামী মুফতি হান্নানকে ২০০৫ সালে বিএনপি সরকার গ্রেফতার করে। তারপর সে তার প্রতিটি জবানবন্দিতেই বলেছে- “দুইদিন আগেই (১৯ আগস্ট) বঙ্গবন্ধু এভিনিউকে টার্গেট করে গ্রেনেড হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল।”
প্রশ্ন হচ্ছে:
১. আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা যেখানে সমাবেশ শুরুর ২ঘণ্টা আগেও জানতো না সমাবেশ বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে হবে, সেখানে মুফতি হান্নান কিভাবে দুইদিন আগেই জানতে পেরেছিল, সমাবেশ বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে অনুষ্ঠিত হবে?
২. কার সিদ্ধান্তে সমাবেশস্থল মুক্তাঙ্গন থেকে সরিয়ে বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে নেয়া হয়েছিল?
৩. মুফতি হান্নানকে এই তথ্যটি কে সরবরাহ করেছিল?
২১ আগস্টের মর্মান্তিক গ্রেনেড হামলা সংক্রান্ত মামলায় কিভাবে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে বিএনপি এবং তারেক রহমানকে জড়ানো হয়েছে তার বিস্তারিত জানতে পড়ুন:
https://www.scribd.com/…/TRAVESTY-OF-JUSTICE-IN-BANGLADESH-…

ইচ্ছা করলেই ঐ “মেজর জিয়া”কে মুছে ফেলা যাবে? ইতিহাস ধ্রুব।
ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর ওয়েবসাইটের অফিসিয়াল হিস্ট্রি অব ইন্ডিয়া পাকিস্তান ১৯৭১ ওয়ার অংশে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কে মুক্তিযুদ্ধের সুচনাকারী হিসেবে লিপিবদ্ধ আছে। সেই সঙ্গে “স্বাধীনতার ঘোষক” স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।
The beginning of the history of an independent and sovereign Bangladesh was made when Major Ziaur Rahman, an officer of the 8th Battalion of the EBR at Chittagong, on 26 March, shortly after the military crack-down, made an electrifying broadcast on “Swadhin Bangla Betar Kendra” (Free Bangla Radio) announcing the establishment of an independent Bangladesh. He said, “I, Major Zia Rahman, at the direction of Bango Bondhu Mujibur Rahman, hereby declare that Independent People’s Republic of Bangladesh has been: established. At his direction, I have taken the command as the temporary Head of the Republic. In the name of Sheikh Mujibur Rahman, I call upon all the Bengalees to rise against the attack by the West Pakistani Army. We shall fight to the last to free our motherland. Victory is, by the Grace of Allah, ours, Joy Bangla”(11).
এরমাঝেই একদল লোককে দেখবেন তাঁরা বলতেছে যে – বাংলাদেশ আগায়ে গেছে কেননা তাঁর একটা শ্যাটালাইট হইছে।
দেশ আগায়া গেছে কেননা বাংলাদেশকে ইউনেস্কো সার্টিফিকেট দিছে ।
দেশ আগায়া গেছে কেননা লক্ষ লোক একলগে জাতীয় সংগীত গাইছে।
দেশ আগায়া গেছে কেননা সাফারি পড়া ভদ্রলোক গুলশান ইফতারী খাইছে আর খুশিতে চোখ মুছছে ।
দেশ আগায়া গেছে কেননা ফেসবুকে রাইস চেলেঞ্জ দিয়া এক লোক তিনলক্ষ লোককে ‘উৎসাহ” দিছে।
দেশ আগায়া গেছে কেননা বাংলাদেশে আর্জেন্টিনা-জার্মানি-ব্রাজিলের জার্সি তৈরী হইছে।
দেশ আগায়া গেছে কেননা দেশে এখন দশমিনিটেই বিজ্ঞানী পয়দা করার ইউটিউব চেনেল আছে।
