৫ জানুয়ারির পুনরাবৃত্তি হলে দেশ নজিরবিহীন বিশৃঙ্খলায় পড়বে : বি. ওয়ার্কার্স পার্টি

বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির পলিট ব্যুরোর সদস্য জননেতা কমরেড আবু হাসান টিপু বলেছেন, ৫ জানুয়ারির পুনরাবৃত্তি হলে দেশ নজিরবিহীন বিশৃঙ্খলায় পড়বে। জনগণ ৫জানুয়ািরর নির্বাচনের পূনরাবৃত্তি দেখতে চায়না। ফলে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন একই কায়দায় হলে দেশ এক নজিরবিহীন বিশৃঙ্খলায় নিপতিত হওয়ার আশংকা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার ১৪তম পুনর্গঠন বার্ষিকী উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ জেলা অফিসে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

১৪তম পুনর্গঠন বার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সভাতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি পলিট ব্যুরোর সদস্য জননেতা কমরেড আবু হাসান টিপু বলেছেন, দুর্ভাগ্যজনক হলও সত্য, যে আওয়ামী লীগ একসময় ভাত ও ভোটাধিকারের জন্য আন্দোলন করেছে আজ তারাই জনগণের ভাত ও ভোটাধিকারের বিরুদ্ধেই অবস্থান গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, আবু হাসান টিপু বলেন সরকার রাষ্ট্র পরিচালনায় ন্যূনতম গণতন্ত্র ও আইনের শাসনকে বিদায় দিয়ে বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডকে তারা সাধারণ নিয়মে পরিণত করেছে। মাদক বিরোধী বর্তমান অভিযানের লক্ষ্য মাদক নির্মুল নয়; লক্ষ্যটা রাজনৈতিক। আর তা হচ্ছে গণআতংক তৈরী করে নিজেদের পক্ষে আগামী নির্বাচনের জমিন তৈরী করা।

সভাপতি হিসাবে বক্তৃতাকালে শ্রমিকনেতা মাহমুদ হোসেন বলেন, সরকারের বেপরোয়া তৎপরতায় দেশের মানুষের জানমাল আজ গুরুতর হুমকির মুখে। সরকার মুখে উন্নয়নে কথা বললেও বাস্তবে তার কোন প্রতিফলন নেই। তিনি অনতিবিলম্বে দমন-পীড়নের পথ পরিহার করে অবাধ নির্বাচনের গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টির দাবী করে বলেন সময় এখনো একেবারে শেষ হয়ে যায়নি। নির্বাচন কমিশনের সংলাপে বিপ্লবী ওয়র্কার্স পার্টি উত্থাপিত ২৩ দফা বাস্তবায়ন করুন।

বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি শ্রমিকনেতা মাহমুদ হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- শহিদুল আলম নাননু, রাশিদা বেগম, সাইফুল ইসলাম হাবিবুর রহমান আঙ্গুর, নাজমুল হাসান নাননু, আইউব আলী, রোকসানা বেগম, মোক্তার হোসেন ও মুক্তা বেগম প্রমুখ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

নারায়ণগঞ্জে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় এসআই সামছুল প্রত্যাহার

নারায়ণগঞ্জে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে ৩ লাখ ৫৭ হাজার টাকা হাতিয়ে অভিযোগে বন্দর পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত এক এস আই সামছুল আলমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। গতকাল বুধবার রাতে জেলা পুলিশ তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযোগ করেন। বৃহস্পতিবার (১৪ জুন) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশ।

জেলা পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, বন্দর ফরাজীকান্দা এলাকার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে মাদক ব্যবসায়ী সাগর মিয়াকে গত সোমবার রাতে বন্দর থেকে এসআই সামছুল আলম গ্রেফতার করেন। পরে পরিবারের কাছে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে ৩ লাখ ৫৭ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন। টাকা নিয়ে মঙ্গলবার ৫৫ পিস ইয়াবা বড়ির মামলা দিয়ে সাগর মিয়াকে আদালতে পাঠান এসআই সামছুল আলম। বুধবার সাগরের স্ত্রী শাহনাজ বেগম জেলা পুলিশ সুপার মঈনুল হক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিলে রাতেই এস আই সামছুল আলমকে প্রত্যাহার করা হয়।

সাগরের স্ত্রী শাহনাজ বেগম জানান, টাকা না দিলে স্বামীকে বন্দুকযুদ্ধে হত্যা করা হবে বলে পুলিশ সামছুল আলম বলে। পরে স্বামীর জীবন বাচাঁতে ভয়ে ৩ লাখ ৫৭ হাজার টাকা দেই। তার পরে ও ইয়াবার মামলা দিয়েছে। তাই বিষয়টি জেলা পুলিশ সুপারকে লিখিত বাবে জানিয়েছি।

বন্দর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ওসি এমদাদুল হক বলেন, সাগরের স্ত্রী শাহনাজ বেগম অভিযোগ এসআই সামছুল আলমকে বুধবার রাতে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে পাঠানো হয়েছে।

উলে­খ্য, এসআই সামছুল আলম গত ৮ জুন বন্দর পুলিশ ফাঁড়িতে যোগ দেন। এর আগে তিনি সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় কর্মরত ছিলেন। সিদ্ধিরগঞ্জেও তিনি বেপোরোয়া ছিলেন। সেখানে তিনি সাদা পোষাকে কনষ্টেবল সাইদুল ও সোর্স নিয়ে ধাবড়িয়ে বেড়াতেন। অপরাধীদের সাথে সাধারন মানুষকেও হয়রানি করতেন বলে সিদ্ধিরগঞ্জবাসী অভিযোগ করেছেন।

ভেজাল খাদ্যের ক্ষতিকর প্রভাব

শুধু রমজান মাস এলেই বাংলাদেশের রেস্টুরেন্ট, হোটেল মালিক কিংবা ফলের আড়তদাররা খাদ্যে ও ফলে ভেজাল মেশানো শুরু করেন না। তারা শতভাগ লাভের আশায় বছরের পর বছর এসব অখাদ্য বিক্রি করে আসছে। ভোজনরসিক বাঙালিও পরম তৃপ্তি নিয়ে তা খেয়ে যাচ্ছে। এসব বিষয় নিয়ে লিখেছেন ডা. তাজবীর আহমেদ-

রমজান মাস এলেই যেন শুরু হয় ভেজালবিরোধী অভিযান। আর এসব অভিযানের পর দোষি রেস্টুরেন্টগুলো জরিমানার অর্থ পরিশোধ করেই রেহাই পেয়ে যায়। আর সেই সঙ্গে পরবর্তী একবছর ভেজাল খাবার পরিবেশনের এক অলিখিত লাইসেন্সও যেন পায়!

এক্ষেত্রে বিক্রেতাদের দোষ দিয়েই বা কী লাভ? কারণ তারা জানে- এ দেশের মানুষ খাবার কেনে দোকানের বাহারি আলোকসজ্জা, ব্র্যান্ড কিংবা রং-বেরঙের মোড়ক দেখে। চটকদার পরিবেশনার আড়ালে তাই অস্বাস্থ্যকর, নোংরা রান্নাঘরের দুর্গন্ধ নিমিষেই হারিয়ে যায় সুসজ্জিত শোরুমের সুরভিত এয়ার ফ্রেশনারে! অপরিণত ফলগুলোও তাই গাছপাকা হয়ে যায় বিষাক্ত রাসায়নিকের মাত্রাহীন ব্যবহারে! আর আমদানিকৃত ফলে ফর্মালিনের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার নিয়ে পত্রিকার প্রতিবেদন তো সবারই জানা।

এ কথাগুলো অবিশ্বাস্য মনে হলে গত একমাসে ভেজালবিরোধী অভিযানে অভিযুক্ত দোকানগুলোর সামনে ইফতারের আগে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় নিজ চোখে দেখে আসতে পারেন। তখন এটাও উপলব্ধি করতে পারবেন যে, ভ্রাম্যমাণ আদালত কর্তৃক জরিমানাকৃত অর্থের পরিমাণ- সেই দোকানগুলোর একদিনের মুনাফার এক দশমাংশ মাত্র!

খুব জানতে ইচ্ছে হয়, ক্রেতাসাধারণ আসলে কতটুকু সচেতন? সব কিছু জেনেশুনে- এই আমরাই কেন বারবার চলে যাই সেসব দোকানগুলোতে? কষ্টার্জিত অর্থের বিনিময়ে কিনে আনা বিষাক্ত ফল কিংবা ভেজাল খাবার প্রিয়জনের মুখে তুলে দিতে পেরে আমরা হয়তো আনন্দিত হই। কিন্তু একবারও কেন ভাবি না- আমাদের অসচেতনতা এবং প্রতিবাদহীনতাই আমাদের আপনজনদের অপূরণীয় ক্ষতির মূল কারণ?

একটু ভিন্ন প্রসঙ্গে আসি, গত একবছরে ‘নিশীথ সূর্যের দেশ জাপানে’ খাদ্যে ভেজাল দেওয়ার খবর যেমন শুনিনি তেমনি কোনো রেস্টুরেন্টে বাসি-পচা নিম্নমানের খাবার পরিবেশন করতেও দেখিনি। খোদ টোকিওতেই অনেক বাংলাদেশি রেস্টুরেন্ট আছে কিন্তু সেই মালিকরাও অধিক মুনাফার আশায় অসুস্থ কোনো প্রতিযোগিতায় মেতে ওঠেননি। আর জাপান সরকারের খাদ্য অধিদফতরের কঠোর আইন ও মনিটরিং ফাঁকি দিয়ে খাদ্যে ভেজাল দেওয়ার কথা চিন্তাও করা কঠিন। এ আইন মান্য করা জাপানি রেস্টুরেন্টগুলোর জন্য যেমন প্রযোজ্য তেমনি ইতালীয়, মেক্সিকান বা ভারতীয় রেস্টুরেন্টের জন্যও সমানভাবে প্রযোজ্য।

জাপানের কথা শুনে পাঠকগণ ভাবতে পারেন, আইনের সঠিক প্রয়োগই হয়তো ভেজাল খাদ্যের অভিশাপ থেকে আমাদের মুক্তি দিতে পারে। কিন্তু বাস্তবে সবচেয়ে জরুরি জিনিস হলো- ভোক্তাদের সচেতনতা। সবাই যদি আমরা সরকারের আশায় বসে থাকি, তাহলে এই সমস্যার সমাধান হতে হয়তো কয়েক যুগ লেগে যাবে। আর কালের পরিক্রমায় ভেজাল খাদ্যের ক্ষতিকর প্রভাবে আপনার শরীরেই তখন বাসা বাঁধতে পারে মরণঘাতী ক্যান্সার কিংবা বিকল হতে পারে কিডনি!

জীবন সায়াহ্নে হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে নিজের ভাগ্যকে দোষারোপ না করে; সবাই যদি এখনই একটু সচেতন হই- তাহলে হয়তো আগামী প্রজন্ম নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তা পেতে পারে। সচেতনতা দিয়ে যদি সমস্যার সমাধান না হয়, তখন বয়কট করা যেতে পারে ভেজাল বিক্রেতাদের প্রতিষ্ঠানগুলোকে। তাতেও ভেজাল দেওয়া বন্ধ না হলে- ঐক্যবদ্ধভাবে খুঁজে বের করতে হবে নতুন কোনো উপায়। কিন্তু তাই বলে, নীরবে এই অপরাধ আর কতদিন সহ্য করবো আমরা? দেশব্যাপী ভেজাল খাদ্য পরিবেশনের এই ঘৃণ্য মহোৎসব কি শেষ হওয়ার নয়?

মনে রাখবেন, ‘অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে- তব ঘৃণা যেন তারে তৃণসম দহে’।

ইসরাইলের সঙ্গে কোন আরব দেশের সম্পর্ক রাখা উচিৎ না

ফিলিস্তিনের ইসলামি জিহাদ আন্দোলনের নেতারা বলেছেন, কোনো কোনো আরব দেশ ইহুদিবাদী ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার যে উদ্যোগ নিয়েছে তা সহ্য করা হবে না। ইসরাইলি নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করতে মরক্কোর একটি প্রতিনিধিদল রোববার ইসরাইলে পৌঁছার পর এ সতর্কবাণী উচ্চারণ করল ইসলামি জিহাদ আন্দোলনের নেতারা। সংগঠনটির গণমাধ্যম বিষয়ক প্রধান দাউদ শাহাব রোববার এক টুইটার বার্তায় এ হুঁশিয়ারি দিয়ে আরো বলেছেন, মরক্কোর প্রতিনিধিদলটি ফিলিস্তিনি শহীদদের রক্তের অবমাননা ও ফিলিস্তিনি শিশু হত্যাকারীদের উৎসাহিত করেছে। ইসরাইল সফরকারী প্রতিনিধিদলের প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করার জন্য মরক্কোর জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। সেইসঙ্গে তিনি বায়তুল মুকাদ্দাসে বসবাসরত ফিলিস্তিনিদের কাছে আবেদন জানিয়েছেন, তারা যেন আল-আকসা মসজিদসহ অন্য পবিত্র স্থানে মরক্কোর ওই প্রতিনিধিদলকে প্রবেশ করতে না দেন। সম্প্রতি সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মরক্কোসহ কয়েকটি আরব দেশ অবৈধ দখলদার ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নিয়েছে। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবেই মরক্কোর ওই প্রতিনিধিদল ইসরাইল সফর করছে।

প্রবাসী আয়ে ভ্যাট-ট্যাক্স নেই: এনবিআর

প্রবাসীরা আড়াই লাখ টাকার বেশি আয় করলে কর দিতে হবে বলে ফেসবুক ঘুরে বেড়ানো পোস্টকে অপপ্রচার জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআর। তাদের ধারণা, বৈধ পথে প্রবাসী আয় পাঠানোকে নিরুৎসাহিত করে হুন্ডির মাধ্যমে পাঠাতে এই চক্রান্ত করা হয়েছে। প্রবাসীরা বৈধ পন্থার মতো অবৈধ পন্থাতেও বিদেশ থেকে স্বজনদের কাছে অর্থ পাঠান। বৈধ চ্যানেলে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠালে তা বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভে যোগ হয়। কিন্তু হুন্ডির মাধ্যমে পাঠালে সে অর্থ রিজার্ভে যোগ হয় না। কিন্তু হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ পাঠানোর প্রবণতা রয়েছে, অবশ্য তা ঠেকানোর চেষ্টা করছে সরকার। এই অবস্থায় প্রবাসীদের মধ্যে করারোপের গুজব ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। এই প্রেক্ষিতে বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি স্পষ্ট করে এনবিআর। এর আগে ফেসবুকে একই বিষয় জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। গত ৭ জুন আগামী ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। এতে ব্যক্তিগত করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানো-কমানোর বিষয়ে কোনো ঘোষণা আসেনি। অর্থাৎ আগের মতোই আয় আড়াই লাখ টাকার বেশি হলেই তাকে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হবে। অবশ্য চাকরিজীবীদের জন্য আরও কিছু ছাড় আছে। যেমন, বেতনে পাওয়া বাড়িভাড়া এক লাখ ৮০ হাজার টাকা বা মূল বেতনের ৫০ শতাংশের মধ্যে যেটি কম, সেটি করের আওতামুক্ত। এ ছাড়া চিকিৎসা ভাতা ৬০ হাজার এবং পরিবহন ভাতা ৩৬ হাজারেরও কোনো আয়কর দিতে হয় না। এর বাইরেও আয়ের একটি অংশ বিনিয়োগ করলে করে ছাড়া পাওয়া যায়। তবে বাংলাদেশ প্রবাসী আয়কে উৎসাহ দিতে বরাবর একে করমুক্ত রাখে। এই ধারাবাহিকতা আগামী অর্থবছরেও চালু থাকবে। তবে ফেসবুকে গুজব রটেছে যে, দেশের মতো প্রবাসেও আড়াই লাখ টাকার বেশি আয় করলে এবং তা দেশে পাঠালে সেটি করের আওতায় আসবে। এই গুজবটি ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ায় প্রবাসীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আর এটি বৈধ পথে প্রবাসী আয় দেশে পাঠানোতে প্রতিবন্ধক হতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। এনবিআর গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, ‘২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে বিদেশ থেকে প্রেরিত রেমিটেন্সের উপর মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট আরোপিত হয়েছে মর্মে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত হচ্ছে। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও গুজব।’ এই গুজব ছড়ানোতে চক্রান্ত দেখছে এনবিআর। তারা বলেছে, ‘দেশের বৈধ রেমিটেন্স প্রবাহ বন্ধ করে হুন্ডির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণের অপপ্রয়াস হিসাবে এ প্রচারণা চালানো হতে পারে।’ জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ এ মুমেন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড জানায়, মূল্য সংযোজন কর আরোপিত হয় পণ্য বা সেবা সরবরাহের উপর। প্রবাসীরা দেশের বাইরে যে সেবা দিয়ে থাকেন তার বিনিময়ে বৈদেশিক মুদ্রা আহরিত হয়। তাদের সব কাজ ভ্যাট আইন, ১৯৯১ এর ধারা ৩ এর উপ-ধারা ২(ক) মোতাবেক সেবা রপ্তানি হিসাবে বিবেচিত। সুতরাং এ রপ্তানি কার্যক্রম ভ্যাটের আওতা বহির্ভূত। ‘অর্থাৎ রেমিটেন্স সীমা নির্বিশেষে এ খাতের উপর কোন ভ্যাট প্রযোজ্য নয়। তাই প্রবাসীরা বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে যে কোন পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা বা রেমিটেন্স প্রেরণ করতে পারেন’- বিজ্ঞপ্তিতে জানায় এনবিআর। হুন্ডির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠালে তা জাতীয় অর্থনীতিতে কোনো ভূমিকা রাখ পারে না জানিয়ে হুন্ডি পরিহার করতেও সবাইকে অনুরোধ করেছে এনবিআর। সংস্থাটি হুন্ডি বা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধের বিষয়ে সবসময় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলেও জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

উদ্বোধনী ম্যাচে থাকবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প!

আসন্ন বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ আয়োজনের জন্য প্রস্তুত মস্কোর লুঝনিকি স্টেডিয়াম। চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। স্বাগতিক রাশিয়া এবং সৌদি আরবের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠবে বিশ্বকাপের। বিশ্বকাপের এই উদ্বোধনী ম্যাচে উপস্থিত থাকবেন বিশ্বের নামি-দামি সব তারকা থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ অনেক ব্যক্তিত্ব।

এই তালিকায় যোগ হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। রাশিয়ান পার্লামেন্ট ক্রেমলিন থেকে জানা গিয়েছে এই তথ্য। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানিয়ছেন রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন ট্রাম্পসহ যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের নেতাদের উদ্বোধনী ম্যাচে রাখার জন্য।

পেসকভ বলেন, ‘রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন তিনি অনেক খুশি হবেন যদি দাওয়াত প্রাপ্ত সব অতিথিরা মস্কোয় উদ্বোধনী দিনে উপস্থিত থাকেন। এই তালিকায় অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ উচ্চপর্যায়ের অন্যান্য নেতারাও আছেন।’

সম্প্রতি সিঙ্গাপুরে দক্ষিণ কোরিয়ান প্রেসিডেন্ট কিম জং উনের সঙ্গে দেখা করেছেন ট্রাম্প। সংক্ষিপ্ত সফর শেষ করে এরই মধ্যে দেশেও ফিরে গিয়েছেন ট্রাম্প। রাশিয়ান প্রেসিডেন্টের দাওয়াত মাথায় রাখলে বৃহস্পতিবার মস্কোয় দেখা যাবে বিশ্বের অন্যতম ক্ষমতাধর ব্যক্তি ট্রাম্পকে।

উল্লেখ্য, রাশিয়া বিশ্বকাপের মূল পর্বের টিকিট পেতে ব্যর্থ হয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেশ যুক্তরাষ্ট্র। তবুও স্বাগতিক রাশিয়া বাদে সবচেয়ে বেশি টিকিট কেটেছে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকেরা।

সৌদিতে ইয়েমেনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

সৌদি আরবের জিজান প্রদেশের আল-ফয়সাল সেনা শহরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। তবে হামলায় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে কিনা তা জানা যায়নি।

ইয়েমেনের আল-মাসিরা টেলিভিশন চ্যানেল জানিয়েছে, বুধবার নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি বাদ্র-১ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হুথি বিদ্রোহীরা এ হামলা চালায়। গত তিন মাসের মধ্যে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার আল-ফয়সাল শহরে হামলা চালালো তারা।

সৌদি আরব ও তার মিত্ররা যখন আন্তর্জাতিক হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে ইয়েমেনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় হুদাইদাহ বন্দরনগরীতে সামরিক অভিযান শুরু করেছে তখন এই হামলার ঘটনা ঘটলো।

এর আগে সৌদি নেতৃত্বাধীন কথিত আরব সামরিক জোটের মুখপাত্র কর্নেল তুর্কি আল-মালিকি স্বীকার করেছিলেন যে, সৌদি আরবকে লক্ষ্য করে ইয়েমেন এ পর্যন্ত ১৪৯টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে।

অন্যদিকে, সৌদি জোটের হামলায় ইয়েমেনে এ পর্যন্ত ৩৫ হাজার ২৯৭ জন নিহত হয়েছে। ইয়েমেনের স্বাস্থ্যমন্ত্রী তাহা মোতাওয়াকেল এ তথ্য জানিয়েছেন।

ফরিদপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৪৫

ফরিদপুরে চলমান মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় মাদক ব্যবসায়ী, মাদকসেবীসহ বিভিন্ন মামলার ৪৫ জন আসামিকে গ্রেফতার করেছে ডিবি ও থানা পুলিশ। এ সময় ৫২৯ পিস ইয়াবা এবং ৪৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলবার দুপুর থেকে বুধবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ অভিযান চালানো হয়।

জেলার ৯টি উপজেলার অভিযানে আটকদের মধ্যে মাদক মামলায় ১০ জন, মাদক সেবনকারী ১০ জন, নিয়মিত মামলায় ৩ জন, গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত ২২ জন রয়েছেন। এতে বিভিন্ন থানায় মোট ৭টি মাদক মামলা রুজু হয়েছে।

ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. জাকির হোসেন খান জানান, বুধবার দুপুরে আটকদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। মাদকবিরোধী অভিযান ও বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান পুলিশ সুপার।

লন্ডনে তারেকের সঙ্গে ফখরুলের বৈঠক

দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মুক্তি এবং নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি আদায়ে অচিরেই কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার ব্যাপারে একমত পোষণ করেছেন বিএনপির দুই শীর্ষ নেতা তারেক রহমান ও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

গত দু’দিনে লন্ডনে দু’দফা বৈঠকে নবম সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং সরকার ও দলীয় নেতাদের ভূমিকা নিয়ে দুই নেতার মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সূত্র জানায়, নির্বাচনে অংশগ্রহণ বিষয়ে বৈঠকে মির্জা ফখরুলকে নিজের অবস্থানের কথা জানিয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। একমাত্র নির্দলীয়, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনেই বিএনপি নির্বাচনে যেতে পারে- এমন মনোভাবের কথা জানিয়ে তাকে এবং খালেদা জিয়াকে বাইরে রেখে বিএনপিকে নির্বাচনে নেওয়ার যে কোনো ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সজাগ থাকতে মির্জা ফখরুলকে পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কয়সর এম আহমেদ সোমবার সমকালকে বলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর লন্ডনে এসেছেন।

তিনি বলেন, মহাসচিব লন্ডনে এলে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠক হওয়াটাই স্বাভাবিক।

সূত্র জানায়, লন্ডন আসার পর এরই মধ্যে অন্তত দু’বার তারেক রহমানের লন্ডনের কিংস্টন এলাকার বাড়িতে গিয়েছেন মির্জা ফখরুল। একান্তে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গে।

রোববার লন্ডনে রয়েল রেজেন্সি হলে যুক্তরাজ্য বিএনপি আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে তারেক রহমান ও বিশেষ অতিথি হিসেবে মির্জা ফখরুল অংশ নেন। ইফতারের আগে আলোচনা সভায় দলের ভবিষ্যৎ আন্দোলন ও আসন্ন নির্বাচন নিয়ে তারা কর্মীদের দিকনির্দেশনা দেন।

গত ৩ জুন চিকিৎসার জন্য স্ত্রী রাহাত আরা বেগমকে নিয়ে মির্জা ফখরুল ব্যাংকক যান। সেখানে বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে হৃদরোগের চিকিৎসা নেন তিনি। চিকিৎসা শেষে গত ৭ জুন স্ত্রী রাহাত আরা বেগম ঢাকায় ফিরে আসেন।

মিথ্য ও প্রতারণার রোল মডেল বাংলাদেশ: ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশ এখন উন্নয়ন নয় মিথ্য ও প্রতারণার রোল মডেল। বর্তমান সরকার দেশের মানুষের সাথে মিথ্যা কথা বলে, প্রতারণা করে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে অ্যাব আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, সরকারের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও তার দলের নেতারা বলেন আমরা এখন মধ্যম আয়ের দেশে প্রবেশ করেছি। বিশ্বের কাছে আমরা এখন উন্নয়নের রোল মডেল। কিন্তু কিসের উন্নয়ন, কোথায় উন্নয়ন? জনগণের কথা বলার, ভোটের অধিকার নেই আর সকরার বলছে উন্নয়নের রোল মডেল। আসলে উন্নয়ন নয় বাংলাদেশ হচ্ছে মিথ্যা ও প্রতারণার রোল মডেল। তিনি বলেন, দেশের সব অর্থিক খাত ধ্বংস হয়ে গেছে। ব্যাংকগুলো লুট হয়ে গেছে। এসব আমার কথা নয়, সিপিডি তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, দেশের সব আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকগুলো শেষ হয়ে গেছে অর্থনীতিতে ধ্বস নেমেছে। আর সরকার বলে উন্নয়নেরর জোয়ার বইছে, মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। আসলে এগুলো সবই জনগণের সাথে প্রতারণা ছাড়া আর কিছু নয়। সরকারের সমালোচনা করে ফখরুল বলেন, বর্তমান ভোটার বিহীন সরকারের অপশাসন থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য গণ বিস্ফোরণ ঘটাতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। আর সে জন্য মানুষেরর কাছে যেতে হবে, তাদেরকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। কারণ এ সরকার গোটা দেশের সব শেষ করে দিয়েছে। খালেদা জিয়াকে নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। একটি মানুষ আছেন যাকে কেন্দ্র করে মানুষ এগিয়ে যাওয়া প্রেরণা পায়। আন্দোলন ও ভোটের অধিকার ফিরে পেতে প্রেরণা পায়। বিএনপিকে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিও পালন করতে দেয়না মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা যেখানেই প্রোগ্রাম করতে চাই সেখানে বাধা দেয়া হয়। কোথাও জড় হলে বলে এখানে সভা সমাবেশ করা যাবে না, কারণ কি এখানে নাকি নাশকতা হবে। সরকার ও প্রশাসনের কথায় মনে হয় তারা সবাই জ্যোতিষ, আচার্য। তিনি বলেন, খুলনা, চট্টগ্রাম, বরিশালে, রাজশাহীতে আমাদের ১ ঘণ্টা আগে সমাবেশের অনুমতি দিয়েছে। খুলনা, বরিশালে বলছে সমাবেশ করতে দেয়া হবে না। যখন বলা হলো গোটা শহরে সমাবেশ হবে পারলে গুলি করেন তখন তারা সরে যায়। আসলে যেখানে প্রতিরোধ সেখানে সরে যায়। মনে রাখতে হবে প্রতিরোধের কোনো বিকল্প নেই। মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমান সরকার সবকিছু শেষ করে দিয়েছে। এমনকি মানুষের সব শেষ আশ্রয় বিচারালয় ও তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। আমাদের এখন বলতে বাধা নেই নিম্ন আদালতের বিচারকরা অপেক্ষায় থাকে কখন উপরের মহল থেকে নির্দেশ আসবে তখন রায় ঘোষণা করবে। উচ্চ আদলতের ওপর একটা আস্থা ছিলো, কিন্তু খালেদা জিয়ার মামলায় জামিনের বিষয়ে তারাও সরকারের নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে জামিন স্থগিত করলে। এটি সম্পূর্ণ নজির বিহীন। রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি সব বিরোধী দল একমত হয়েছে বর্তমান সরকারেরে অধীনে সুষ্ঠু হবে না। তখন বেগম খালেদা জিয়ার ডাকে সাড়া দিয়ে কোনো দল নির্বাচনে অংশ নেয়নি। তাহলে আজ কেন আমরা ঐক্যবদ্ধ হতে পারছি না? আমাদের সবাইকে আবার নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবীতে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। মানুষের গণতান্ত্রিক, নাগরিক ও ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশে যে অরাজক উপরিস্থ তার জন্য ভোটার বিহীন সরকার ব্যবস্থা দায়ী। আর সে জন্য আমরা বার বার বলছি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে। জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। কিন্তু সে ব্যবস্থা এখনও করার কোনো প্রক্রিয়া আমরা দেখছি না। বেগম খালেদা জিয়ার কারাবাসের বিষয়ে তিনি বলেন, মিথ্য মামলায় সাজা দিয়ে কারাগারে রাখা হয়েছে। নজির বিহীন ভাবে তার জামিন আটকে রাখা হয়েছে। তার জামিনও বিলম্বিত করছে। আমাদের দেশে আইনে আছে ৫ বছরেরে কম সাজ। হলে উচ্চ আদালত তাকে জামিন দিতে পারে। কিন্তু খালেদা জিয়ার বেলায় ত। করা হয়নি। উদ্দেশ্য তার কারাবাস দীর্ঘায়িত করা। তিনি বলেন, যখন বিচারপতি খাইরুল হক সংবিধান কাটা ছেড়া করে একটি বিতর্কিত রায় দিয়েছে তখনই দেশে সংকট তৈরি হয়েছে। কারণ ওই রায়ের মাধ্যমে বর্তমান সরকারকে ভোটার বিহীন নির্বাচন করে ক্ষমতায় থাকার পথ সুগম করে দিয়েছে। ফখরুল বলেন, আবারও একদলীয় শাসন ফিরিয়ে আনার মূল হোতা বিচারপতি খাইরুল হক। তার পরে যারা এসেছেন তারা সবাই এটাকে আবার বহাল করতে কাজ করছেন। এটা একটি ষড়যন্ত্র একদলীয় শাসন ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার। প্রতিবাদ সভায় আরো বক্তব্য রাখেন পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের সভাপতি ও আমারদেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, ড্যাব মহাসচিব এ জেড় এম জাহিদ হোসেন।