ওসিই মাহমুদুর রহমানকে সন্ত্রাসীদের হাতে তুলে দেন : মির্জা ফখরুল

ওসিই মাহমুদুর রহমানকে সন্ত্রাসীদের হাতে তুলে দেন : মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পুলিশের সহায়তায় কুস্টিয়ার আদালত প্রাঙ্গণে আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের ওপর ছাত্রলীগ হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করে বলেছেন, মাহমুদুর রহমান হামলার কথা বুঝতে পেরে কোর্টে অবস্থান নেন। পরে কোর্টের ওসির কথায় তিনি আদালত থেকে বের হয়ে আসেন। কোর্টের ওসি জোর করে মাহমুদুর রহমানকে বের করে সন্ত্রাসীদের হাতে তুলে দেন।
তিনি বলেন, মাহমুদুর রহমান হামলার পর সেখানে চিকিৎসা নেয়ার সুযোগও পাননি। কিন্তু সরকারের উচিত ছিল তাকে পুলিশের সহযোগিতায় চিকিৎসা দিয়ে ঢাকায় আসার ব্যবস্থা করে দেয়া। সরকার সেটি করেনি। এ হামলার ঘটনায় ধিক্কার জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা দ্রুত হামলাকারীদের চিহ্নিত করে বিচার বিভাগীয় তদন্ত করার দাবি জানাচ্ছি। হামলার মাধ্যমে আবারও প্রমাণ হলো দেশের প্রতিটি সেক্টর সরকার নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। একমাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে এ সরকারের পতন ঘটিয়ে গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে হবে। না হলে শুধু মাহমুদুর রহমান নয়, কোনো নাগরিক আদালত বা কোথাও নিরাপদে থাকবে না।
আজ রবিবার সন্ধ্যায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ফখরুল এসব কথা বলেন। এসময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, ড. আব্দুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম-মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দীন খোকন, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, ফজলুল হক মিলন, শ্যামা ওবায়েদ, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন এ্যানী, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়া, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ফখরুল বলেন, মাহমুদুর রহমান হামলার আশঙ্কা বুঝতে পারার পর তিনি আদালতের কাছে নিরাপত্তা চাইলে আদালত থানার ওসিকে ডাকেন। আদালতের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও পুলিশ মাহমুদুর রহমানকে নিরাপত্তা দিতে এগিয়ে আসেনি। এমনকি উচ্চ পর্যায়ের সহযোগিতা চাওয়ার পরও তাকে সহযোগিতা করা হয়নি। মাহমুদুর রহমান আদালতে যাওয়ার পর সন্ত্রাসীরা অস্ত্র নিয়ে এলাকা ঘিরে রাখে। মাহমুদুর রহমান কোর্টের ওসির কথায় আদালত থেকে বের হওয়ার পর চারদিক থেকে তার ওপর হামলা করা হয়। ফলে তার মাথা ও গালে আঘাত লাগে, তিনি রক্তাক্ত হন। একজন জনপ্রিয় সম্পাদকের ওপর এভাবে নৃশংস হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। একই সঙ্গে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি।
উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রধানমন্ত্রীর ভাগনি টিউলিপ সিদ্দিক সম্পর্কে মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে কুষ্টিয়ায় মামলা হয়। ওই মামলায় জামিন পেতে কুষ্টিয়া আদালতে গিয়েছিলেন তিনি। সেই মামলায় আদালত আজ তাকে জামিন দিয়েছেন।

কুষ্টিয়ায় ছাত্রদল ও বিএনপির ৩০ নেতা-কর্মী আটক

অভিযান চালানো বাড়িটি
অভিযান চালানো বাড়িটি

কুষ্টিয়া বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ৩০ নেতা-কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৯ জুন) রাত ৯টার দিকে কুষ্টিয়া মডেল থানা ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি বিশেষ টিম বাড়িটিতে অভিযান চালায়।

অভিযানে নবগঠিত কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মাহফুজুর রহমান মিথুন, সাধারণ সম্পাদক এসআর শিপন, যুগ্ম সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রাব্বী, রফিকুল ইসলাম প্রশান্ত ও সাংগঠনিক সম্পাদক রোকনুজ্জামান রাসেলসহ অন্তত ৩০ নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (অপারেশন) ওবায়দুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, পুলিশের কাছে গোপন সংবাদ ছিল ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরীর বাড়িতে বিএনপির একদল নেতাকর্মী বিস্ফোরক দ্রব্যসহ নাশকতার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ওই সংবাদের ভিত্তিতেই সেখানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে বিএনপির ৩০ নেতা-কর্মীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।

এ বিষয়ে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী ও সাধারণ সম্পাদক সোহরাব উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, সন্ধ্যায় কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রদলের নবনির্বাচিত নেতারাসহ ৩৫-৪০ জন নেতাকর্মী বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের অন্যতম সদস্য ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরীর সঙ্গে তার বাড়িতে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে যান। এ সময় পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে নেতা-কর্মীদের আটক করে।

গত ০৫ জুন বাংলাদেশ জাতীয়াতাবাদী ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুনুর রশিদ মামুন ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আকরামুল হাসান ৬ জনের নাম উল্লেখ করে কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটির অনুমোদন দেন।

লন্ডনে তারেকের সঙ্গে ফখরুলের বৈঠক

দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মুক্তি এবং নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি আদায়ে অচিরেই কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার ব্যাপারে একমত পোষণ করেছেন বিএনপির দুই শীর্ষ নেতা তারেক রহমান ও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

গত দু’দিনে লন্ডনে দু’দফা বৈঠকে নবম সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং সরকার ও দলীয় নেতাদের ভূমিকা নিয়ে দুই নেতার মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সূত্র জানায়, নির্বাচনে অংশগ্রহণ বিষয়ে বৈঠকে মির্জা ফখরুলকে নিজের অবস্থানের কথা জানিয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। একমাত্র নির্দলীয়, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনেই বিএনপি নির্বাচনে যেতে পারে- এমন মনোভাবের কথা জানিয়ে তাকে এবং খালেদা জিয়াকে বাইরে রেখে বিএনপিকে নির্বাচনে নেওয়ার যে কোনো ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সজাগ থাকতে মির্জা ফখরুলকে পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কয়সর এম আহমেদ সোমবার সমকালকে বলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর লন্ডনে এসেছেন।

তিনি বলেন, মহাসচিব লন্ডনে এলে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠক হওয়াটাই স্বাভাবিক।

সূত্র জানায়, লন্ডন আসার পর এরই মধ্যে অন্তত দু’বার তারেক রহমানের লন্ডনের কিংস্টন এলাকার বাড়িতে গিয়েছেন মির্জা ফখরুল। একান্তে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গে।

রোববার লন্ডনে রয়েল রেজেন্সি হলে যুক্তরাজ্য বিএনপি আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে তারেক রহমান ও বিশেষ অতিথি হিসেবে মির্জা ফখরুল অংশ নেন। ইফতারের আগে আলোচনা সভায় দলের ভবিষ্যৎ আন্দোলন ও আসন্ন নির্বাচন নিয়ে তারা কর্মীদের দিকনির্দেশনা দেন।

গত ৩ জুন চিকিৎসার জন্য স্ত্রী রাহাত আরা বেগমকে নিয়ে মির্জা ফখরুল ব্যাংকক যান। সেখানে বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে হৃদরোগের চিকিৎসা নেন তিনি। চিকিৎসা শেষে গত ৭ জুন স্ত্রী রাহাত আরা বেগম ঢাকায় ফিরে আসেন।

মিথ্য ও প্রতারণার রোল মডেল বাংলাদেশ: ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশ এখন উন্নয়ন নয় মিথ্য ও প্রতারণার রোল মডেল। বর্তমান সরকার দেশের মানুষের সাথে মিথ্যা কথা বলে, প্রতারণা করে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে অ্যাব আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, সরকারের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও তার দলের নেতারা বলেন আমরা এখন মধ্যম আয়ের দেশে প্রবেশ করেছি। বিশ্বের কাছে আমরা এখন উন্নয়নের রোল মডেল। কিন্তু কিসের উন্নয়ন, কোথায় উন্নয়ন? জনগণের কথা বলার, ভোটের অধিকার নেই আর সকরার বলছে উন্নয়নের রোল মডেল। আসলে উন্নয়ন নয় বাংলাদেশ হচ্ছে মিথ্যা ও প্রতারণার রোল মডেল। তিনি বলেন, দেশের সব অর্থিক খাত ধ্বংস হয়ে গেছে। ব্যাংকগুলো লুট হয়ে গেছে। এসব আমার কথা নয়, সিপিডি তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, দেশের সব আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকগুলো শেষ হয়ে গেছে অর্থনীতিতে ধ্বস নেমেছে। আর সরকার বলে উন্নয়নেরর জোয়ার বইছে, মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। আসলে এগুলো সবই জনগণের সাথে প্রতারণা ছাড়া আর কিছু নয়। সরকারের সমালোচনা করে ফখরুল বলেন, বর্তমান ভোটার বিহীন সরকারের অপশাসন থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য গণ বিস্ফোরণ ঘটাতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। আর সে জন্য মানুষেরর কাছে যেতে হবে, তাদেরকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। কারণ এ সরকার গোটা দেশের সব শেষ করে দিয়েছে। খালেদা জিয়াকে নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। একটি মানুষ আছেন যাকে কেন্দ্র করে মানুষ এগিয়ে যাওয়া প্রেরণা পায়। আন্দোলন ও ভোটের অধিকার ফিরে পেতে প্রেরণা পায়। বিএনপিকে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিও পালন করতে দেয়না মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা যেখানেই প্রোগ্রাম করতে চাই সেখানে বাধা দেয়া হয়। কোথাও জড় হলে বলে এখানে সভা সমাবেশ করা যাবে না, কারণ কি এখানে নাকি নাশকতা হবে। সরকার ও প্রশাসনের কথায় মনে হয় তারা সবাই জ্যোতিষ, আচার্য। তিনি বলেন, খুলনা, চট্টগ্রাম, বরিশালে, রাজশাহীতে আমাদের ১ ঘণ্টা আগে সমাবেশের অনুমতি দিয়েছে। খুলনা, বরিশালে বলছে সমাবেশ করতে দেয়া হবে না। যখন বলা হলো গোটা শহরে সমাবেশ হবে পারলে গুলি করেন তখন তারা সরে যায়। আসলে যেখানে প্রতিরোধ সেখানে সরে যায়। মনে রাখতে হবে প্রতিরোধের কোনো বিকল্প নেই। মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমান সরকার সবকিছু শেষ করে দিয়েছে। এমনকি মানুষের সব শেষ আশ্রয় বিচারালয় ও তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। আমাদের এখন বলতে বাধা নেই নিম্ন আদালতের বিচারকরা অপেক্ষায় থাকে কখন উপরের মহল থেকে নির্দেশ আসবে তখন রায় ঘোষণা করবে। উচ্চ আদলতের ওপর একটা আস্থা ছিলো, কিন্তু খালেদা জিয়ার মামলায় জামিনের বিষয়ে তারাও সরকারের নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে জামিন স্থগিত করলে। এটি সম্পূর্ণ নজির বিহীন। রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি সব বিরোধী দল একমত হয়েছে বর্তমান সরকারেরে অধীনে সুষ্ঠু হবে না। তখন বেগম খালেদা জিয়ার ডাকে সাড়া দিয়ে কোনো দল নির্বাচনে অংশ নেয়নি। তাহলে আজ কেন আমরা ঐক্যবদ্ধ হতে পারছি না? আমাদের সবাইকে আবার নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবীতে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। মানুষের গণতান্ত্রিক, নাগরিক ও ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশে যে অরাজক উপরিস্থ তার জন্য ভোটার বিহীন সরকার ব্যবস্থা দায়ী। আর সে জন্য আমরা বার বার বলছি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে। জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। কিন্তু সে ব্যবস্থা এখনও করার কোনো প্রক্রিয়া আমরা দেখছি না। বেগম খালেদা জিয়ার কারাবাসের বিষয়ে তিনি বলেন, মিথ্য মামলায় সাজা দিয়ে কারাগারে রাখা হয়েছে। নজির বিহীন ভাবে তার জামিন আটকে রাখা হয়েছে। তার জামিনও বিলম্বিত করছে। আমাদের দেশে আইনে আছে ৫ বছরেরে কম সাজ। হলে উচ্চ আদালত তাকে জামিন দিতে পারে। কিন্তু খালেদা জিয়ার বেলায় ত। করা হয়নি। উদ্দেশ্য তার কারাবাস দীর্ঘায়িত করা। তিনি বলেন, যখন বিচারপতি খাইরুল হক সংবিধান কাটা ছেড়া করে একটি বিতর্কিত রায় দিয়েছে তখনই দেশে সংকট তৈরি হয়েছে। কারণ ওই রায়ের মাধ্যমে বর্তমান সরকারকে ভোটার বিহীন নির্বাচন করে ক্ষমতায় থাকার পথ সুগম করে দিয়েছে। ফখরুল বলেন, আবারও একদলীয় শাসন ফিরিয়ে আনার মূল হোতা বিচারপতি খাইরুল হক। তার পরে যারা এসেছেন তারা সবাই এটাকে আবার বহাল করতে কাজ করছেন। এটা একটি ষড়যন্ত্র একদলীয় শাসন ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার। প্রতিবাদ সভায় আরো বক্তব্য রাখেন পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের সভাপতি ও আমারদেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, ড্যাব মহাসচিব এ জেড় এম জাহিদ হোসেন।