বাংলাদেশে বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বড় হারামজাদা খুজে বের করতে চাইলে সবার আগে খুঁজে বের করেন সেই লোককে , যে এইসব “নাই আর নাই” দেখার পরও এই দেশে কিছু না কিছু ‘পজেটিভ’ বিষয় খুঁজে পায় , সেই ‘পজেটিভ’ বিষয় মানুষকে গেলাতে চায় , এবং সেই লোককে – যে বালছাল বুঝায়ে মোটিভেশন দেয়ার চেষ্টায় থাকে ।
ওয়ার্কিং কমিটির সিদ্ধান্ত ব্যতিরেকেই আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা নিজেই একাকী ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। এদিন বাড্ডায় আমি এক পরিচিত ভদ্রলোকের বাসায় পলাতক অবস্থায় ছিলাম এরশাদ সরকারের গ্রেফতার এড়ানোর উদ্দেশ্যে। পত্রিকায় জানতে পারি আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা এককভাবে এরশাদ ঘোষিত সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমি ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য ছিলাম বিধায় এই সিদ্ধান্তের কথা পত্রিকা পড়ে আমি বিষ্মিত হই। তিনি প্রেসিডেন্ট এরশাদের সাথে ব্যক্তিগত আলোচনা করে এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। তখন বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সাত-দল আন্দোলনে মাঠে ছিল। বেগম খালেদা জিয়া এই নির্বাচনের প্রতিবাদ করে নির্বাচন বয়কট করেন। উল্লেখ্য, ৮ দলের নেতৃত্বে ছিলেন আওয়ামী লীগ ও তার সভানেত্রী শেখ হাসিনা। এই নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এরশাদের নিকট থেকে ৯ কোটি টাকা অর্থ গ্রহণের অভিযোগ পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এই সংসদ নির্বাচনে আমিও প্রার্থী ছিলাম। বিধায় সভানেত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে আওয়ামী লীগের ফান্ড থেকে আর্থিক সাহায্য দাবী করেছিলাম। শেখ হাসিনা আমার দাবী প্রত্যাখ্যান করে বলেছিলেন- আওয়ামী লীগের ফান্ডে কোন টাকা-পয়সা নেই। এ সময় গুলশানে বসবাসকারী ভারতের গুজরাট থেকে আগত বাংলাদেশের নাগরিক শিল্পপতি আজিজ সাত্তার সাহেবের সাথে আমি দেখা করি। তিনি শহীদ সোহরাওয়ার্দী সাহেবের একজন ভক্ত ও সমর্থক ছিলেন। তার কাছে আমি নির্বাচনের জন্য আর্থিক সাহায্য অথবা নির্বাচনে ব্যবহারের জন্য একটি গাড়ি চেয়েছিলাম। তখন তিনি আমাকে বলেছিলেন, তিনি এরশাদ প্রদত্ত নির্বাচনী অর্থ শেখ হাসিনার কাছে দিয়েছেন। তার পক্ষে কোন সাহায্য করা সম্ভব নয়। একথা শুনে আমার কিছু বুঝতে বাকি রইল না। নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট এরশাদ শেখ হাসিনার তালিকাভুক্ত প্রদত্ত প্রার্থীদের বিজয়ের আশ্বাস দিয়েছিলেন। ঐ তালিকায় আমার নাম ছিল না। নির্বাচনে এরশাদ ভোট ডাকাতি করেছিল। ভোট ডাকাতি করে অধিকাংশ আসনে তার দলের প্রার্থীদের জয়ী করে এনেছিলেন। আমার নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক ভোট ডাকাতি হয়েছিল। চারটি ইউনিয়নে আমার পক্ষের কোন এজেন্টকে পুলিং সেন্টারে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। এর মধ্যে আমি কয়েকটি সেন্টারে প্রবেশ করার চেষ্টা করলে এরশাদের দলীয় ক্যাডাররা বন্দুক দিয়ে গুলি করে ভোট কেন্দ্র ফাঁকা করে দেয়। জীবনের ভয়ে আমি ও আমার কর্মীরা দৌড়ে পালিয়ে প্রাণ রক্ষা করি।”
“রাজনীতির সেকাল ও একাল”
শেখ আবদুল আজিজ
শেখ মুজিবের মন্ত্রীসভার সদস্য, ১৯৮৬ সালে বাগেরহাট থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী।